তদন্তের অংশ হিসেবেই এ নিয়ম করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ১৬ জুন তদন্তের চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। কাজে বাধ্যতামূলক উঁচু হিল পড়া বন্ধ করতে ১ লাখ ৪২ হাজার জনের স্বাক্ষরকৃত আবেদন আদালতে পেশ করা হয়। এরপরই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হল। হ্যাকনি এলাকা থেকে আসা নিকোলা থ্রপ (২৭) নামে এক নারী অফিসে ২ থেকে ৪ ইঞ্চি হিল পড়তে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এরপর সে আদালতে আর্জি জানায়। এ ঘটনার পর দেশজুড়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমস্যা কী, এ নিয়ে আইনে কী বলা হয়েছে এবং আইনকে আরো ফলপ্রসু কীভাবে করা যায় সেটি দেখা হবে। পার্লামেন্টারি ওয়েব ফোরামের এমা ডান লিখিত জানিয়েছেন, সারাদিন উঁচু হিল পড়া অস্বস্তিকর এবং শরীরের জন্য ক্ষতিকর। ছেলেরা যেখানে মেক আপ করে না বা উঁচু জুতা পড়ে আসে না সেখানে নারীদের ক্ষেত্রে এমন বাধ্যবাধকতা বৈষম্যপূর্ণ।