পেরুতে ষোড়শ শতকে তৈরি একটি চার্চ আগুন লেগে বিধ্বস্ত হয়েছে। স্যান সাবাস্টিয়ান শহরে অবস্থিত এই প্রাচীন চার্চটির পাশে স্থানীয়রা অসহায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিবিসি জানায়, চার্চে থাকা মূল্যবান বেশ কিছু চিত্রকর্ম পুড়ে গেছে যার মূল্য নির্ধারণ সম্ভব নয়।
শুক্রবার দিনের শুরুতে এই আগুন লাগে। ধারণা করা হচ্ছে শট সার্কিট থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল চার্চে। সেখানে থাকা অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা জানায়, এই এলাকায় অবস্থিত হাইড্রান্টস (আগুন নেভানর জন্য পানি সরবরাহের ব্যবস্থা) নষ্ট ছিল। সেটি ঠিক করতেই ২ ঘণ্টা লেগে গেছে। এ সময় স্থানীয় যাজক আশেপাশে থাকা মানুষদের আগুন নেভানোর কাজে সাহায্যের আবেদন জানায়। তার আবেদনে সাড়া দিয়ে অনেকেই পার্শ্ববর্তী নদী থেকে পানি নিয়ে আসে। কিন্তু ততক্ষণে চার্চের বড় একটি অংশ পুড়ে যায়।
চার্চের বিল্ডিংটি অক্ষত থাকলেও তার ভেতরের সব কিছুই প্রায় পুড়ে গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু চিত্রকর্ম যা আদিবাসী শিল্পী ডিয়েগো কুইসপে টিটোর আঁকা।
অগ্নিনির্বাপক কর্তৃপক্ষের প্রধান জানান, চার্চের পুরো ছাদ আগুনে পুড়ে গেছে। সেখানে থাকা ভাস্কর্য, ছবি, চিত্রকর্ম সহ কুজকো সংস্কৃতিটাই প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। কেননা কুজকো সংস্কৃতির অধিকাংশ চিহ্নই চিল এই চার্চে। আর চার্চের ৮০ ভাগ অংশই পুড়ে গেছে। বিবিসি।
ইত্তেফাক/আরএ