আফগানিস্তানে সবাইকে নিয়ে সরকার গঠনে ইমরান খানের উদ্যোগ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, আফগানিস্তানের সরকারে যাতে তাজিক, উজবেক এবং হাজারাসহ সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব থাকে সে লক্ষ্যে তিনি তালেবানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন। টুইটারে এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, তাজিকিস্তানে সম্প্রতি সাংহাই সহযোগিতা সংগঠনের এক শীর্ষ সম্মেলনে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এদিকে দেশটিতে মাধ্যমিক স্কুল খুললেও মেয়েরা ক্লাসে আসতে পারছেন না।

ইমরান খান বলেন, আফগানিস্তানে ৪০ বছর ধরে যুদ্ধ চলার পর নতুন সরকারে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব থাকলে তবেই সে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে। তালেবানের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বেশির ভাগ সদস্যই পশতুন জাতিগোষ্ঠীর এবং মন্ত্রিসভায় এক জনও নারী নেই।

এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে তালেবান সরকার। চিঠিতে আফগানিস্তানে জাতিসংঘ কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তালেবানের কাছ থেকে চিঠিটি পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন গুতেরেস। এতে সংস্থাটির কর্মীদের সুরক্ষার পাশাপাশি নারী অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলোও সুরাহার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর জালালাবাদে বিস্ফোরণে অন্তত দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ১৯ জন। পাকিস্তানের মিডিয়া ডন জানিয়েছে, এই হামলা হয়েছে তালেবানের গাড়ি টার্গেট করে।

ইত্তেফাক/এসজেড