নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের চামুয়ার বিল খননে মাটির নিচে পাওয়া গৌতম বুদ্ধদেবের মুর্তিটি হারিয়ে গিয়েছিল। শনিবার দিবাগত গভীর রাতে সোনারায় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের বাড়ি থেকে মুর্তিটি উদ্ধার করে পুলিশ।
গৌতম বুদ্ধদেবের মুকুটসহ মুখমণ্ডলসদৃশ উদ্ধার হওয়া পাথরের মুর্তিটি সাড়ে ছয় ইঞ্চি দৈর্ঘ্য, প্রস্থ আড়াই ইঞ্চি ও ওজন সাড়ে সাতশ গ্রাম।
থানা সূত্র জানায়, জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ১১ জানুয়ারি উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের চামুয়ার বিলে খনন কাজ শুরু হয়। খননকালে শ্রমিকরা একটি পাথরের মুর্তি দেখতে পায়। মুর্তিটি সংরক্ষনের কথা বলে ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের ছেলে ফরহাদ হোসেন নিজের কাছে রেখে দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে গত শনিবার গভির রাতে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল ও ডোমার থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. মোকছেদ আলী চেয়ারম্যানের বাড়ি হতে মুর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
সোনারায় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার সেলফোন ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার ছেলে ফরহাদ হোসেন জানান, ‘চামুয়ার বিলে মাটি খননের সময় একটি পাথরের মুর্তি পাওয়া যায়। মুর্তিটি আমি সংরক্ষণ করে আমার বাবার (চেয়ারম্যান) মাধ্যমে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি।’
ডোমার থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. মোকছেদ আলী জানান, ‘গৌতম বুদ্ধদেবের মুকুটসহ মুখমণ্ডলসদৃশ একটি মুর্তি উদ্ধার করা হয়েছে। মুর্তিটি কষ্টি পাথরের কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে। মুর্তিটি সংরক্ষনের জন্য রংপুর তাজহাট যাদু ঘরে দ্রুত পাঠানো হবে।’
তিনি আরো জানান, ‘মুর্তিটি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. উম্মে ফাতিমা জানান, মুর্তি উদ্ধারের পর হতে বিলটির খনন কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ দেশের বৃহৎ পাকশালার রান্নায় ১০ লক্ষাধিক মানুষের আপ্যায়ন
তিনি আরো বলেন, ‘মাটি কাটা শ্রমিকরা বলছে, সিড়ির মতো কিছু একটা তারা দেখতে পেয়েছে। প্রত্মতান্ত্রিক বিভাগের দক্ষ কর্মকর্তাদের পরিদর্শনের পর বিলটির খননের বিষয়ে সিন্তান্ত নেওয়া হবে।’
ইত্তেফাক/নূহু