কম্পিউটার হোক আর মোবাইল, অ্যান্টিভাইরাস এখন সবখানেই দরকার নিরাপত্তার জন্য। দুই ধরনের সফটওয়্যারই ম্যালওয়্যারের মতো মৌলিক বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে সমান সুরক্ষা দেয়। তবে ইন্টারনেট সিকিউরিটিতে ফায়ারওয়াল, পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রাম, অনলাইনে কেনাকাটার সময় নিরাপত্তাসুবিধার মতো অতিরিক্ত কিছু সুবিধা থাকে, যেগুলো হ্যাকিং প্রতিরোধে কাজ করে। যাঁরা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, ইন্টারনেট সিকিউরিটি তাঁদের জন্য। অনলাইনে নিরাপত্তাও তাঁদের বেশি প্রয়োজন। আমাদের আলোচনাও তাই ইন্টারনেট সিকিউরিটিতে সীমিত রাখছি।
বাজারে এখন ক্যাসপারস্কি আর বিটডিফেন্ডারের নিরাপত্তা সফটওয়্যার বেশি দেখা যায়। নরটন, প্যান্ডা, ইসেট ও ইসক্যানের পণ্যও বাজারে বিক্রি হচ্ছে।
ইসেট ইন্টারনেট সিকিউরিটি পাওয়া যায় এক, দুই ও তিন বছর মেয়াদে। একজন ব্যবহারকারীর জন্য এক বছরের লাইসেন্স চাইলে দাম পড়বে ১ হাজার ৯৯ টাকা। তবে একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য একসঙ্গে কিনলে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য দাম কমে যায়। যেমন এক বছরের জন্য দুই বা তিনজন ব্যবহারকারীর লাইসেন্সের দাম যথাক্রমে ১ হাজার ৪৯৯ ও ২ হাজার ১৯৯ টাকা। রুশ প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কির ইন্টারনেট সিকিউরিটির দাম ইসেটের মতোই। তবে দুজন ব্যবহারকারীর জন্য ক্যাসপারস্কির প্যাকেজ পাওয়া যায় না। শুধু একজন বা তিনজন ব্যবহারকারীর জন্য পাওয়া যায়। বিটডিফেন্ডারের একজন বা তিনজন ব্যবহারকারীর জন্য এক বছর মেয়াদের লাইসেন্সের দাম যথাক্রমে ৭৯৯ ও ১ হাজার ৫৯৯ টাকা।
বাজারে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বা ট্যাবের জন্যও নিরাপত্তা সফটওয়্যার পাওয়া যায়। এক বছরের লাইসেন্সে ক্যাসপারস্কি ইন্টারনেট সিকিউরিটি ফর অ্যান্ড্রয়েডের দাম পড়বে ৬৯৯ টাকা। একই মেয়াদে ইসেট মোবাইল সিকিউরিটি ফর অ্যান্ড্রয়েডের দাম ৭৯৯ টাকা। মনে রাখবেন, মোড়কে উল্লেখিত দাম সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য। বেশির ভাগ দোকানে আপনি উল্লেখিত দামের চেয়ে বেশ কমে এই সফটওয়্যারগুলো পাবেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি দোকানে ইসেট ইন্টারনেট সিকিউরিটিগুলো ১, ২ ও ৩ বছর মেয়াদে যথাক্রমে ৭০০, ৮০০ ও ১০০০ টাকা দাম চেয়েছে। অনলাইনে কিনলেও ছাড় মিলতে পারে।