করোনায় নাট্যকর্মীদের জীবনমান শূন্যে

বাংলাদেশে মঞ্চ নাটক চতুর্থ শতাব্দী থেকে উত্পত্তি লাভ করেছে। উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতির প্রবেশের মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতিতে নাট্যচর্চার বিকাশ ঘটে। উত্তর ভারতীয় আর্য সংস্কৃতি বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যায়। বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে মঞ্চনাটক যেন আত্মিকভাবে জড়িয়ে আছে। অভিনেতারা সাধারণত পারিপার্শ্বিক কাজ করে থাকলেও ভালো নেই মঞ্চ নাটকের নেপথ্যের শিল্পীরা। মঞ্চনাটকের নেপথ্যে কাজ করে থাকেন লাইট ডিজাইনার, মেকাপ আর্টিস্ট, পোশাক পরিকল্পনাকারী এবং সাউন্ড আর্টিস্ট। মঞ্চনাটকে নেপথ্যে শিল্পীদের ভূমিকা অপরিসীম। তাঁদের ছাড়া মঞ্চনাটক কল্পনাও করা যায় না। মহামারি করোনার কারণে শিল্পকলা একাডেমি, মহিলা সমিতিতে আগের তুলনায় এখন মঞ্চনাটক খুবই কম হয়। ফলে বর্তমানে নেপথ্যে শিল্পীদের জীবনযাত্রা খুবই দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। কারণ থিয়েটার বা মিডিয়াতে কাজ না থাকলে তাদের আয় নেই বললেই চলে।

মহামারি করোনার কারণে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শিল্পীরা। নেপথ্যের শিল্পীদের কোনো মাসিক বেতন নেই। তাঁদের জীবন এখন খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। নেপথ্যের কলাকুশলীদের বাঁচিয়ে রাখতে হলে আপাত্কালীন সময়ে অনুদানের বিষয়টি নজরে আনতে হবে। কলাকুশলীদের তালিকা করে অনুদানের ব্যবস্থা করা হোক। এ দুরবস্থার দ্রুত অবসান ঘটুক।

বীথি রানী মণ্ডল

শিক্ষার্থী, নাট্যকলা বিভাগ,

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা