ত্রিপুরায় আইএস সন্দেহে বাংলাদেশি গ্রেফতার

আইএস’র কার্যকলাপে যুক্ত সন্দেহে ভারতীয় নিরাপত্তা কর্মীরা এক বাংলাদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ভারতীয় কিছু নথিপত্র পাওয়ায় এ ব্যাপারে জন প্রশাসন এবং ত্রিপুরা পুলিশকে শতর্ক করেছে।  খবর শিলংটাইমসের।
 
বাংলাদেশের নাগরিক কুমিল্লার কান্দার পাড় এলাকার বাসিন্দা বালালি মিয়াকে (২৬) জিজ্ঞাসাবাদ করতে সাতদিনের হেফাজতে পাঠানো হয়।  
 
গত মঙ্গলবার কোলকাতা যাত্রা করার সময় আগরতলা বিমানবন্দরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
 
পুলিশ বলছে,  বালালি দক্ষিণ ত্রিপুরার বাসিন্দা রাম কৃষ্ণ দেবনাথের সাহায্যে ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়েছে।
 
জিজ্ঞাসাদের সময় তিনি বাংলাদেশি বলে স্বীকার করে পাসপোর্টেল মতো নথিপত্র, আইডিবিআই ব্যাংকের এটিএম কার্ড, প্যান কার্ড, এসডিএম সদর থেকে স্থায়ী বাসিন্দার সনদ এবং রিলায়্যান্স সিমকার্ড সহ একটি  মোবাইল নিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।
 
তদন্ত কর্মকর্তা প্রবির দেবরাম বলেন, মেমোরি কার্ডে যেসব ছবি ধারণকৃত তাতে  তিনি ভয়ানক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএস’র সদস্য হিসেবে দেখা যায়। তিনি আইএসকে চাঙ্গা করার জন্য তৎপর।
 
ত্রিপুরায় গত কিছু বছর ধরে পৃথক সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট কর্মকর্তাদের একটি গ্রুপ এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্মকর্তারা অসদুপায় অবলম্বন করে পাসপোর্ট দেয়ার সাথে জড়িত।
নাগরিকত্যের সকল প্রাথমিক নথি একটি শাখার পুলিশ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব কর্মকর্তা অনুমোদন করে।
 
গত মার্চে দুই বাংলাদেশি নাগরিক- বাহ্মণবাড়িয়ার কাশেম মিয়া (২৫) এবং সৌরভ মিয়া (২৪) আগরতলা বিমানবন্দর থেকে ভারতীয় ভুয়া প্যান কার্ড, র‌্যাশন কার্ড এবং ভোটার আইডি কার্ডসহ গ্রেফতার করা হয়। কোলকাতা থেকে  আন্তর্জাতিক পোসপোর্ট সংগ্রহের জন্য এসব সংগ্রহ করেছিল।
 
পুলিশ তাদের সাথে থাকা  সহযাত্রী পশ্চিম ত্রিপুরার বাসিন্দা সাব-ডিভিশনাল  কর্মকর্তা সুভঙ্কর দাসকে (২১) বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে।
 
সুভঙ্করেই তাদের জন্য ভারতীয় সব ভুয়া কাগজপত্রের ব্যবস্থা করে ভারতীয় পাসপোর্ট প্রাপ্তিতে এসব কোলকাতায় সরবরাহ করতো।