তিন বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো একই ব্যক্তিদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হওয়া ভারতীয় এক নারী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর শাস্তি’ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, যেহেতু তারা সমাজের জন্য ভয়ংকর, তাই ওই পাঁচটি লোককে স্বাধীনভাবে ঘুরে-বেড়াতে দেয়া উচিত না। পুলিশ অবশ্য অভিযুক্ত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
প্রথমবার ধর্ষণের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা ২১ বছর বয়সী ওই ছাত্রী হরিয়ানা রাজ্যে গত সপ্তাহে আক্রমণের শিকার হন এবং তাকে মৃত্যুর জন্য ফেলে রাখা হয়। তিনি বলেছেন, ধর্ষণের পর তাকে একটি গাড়ির ভিতরে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে এক পথচারী তাকে দেখতে পান এবং হাসপাতালে নিয়ে যান। উল্লেখ্য, একটি দরিদ্র দলিত সম্প্রদায়ের ওই নারী ২০১৩ সালে ভিওয়ানি শহরে প্রথমবার ধর্ষিত হয়েছিলেন।
ধর্ষিতার পরিবার অভিযোগ করেছে, জামিনে বেরিয়ে যাওয়া অভিযুক্তদের হুমকিতে তারা রোটাকে চলে গিয়েছিলেন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ওই নারী জানান, ২০১৩ সালে যারা তাকে ধর্ষণ করেছিল, এই পাঁচজন সেই একই ব্যক্তি। তিনি বলেন, ‘আমি তাদের খুব ভালোভাবে চিনি। আমি শুধুই ন্যায়বিচার চাই। তাদেরকে ফাঁসি দেয়া উচিত। এটা শুধুমাত্র আমার বা অন্য কারোর মেয়ের বিষয় না। এই লোকগুলো ভয়ংকর।’
ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই নারীর পরিবার বলেছে, স্থানীয় পুলিশের ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই। এদিকে ধর্ষণের ঘটনাটি নিয়ে রাজ্য সরকার একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞসহ ও দুইজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা ওই দলটির নেতৃত্ব দিবেন বলে জানা গেছে। বিবিসি।