সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
নীলফামারীর সৈয়দপুরে এখন দিনের বেলা কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরমে ত্রাহি অবস্থা জনজীবনে। দিনের এমন পরিস্থিতি আবার পালটে যাচ্ছে রাতে ও ভোরে। ঝড়ছে কুয়াশা ও ঠান্ডা পড়ছে। আবহাওয়ার এ তারতম্যের কারণে নানা রোগও দেখা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. লোকমান হাকিম বলেন, অস্বাভাবিক আবহাওয়া মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য। দিনের বেলা তাপ বিকিরণে গরম লাগে। আর বিকালের পর থেকে তাপ বিকিরণ কমে গেলে ঠান্ডা লাগে। তবে গত ৫০ বছরে রংপুর অঞ্চলে আবহাওয়ার এমন তারতম্য দেখা যায়নি।
এদিকে কুয়াশা ও গরমের জন্য ভাইরাস জ্বর, সর্দি, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে শিশু ও বৃদ্ধরা চিকিত্সার জন্য আসছেন। ভোরে দেখা যায় কুয়াশার কারণে ঠান্ডা লাগে। ফজরের নামাজের সময় মুরব্বীরা একধরনের চাদর গায়ে চাপিয়ে মসজিদে যাচ্ছেন। উপজেলার কামারপুকুরের ছপদ্দি মামুদ জানান, দিনভর তীব্র গরম থাকলেও সন্ধ্যার পরে একটু ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব চলে আসে। সারা দিন কড়া রোদ আর প্রচণ্ড গরম থাকলেও শেষ রাতের ঠান্ডা পরিবেশ জানান দেয় শীতের প্রস্তুতির কথা।
সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু মো. আলেমুল বাসার বলেন, এসময় ঠান্ডা-জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। সেই সঙ্গে শিশুদের ডায়রিয়াও বেড়েছে। এসব অসুস্থতার মূল কারণ হঠাত্ ঠান্ডার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। ঠান্ডা-গরমের গরমিলে মানুষ অসুস্থ হচ্ছে। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।