দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত ছয় নতুন মুখ

নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন করে ছয় সংগঠক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক হয়েছেন। যার মধ্যে পাঁচ জনই ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবের, একজন ঢাকা বিভাগের। বিসিবির পরিচালক পদে প্রথম বার হলেও সবাই ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত ও পরীক্ষিত মুখ। নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বে দেশের ক্রিকেট এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করবেন সবাই। সভাপতির অর্পিত দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত তারা। প্রাথমিকভাবে পাপনের ঠিক করা তিন লক্ষ্য বাস্তবায়নকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

n ওবেদ রশীদ নিযাম

আমার অভিজ্ঞতা তো অনেক দিনের। ঘরোয়া ক্রিকেটেও আছে, সঙ্গে বিপিএলের দিক থেকে চিন্তা করলে, এজেন্ট, বড় বড় প্লেয়ারদের সঙ্গে, ওদের দেশগুলোর সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা আছে। সভাপতি সাহেব সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাকে যেটাই দিবেন, আমি দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত। এখানে আমাদেরকে তিনটা জিনিস তো সভাপতি নিজেই বলেছেন। আমাদের একাডেমির কথা বলেছেন, আমাদের কিছু মাঠের দরকার। আর বোর্ডে আমাদের বলেছেন, আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা একসঙ্গে মিলেই এটা এগিয়ে নিয়ে যাব।

n ইফতেখার রহমান মিঠু

বাংলাদেশের প্রথম নজর দেওয়া উচিত ঘরোয়া ক্রিকেটে। মানে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ, ক্লাব ক্রিকেটে নিচের সবগুলো লিগ এবং লংগার ভার্সন লিগ। তাতে আমাদের ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেটটা উন্নতি করবে। আমার কোনো পছন্দ নাই। যেহেতু ক্রিকেটের সর্বত্রই কাজ করেছি, অভিজ্ঞতা আছে আমার। ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও। এখন সভাপতি যেখানে মনে করবেন যে আমাকে দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটের কাজ হবে, আমাকে যে দায়িত্ব দেবেন, আমি স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

n ফাহিম সিনহা

আমি সবাইকে একটা কথাই বলছি, সব বিভাগেই উন্নতির সুযোগ আছে। যেটাই আমাকে দেবে, আমাকে যোগ্য মনে করবে, আমি কাজ করতে পারব মনে করবে, আমি করব। নির্দিষ্ট কোনো পছন্দ আমার নাই।

n সালাউদ্দিন চৌধুরী

এটা পুরোই নির্ভর করছে বোর্ড সভাপতির ওপরে। উনি যেখানে মনে করবেন যে, আমি অবদান রাখতে পারব। আমি ঐ জায়গাতেই কাজ করব। আমি অনেক দিন ধরে ক্লাব, প্লেয়ার, কোচ, স্পন্সরদের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সঙ্গে কাজ করছি। আমার পছন্দ হচ্ছে, ঢাকার ক্লাবগুলোর যেসব লোকজন আছে, যারা ক্লাবের জন্য জীবন উত্সর্গ করে দিছে, তাদের জন্য কিছু করতে পারলে আমার কাছে ভালো লাগবে।

n মঞ্জুর আলম মঞ্জু

আমাদের বোর্ড সভাপতি যে পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন, ওইটার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত আছি। বোর্ড সভাপতি সংবাদ সম্মেলনে তিনটা পরিকল্পনার কথা বলেছেন, সেগুলোকে অগ্রাধিকার ধরেই এগিয়ে যাবো। পাশাপাশি আমার চেষ্টা থাকবে যুব ক্রিকেট ও তৃণমূলের ক্রিকেট নিয়ে কাজ করার, যাতে প্লেয়ার তৈরি করা যায়।

n তানভীর আহমেদ টিটু

বোর্ড সভাপতি সংবাদ সম্মেলনে যে কথাগুলো বলেছেন, সেগুলোই এখন আমাদের বোর্ডের প্রথম কার্যকরী সিদ্ধান্ত। এখন এগুলো বাস্তবায়নই মূল অগ্রাধিকার। ঢাকাকেন্দ্রিক সুযোগ-সুবিধাগুলো আছে, বিসিবির পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা-বিভাগে একই মানের সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা। যাতে তৃণমূলের ছেলেরা আরো ভালো প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা যেন বাড়ি গিয়েও ঢাকার মতোই অবকাঠামো পায়।  আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে, আমি সেটা পালন করতে প্রস্তুত।