আফ্রিকা থেকে নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে এত বেশি মানুষ মরিয়া হয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছেন যে সেটা এখন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে বিশ্ব নেতাদের।
গত বছর ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ উত্তর আফ্রিকা থেকে ইতালিতে প্রবেশ করেছে।
ইতালির রোমে বসবাসরত বাংলাদেশি সাংবাদিক ইউসুফ আলী বলছিলেন নৌকা ডুবির ঘটনার পর যারা জীবিত উদ্ধার হয়েছেন তারা বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আছেন এখন।
এই কেন্দ্রগুলো সরকারি এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় চলে।
যারা ১৮ বছরের নীচে, তারা এখানে থাকবেন বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত। আরা যারা বেশি বয়সী তাদের কাজ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে প্রবেশের চেষ্টায় শুধু এ বছরের এপ্রিল পর্যন্তই ১৬শর বেশি অবৈধ অভিবাসী মারা গেছে। ১০ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১৩ হাজারের বেশি মানুষকে নৌকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ইউসুফ আলী বলছিলেন "উদ্ধারকৃতদের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় এদের বিভিন্ন শহরে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে। তাদের একটা কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় তবে তারা এই সব আশ্রয়কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে থাকেন"।
প্রায়শই শোনা যাচ্ছে ইতালির উপকুলে আফ্রিকার দারিদ্র বা যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের ডুবে মারা যাওয়ার খবর বা উদ্ধারের খবর।
সেখানে বেকার সমস্যা দিনদিন বাড়তে থাকায় একসময় তারা ইতালি থেকে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পরেন।
এদিকে ইউরোপের দিকে ধেয়ে আসতে থাকা অভিবাসীদের স্রোত নিয়ন্ত্রণ করতে-দশ দফার একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ইইউ, সেখানে বলা হয়েছে ভূমধ্যসাগরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা আরো জোরদার করা হবে, এবং নৌপথে মানব পাচারকে নিরুৎসাহিত করতে শুরু করা হবে একধরণের প্রচারণা।
-বিবিসি বাংলা