মুন্সীগঞ্জ সদরের মুক্তারপুরের একটি বাড়ি থেকে মাদক কারবারি ৬ নারী রোহিঙ্গাসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ তাদের কাছ থেকে ৯শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির ৯০ হাজার টাকা এবং তাদের ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল উদ্ধার করেছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৭ জন রোহিঙ্গা। এর মধ্যে ৬ জনই নারী। এদের মধ্যে সাকিলা রুমা (২৫) নামে এক নারীর সাথে তার চার বছরের পুত্র ওসমান গণি রয়েছে। অপর জন স্থানীয় লৌহজং উপজেলার বেদে পল্লীর মো: রাশেদ ওরফে রাজেশ (৩০)।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি আনিছুর রহমান জানান, কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে নানা কৌশলে এখানে আসে। এরপর মুক্তারপুরে ইয়াবার একটি চালান বিক্রি করে আরেক চালান বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এই সময় শনিবার ৭ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি না করে ওত পেতে স্থানীয় এক কারবারি রাজেশকে ধরার পর রবিবার গ্রেফতারকৃতদের গণমাধ্যমের সামনে নিয়ে আসা হয়।
আরো পড়ুনঃ সৈকতে গোসলে নেমে সাগরে তলিয়ে শিশু শিক্ষার্থী নিখোঁজ
এদের মধ্যে গ্রেফতারকৃত রোহিঙ্গারা মাদক কারবারিদের মধ্যে একই পরিবারের মধ্যে পাঁচজন রয়েছে। এরা হলেন- নূর বেগম (৫০), তার তিন কন্যা আজু বেগম (৩৫), শাকিলা রুমা (২৫), নূরজাহান রোমানা (১৯) ও নূরজাহান রোমানার স্বামী জিয়া বল (৩০)। এছাড়াও তাদের আত্মীয় আরও দুই কিশোরী সুমায়া আক্তার(১৬) ও নূর কায়দা (১৫) রয়েছেন। তারা টেকনাফের লেদা ক্যাম্প-২৪ এর বাসিন্দা।
তাদের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মাদক আইনে মামলা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে আসামীদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মায়ের অপরাধের জন্য এখন অবুঝ শিশু ওসমান গনিও কারাগারে।
ওসি আরো জানান, নানা কারণে এখনই রিমান্ড চাওয়া হয়নি। যেহেতু নারী আসামী বেশী তাই ঊর্ধ্বতনদের সাথে কথা বলে পরবর্তীতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে তাদের কাছ থেকে মাদক সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
ইত্তেফাক/এমএএম