শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ একমাত্র সমাধান নয় বলে মন্তব্য করেছে সারাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন।
সংগঠনটি বলছে, উপাচার্যের পদত্যাগ বরং পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে। বর্তমান উপাচার্য শাহজালাল বিজ্ঞান ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এদতৎসত্ত্বেও সমাধানযোগ্য একটি বিষয়কে উপাচার্যের পদত্যাগের আন্দোলনে রূপান্তর করার উদ্দেশ্য নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফরিদা ইয়াসমিন বারী ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে দাবি করে উদ্বেগ প্রকাশ করে এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয় সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগ রয়েছে, সরকারবিরোধী সুযোগসন্ধানী মহল ইতোমধ্যে আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হলেও একটি মহল কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে।
সংগঠনটি দাবি করে, বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরাজমান শান্ত পরিবেশকে বিঘ্নিত করে শিক্ষার্থীদেরকে ব্যবহার করে একটি মহল কর্তৃক দেশকে অস্থিতিশীল করার অব্যাহত চক্রান্তের এটি একটি অংশ। এসময় সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা ও শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক সকল দাবিদাওয়া মেনে নিয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন।