গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো
স্পোর্টস রিপোর্টার
কানাডা প্রবাসী মোহাম্মদ মুসা। সাবেক জুডোকা। বাংলাদেশে একসময় জুডোর খ্যাতানামা খেলোয়াড় ছিলেন। ছুটিতে ঢাকায় এসেছেন। টিভির পর্দায় সাফের খেলা দেখছেন। কোনো ম্যাচ মিস করেননি। তিনি মনে করেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটায় বাংলাদেশের বিশ্বনাথ ঘোষ লালকার্ড পাওয়ায় ১০ জন নিয়ে বাংলাদেশ উজ্জীবিত ফুটবল খেলে ভারতের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে। কানাডা প্রবাসী মুসা বললেন,‘আমি খেলা দেখেছি। যদি লালকার্ডের ঘটনা না ঘটত, হয়ত হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হতো। লালকার্ডের কারনেই খেলা ভালো হয়েছে। গোলও পেয়েছে।’ মন্ট্রিয়লে বসবাসকারী সাবেক জুডোকা মুসা বললেন,‘আমি শ্রীলঙ্কা-নেপালের ম্যাচও দেখেছি। প্রথম খেলায় বাংলাদেশের বিপক্ষে লঙ্কানরা যে পারফরম্যান্স করেছেন তার পুরোটাই বদলে গিয়েছে দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে। শ্রীলঙ্কা যদি এই পারফরম্যান্সটা যদি বাংলাদেশের বিপক্ষে করতে পারত তাহলে জয় পাওয়াটা কঠিন হয়ে যেত।’
গতকাল মালদ্বীপে অনুশীলনে বাংলাদেশের গোলকিপার আনসুির রহমান জিকোর কাছে সংবাদ মাধ্যম কাছে প্রশ্ন রেখেছিল বিশ্বনাথের লালকার্ড নিয়ে। ফাউল করায় সেকি (বিশ্বানাথ ঘোষ) নায়কের ভুমিকায় উঠে এলো কিনা। জিকো বললেন,‘ওটা ভালোই হয়েছে। বিশ্বনাথ ফাউলটা ভালোর জন্যই করেছিল। ওখানে আমি থাকলে হয়ত সেটাই করতাম। তবে ড্র হওয়ার পেছনে বিশ্বনাথের ফাউলটারও অবদান আছে।’
ভারত ম্যাচ নিয়ে জিকো বলেন,‘ আমাদের আমরা এখন অনেক পজিটিভ ফুটবল খেলছি। পাসিং ফুটবল খেলার চেষ্টা করছি। ভারত শক্তিশালী দল কিন্তু বার বার সুনীল ছেত্রী ডিফারেন্সটা করা দিচ্ছেন।’ আগামীকাল মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ। এবার স্টেডিয়ামের পুরো জায়গাটা জুড়ে মালদ্বীপের সমর্থকরা থাকবেন। এতো দিন বাংলাদেশের সমর্থকরা ছিল এবার মালদ্বীপের সংখ্যাটা বেশিই থাকবে। লড়াইটাও কঠিন হবে। মালদ্বীপের আক্রমনে শক্তিশালী আলী আশফাক আছেন। বাংলাদেশের রক্ষনের দুর্বলতা জানা আছে তার। আর বাংলাদেশ জানে মালদ্বীপের রক্ষনের দুর্বলতা। নিজেদের সামর্থ্য কাজে লাগিয়ে জয়টা তুলে নিতে চান জিকো। বললেন,‘মালদ্বীপ ছাড়াও নেপালের বিপক্ষে খেলা রয়েছে। দুইটা ম্যাচ থেকে একটা ম্যাচ জিতলে ফাইনালে যেত পারব।’
কোচ এমনভাবে বুঝায় যেন ওরা কিছুুই না
সাফের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পেনাল্টি হতে ডিফেন্ডার তপু বর্মণ গোল করে ম্যাচ জিতিয়েছেন। আর ভারতের বিপক্ষে পিছিয়ে তেকে গোল করে ড্র করিয়েছেন আরেক ডিফেন্ডার ইাসিন আরাফাত। দুই ম্যাচে দুই ডিফেন্ডাররা গোল করলেন। ফরোয়ার্ডদের দায় আছে কিনা প্রশ্ন করেছিলেন স্ট্রাইকার মতিন মিয়ানকে। মতিন বললেন,‘আমি মনে করি খেলায় ১১ জন খেলে। যে কেউ গোল করতেই পারে। আমরা আশাকরি ফরোয়ারর্ডরা গোল পাবো। মালদ্বীফ নিয়ে বললেন,‘মালদ্বীপ আক্রমনে ভালো। রক্ষনে দুর্বলতা আছে। আমারা জেতার জন্য খেলব।’ কোচ ব্রুজন নিয়ে মতিনের কথা ,‘অস্কারের মুল মন্ত্র হচ্ছে মানসিক ভাবে শক্তিশালী করা। আমরা জানি ভারত শক্তিশালী দল। কিন্তু কোচ এমনভাবে বুঝায় যেন ওরা কিছুুই না। কোচ সেই মন্ত্র দিয়েছে। আমাদের আত্নবিশ্বাসটা বাড়িয়ে দিয়েছে।’