গুরুদাসপুর (নাটোর) সংবাদদাতা
খেলার মাঠ জুড়ে বালুর স্তূপ। সেই বালুর সঙ্গে উঠে আসা পানিতে শ্রেণিকক্ষের সামনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কাদাপানিতে একাকার হয়েছে শ্রেণিকক্ষের বারান্দা। গুরুদাসপুরের নাজিরপুর আলিম মাদ্রাসার বর্তমান চিত্র এটি। এতে করে মাদ্রাসায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা খেলাধুলাও করতে পারছে না। মাদ্রাসার ছাত্র আঞ্জুম তাসনিম, আকরাম আলী, রঞ্জু মোল্লাসহ অন্যরা জানান, মাদ্রাসা খোলা থাকা অবস্থাতেই বুধবার থেকে মাঠে বালু ফেলা শুরু করেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নিজেই। মাঠ জুড়ে বালুর বড় স্তূপের কারণে শ্রেণিকক্ষের সামনে জলাবদ্ধতা হয়েছে। শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে গিয়ে কাদাপানিতে নষ্ট হচ্ছে পোশাক।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে অধ্যক্ষ আব্দুল হক জানান, মাঠ জুড়ে বালু ফেলায় উত্তর পাশের প্রবেশমুখ বন্ধ হয়েছে। আবার দক্ষিণ পাশের প্রবেশমুখেও বালুর স্তূপ থাকায় শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে প্রবেশ করতে পারছে না। তাছাড়া মাদ্রাসার উত্তর পাশের পাঁচটি শ্রেণিকক্ষের বারান্দায় পানি ওঠায় পাঠদান এবং চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগ শুরু হয়েছে। সভাপতি নিজেই মাদ্রাসা মাঠে বালু রাখায় তিনি অধ্যক্ষ হলেও কিছু বলতে পারছেন না।
এদিকে, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান শওকত রানা লাবু বালু ফেলার কথা স্বীকার করে বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাময়িক দুর্ভোগ হলেও মাদ্রাসা মাঠেও কিছু বালু দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে গুরুদাসপুর মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এয়াহেদুজ্জামান জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে। এই দীর্ঘ বিরতির পরও যদি নানা কারণে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ হয় তা দুঃখজনক। সভাপতি হয়ে মাদ্রাসা মাঠে বালু রেখে তিনি ঠিক করেননি। খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।