উপাচার্য একিউএম মাহবুবের আশ্বাসে ভর্তি-সেমিস্টারসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফি কমানোর দাবিতে চলমান আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। টানা তিনদিন আন্দোলন শেষে প্রশাসনিক ও একাডেমি ভবনের তালা খুলে আন্দোলন প্রত্যাহার করেন তারা।
শনিবার (৩০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল রাজু আন্দোলন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে উপাচার্য আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। এজন্য আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করেছি। শীঘ্রই এ বিষয়ে নোটিশ প্রকাশের কথা রয়েছে, নোটিশ না এলে আমরা আবার আন্দোলনে যাবো।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী রথীন্দ্রনাথ বাপ্পি বলেন, উপাচার্য আমাদের আপাতত ভর্তি কিংবা রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার কথা বলেছেন। এছাড়া রিজেন্ট বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাথে আলোচনা শেষে সকল সমস্যার সমাধান হলে শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সময় দিয়ে ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশনের নোটিশ প্রকাশ করার বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একিউএম মাহবুব বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসি যে বাজেট দেয় তা খুব কম। শিক্ষকদের বেতনের বাইরে প্রায় সম্পূর্ণ খরচ শিক্ষার্থীদের বহন করতে হয়। আমরা ইউজিসির সাথে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলবো। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় যদি পর্যাপ্ত বাজেট পায় তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ও পাবে। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির বরাদ্দ বাড়াতে এবং শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী এসকল ফি কমাতে।
প্রসঙ্গত, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফি কমানোর দাবিতে গত বুধবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
ইত্তেফাক/এমএএম