গোপনে পরমাণু তথ্য বিক্রির চেষ্টার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের সাবেক এক কর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ওই কর্মী দেশের পারমাণবিক সংস্থার কম্পিউটার হ্যাক করে সেখান থেকে গোপন তথ্য চুরি করে ইরান, চীন ও ভেনিজুয়েলার কাছে বিক্রির চেষ্টা করেছিল। শুক্রবার মার্কিন কর্মকর্তারা একথা জানান।
হলফনামা অনুযায়ী, জ্বালানি বিভাগে কাজ করা চার্লস হার্ভে ইক্লিস্টোন নিউক্লিয়ার রেগুলেটরি কমিশনেও চাকরি করতেন। তিনি বৈদেশিক দূতাবাসে ঢোকার পর এএফবিআই তাকে কেন্দ্র করে ফাঁদ পাতে এবং চার্লস হার্ভে ইক্লিস্টোন তাতে পা দেয়।
এএফবিআই ফাঁদ অনুযায়ী তার কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পারমানবিক গোপন তথ্য পেতে চায়। ইক্লিস্টোন অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে গোপন তথ্য দেয়ার প্রস্তাব দেয়।
উল্লেখ্য, এ সংক্রান্ত চারটিরও বেশী অভিযোগে তার সর্বোচ্চ ৫০ বছর সাজা হতে পারে।
২০১৫ সালের ২৭ মার্চ ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষ ম্যানিলা থেকে ইক্লিস্টোনকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেয়।
সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন কার্লিন বলেন, ‘অভিযোগপত্র অনুযায়ী ইক্লিস্টোন মার্কিন সরকারের কম্পিউটার ব্যবস্থার ক্ষতির চেষ্টা করে, যেসব কম্পিউটারে পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য রয়েছে। বিদেশী দেশগুলো যেন এসব তথ্য পায় সে চেষ্টাও করে ইক্লিস্টোন।’
এছাড়া অভিযোগপত্রে ইক্লিস্টোন এসব তথ্য চীন, ইরান ও ভেনিজুয়েলায় বিক্রিরও চেষ্টা করে বলে উল্লেখ করা হয়।
ইক্লিস্টোন বলেন, এসব তথ্য চীন, ইরান ও ভেনিজুয়েলায় বিক্রির চেষ্টা করতাম। কারণ এক্ষেত্রে তার বিশ্বাস এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের এসব তথ্য পেতে অনেক আগ্রহী।
যোগ্যতা ও আচরণগত ইস্যুতে ইক্লিস্টোনকে ২০১০ সালে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ২০১১ সাল থেকে মার্কিন এ নাগরিক ফিলিপাইনের দাভাও সিটিতে বসবাস করে আসছে।