ভূমধ্যসাগরের নৌকাডুবিতে অন্তত ৪০ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে সেভ দ্য চিলড্রেন। বেঁচে যাওয়া অভিবাসীদের উদ্ধৃতি দিয়ে সেভ দ্য চিলড্রেনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইতালির দক্ষিণে সিসিলি দ্বীপে নৌকাডুবির সময় নৌকাটিতে ১৩৭ জন যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্য থেকে বেঁচে ফেরা ৯৭ জন মঙ্গলবার কাতানিয়ায় পৌঁছে তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বলেন। খবর বিবিসি ও রয়টার্স’র।
সেভ দ্য চিলড্রেনের মুখপাত্র গিয়োভানা দি বেনেদেত্তো বলেন, দুইটি নৌকায় প্রায় দুইশ ২৪০ জনের মতো অভিবাসী ছিলেন। এর মধ্যে একটি নৌকা ডুবে গেলেও অন্যটিতে কোন বিপদ ঘটেনি। সূর্যের প্রচন্ড তাপে রাবারের নৌকাটি বিস্ফোরিত হওয়ার কারণে সেটি ডুবে যায় বলে জানিয়েছে অভিবাসীরা।
সেভ দ্য চিলড্রেনের অন্য একজন মুখপাত্র জানান, বেঁচে থাকা যাত্রীদের বেশিরভাগ ঘানা, গাম্বিয়া, সেনেগাল এবং আইভোরি কোস্টের নাগরিক। কয়েক জন অভিবাসী মৃতের সংখ্যা ৪০ জানালেও অন্যরা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরো বেশি হবে। ডুবে যাওয়ার সময় একটি বাণিজ্যিক জাহাজ অনেককে উদ্ধার করতে পারলেও যারা সাতার জানতো না তারা সাগরে ডুবে গেছে।
সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত পাঁচ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে কাতানিয়ায় আনা হলেও তারা ডুবে যাওয়া ঐ নৌকার অভিবাসী ছিলেন কীনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভূমধ্যসাগরে একের পর এক নৌকাডুবির ঘটনায় অভিবাসী সঙ্কট নিয়ে ইউরোপের ২৬টি দেশের নৌ বাহিনীর প্রধানরা ইতালিতে আলোচনায় বসার প্রস্তুতি নেয়ার প্রাক্কালে আবারো নৌকাডুবি ঘটলো ভূমধ্যসাগরে।