ফিরে দেখা

q ২  ০  ০  ৭

আয়োজক                 :   দক্ষিণ আফ্রিকা

চ্যাম্পিয়ন                  :   ভারত

রানার্সআপ                :   পাকিস্তান

ফাইনাল সেরা           :   ইরফান পাঠান, ভারত।

টুর্নামেন্ট সেরা           :   শহিদ আফ্রিদি, পাকিস্তান।

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক   :   ম্যাথু হেইডেন (২৬৫ রান),

                                  অস্ট্রেলিয়া।

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি    :            উমর গুল (১৩ উইকেট),

                                  পাকিস্তান।

টি-২০ বিশ্বকাপের আগমনি বার্তা দিয়েছিলেন ক্রিস গেইল। যা শেষ হয় ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের উত্তেজনার মধ্য দিয়ে। রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জিতে ভারত। ইংল্যান্ড পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডের এক ওভারে ছয় ছক্কায় ১২ বলে দ্রুততম ফিফটির বিশ্বরেকর্ড গড়েন ভারতের যুবরাজ সিং। 

q ২  ০  ০  ৯

আয়োজক                 :   ইংল্যান্ড

চ্যাম্পিয়ন                  :   পাকিস্তান

রানার্সআপ                :   শ্রীলঙ্কা

ফাইনাল সেরা           :   শহিদ আফ্রিদি, পাকিস্তান।

টুর্নামেন্ট সেরা           :   তিলকরত্নে দিলশান, শ্রীলঙ্কা।

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক   :   তিলকরত্নে দিলশান (৩১৭ রান),

                                  শ্রীলঙ্কা।

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি    :            উমর গুল (১৩ উইকেট),

                                  পাকিস্তান।

জোহানেসবার্গের দুঃখ লর্ডসে মেটাল পাকিস্তান। টুর্নামেন্টে তাদের শুরুটা হয় শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে; কিন্তু শেষটা হয় উলটোভাবে, প্রতিপক্ষ সেই শ্রীলঙ্কা। শহিদ আফ্রিদির অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে আট উইকেটের জয় পেয়ে শিরোপা উল্লাসে মাতেন ইউনিস খানরা।

q ২  ০  ১  ০

আয়োজক                 :   ওয়েস্ট ইন্ডিজ

চ্যাম্পিয়ন                  :   ইংল্যান্ড

রানার্সআপ                :   অস্ট্রেলিয়া

ফাইনাল সেরা           :   ক্রেইগ কিসওয়েটার, ইংল্যান্ড।

টুর্নামেন্ট সেরা           :   কেভিন পিটারসেন, ইংল্যান্ড।

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক   :   মাহেলা জয়াবর্ধনে (৩০২ রান),

                                  শ্রীলঙ্কা।

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি    :            ডার্ক ন্যানেস (১৪ উইকেট),

                                  অস্ট্রেলিয়া।

ক্রিকেটের জনক হলেও ইংল্যান্ডকে রাজা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয় ২০১০ সাল পর্যন্ত। বার্বাডোজে একপেশে ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়াকে সাত উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পল কলিংউডের দল। যার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান হিসেবে কেভিন পিটারসেনের নাম বললে ভুল হবে না।

 

q ২  ০  ১  ২

আয়োজক                 :   শ্রীলঙ্কা

চ্যাম্পিয়ন                  :   ওয়েস্ট ইন্ডিজ

রানার্সআপ                :   শ্রীলঙ্কা

ফাইনাল সেরা           :   মারলন স্যামুয়েলস, ওয়েস্ট ইন্ডিজ

টুর্নামেন্ট সেরা           :   শেন ওয়াটসন , অস্ট্রেলিয়া

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক   :   শেন ওয়াটসন (২৪৯ রান),

                                  অস্ট্রেলিয়া 

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি    :            অজন্তা মেন্ডিস (১৫ উইকেট),

                                  শ্রীলঙ্কা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হয়তো সবচেয়ে কম আলো ছড়িয়েছে এই আসরটি। সেমিফাইনাল, ফাইনালে উত্তেজনা বলতে কিছু ছিল না। তবে কেঁদেছে শ্রীলঙ্কা। আর তাদের ৩৫ রানের আক্ষেপে কাঁদিয়ে গ্যাংনাম নৃত্যে মেতে ওঠে ড্যারেন স্যামির ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 

q ২  ০  ১  ৪

আয়োজক                 :   বাংলাদেশ

চ্যাম্পিয়ন                  :   শ্রীলঙ্কা

রানার্সআপ                :   ভারত

ফাইনাল সেরা           :   কুমার সাঙ্গাকার, শ্রীলঙ্কা।

টুর্নামেন্ট সেরা           :   বিরাট কোহলি, ভারত।

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক   :   কোহলি (৩১৯ রান), ভারত। 

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি    :            ইমরান তাহির, দক্ষিণ আফ্রিকা                                         ও এহসান মালিক, নেদারল্যান্ডস

                                  (১২ উইকেট)।

আয়োজক হলেও বাংলাদেশের জন্য টুর্নামেন্টটা ছিল ভুলে যাওয়ার মতো। হংকংয়ের বিরুদ্ধে লজ্জাজনক হারটি এখনো গায়ে কাটা দেয় টাইগার ভক্তদের। টুর্নামেন্ট জুড়ে দাপট দেখানো শ্রীলঙ্কার হাতেই ওঠে শিরোপা। ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চার ফাইনাল হারের বেদনা মেটান সাঙ্গাকারারা। 

q ২  ০  ১  ৬

আয়োজক                 :   ভারত

চ্যাম্পিয়ন                  :   ওয়েস্ট ইন্ডিজ

রানার্সআপ                :   ইংল্যান্ড

ফাইনাল সেরা           :   মারলন স্যামুয়েলস, ও.ইন্ডিজ।

টুর্নামেন্ট সেরা           :   বিরাট কোহলি, ভারত।

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক   :   তামিম ইকবাল (২৯৫ রান ),

                                  বাংলাদেশ।

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি    :            মোহাম্মদ নবী (১২ উইকেট),

                                  আফগানিস্তান।

এখনো প্রায় অবিশ্বাস্য মনে হয়। প্রথম দল হিসেবে দুই বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দুয়ারে ইংল্যান্ড। শেষ ওভারে ১৯ রান ডিফেন্ড করার দায়িত্ব ছিল বেন স্টোকসের; কিন্তু মঞ্চটা ছিল অখ্যাত কার্লোস ব্রাথওয়েটের। টানা চার বলে চার ছক্কা হাঁকিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ফের টি-টোয়েন্টির মুকুট এনে দেন তিনি।