৬৯.৩৪ শতাংশ ভোট পড়েছে ১৬০ ইউপিতে

প্রথম ধাপের স্থগিত থাকা ১৬০ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকের এই ভোটে ৭৬টি (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাদে) ইউপিতে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন ৩৬টিতে। আর একটিতে জয় পেয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী।

গতকাল সোমবার ১৬০টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ৪৩টিতে গতকাল চেয়ারম্যান পদে ভোটের               প্রয়োজন হয়নি। বাকি ইউপিগুলোর মধ্যে এই ফলাফল এসেছে। এর মধ্যে চারটি ইউপিতে ভোটের ফলাফল স্থগিত আছে। মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে ইসি সচিবালয় এই ফলাফলের তথ্য জানিয়েছে। ১৬০টি ইউপিতে মোট ভোটার সংখ্যা ২০ লাখ ৯৩ হাজার ১১৭ জন। ভোট দিয়েছেন ১৪ লাখ ৫১ হাজার ৩০০ জন। অর্থাত্ ভোট পড়ার হার হচ্ছে ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

ইসি সচিবালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইভিএমে ভোট পড়ার হার ছিল ৬৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ ভোট পড়েছে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউপিতে। আর সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউপিতে, ৫৬ দশমিক ১৬ শতাংশ। এতে ভোট পড়েছে ৬৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আটটি ইউপির মোট ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৯ জন। এদের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৭২৫ জন।

অন্যদিকে কাগজের ব্যাটলে অনুষ্ঠিত ভোটে ভোট পড়ার হার ছিল ৬৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। সর্বোচ্চ ৮৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ ভোট পড়েছে খুলনার দাকোপ উপজেলার দাকোপ ইউনিয়ন পরিষদে। আর সবচেয়ে কম ৪৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পড়েছে সন্দ্বীপের মুছাপুর ইউনিয়নে।