ভঙ্গুরতায় শীর্ষে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রামান
মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রামান শীর্ষ ভঙ্গুর অবস্থায় পৌঁছেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুদ্রাগুলোর মধ্যে ভোলাটিলিটির মান সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে, রিঙ্গিতের ক্ষেত্রে (৮ দশমিক ৯ শতাংশ)। এরপরেই রয়েছে রুপিয়াহ (৭ দশমিক ৩ শতাংশ)। অতিরিক্ত জনপ্রিয়তার কারণেই দেশ দুটির মুদ্রার এ অবস্থা। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা রিঙ্গিত ও রুপিয়াহ নির্ভর বন্ড কেনার প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ায় মুদ্রা দুটি ক্রমেই চরম অস্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে। মালয়েশীয় বন্ডে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের লগ্নির হার এক দশকে চার গুণ বেড়ে বর্তমানে ৩৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার ক্ষেত্রে এ হার বেড়েছে তিন গুণ (বর্তমানে ৩৮ শতাংশ)। আগে থেকেই পণ্যবাজারে মন্দাবস্থার চক্রে স্থবির রয়েছে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতি। এর ওপর দেশ দুটির ঋণের পরিমাণ এত বেড়ে গেছে যে, মার্কিন নির্বাচন ও ফেডের সুদহার বাড়ানোর সম্ভাব্য পদক্ষেপ ঘিরে রুপিয়াহ ও রিঙ্গিতই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
ডোনাল্ডের জয়ে সোনায় ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ে বৈশ্বিক পণ্য বাজারে তোলপাড় ঘটেছে। বিনিয়োগকারীরা অন্যান্য সম্পদ ছেড়ে সোনা ও জাপানি ইয়েনের মতো নিরাপদ আশ্রয়ে ভিড়তে শুরু করেছেন। ফলে হঠাত্ করেই সোনার দাম বাড়তে শুরু করেছে। একদিনে সোনার দাম বেড়েছে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। যা ২০০৯ সালের পর থেকে একদিনে দরবৃদ্ধির রেকর্ড। তাছাড়া ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা দেখার পরই বিনিয়োগকারীরা ডলার ছাড়তে শুরু করেন। ফলে ডলারে দাম কমতে থাকে। আর অন্য মুদ্রার দাম তরতর করে বাড়তে শুরু করে ডলারের বিপরীতে। ইয়েনের বিপরীতে ডলারের মান একদিনে কমেছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, ট্রাম্পের বিজয়ের ফলে মার্কিন অর্থনীতিতে ব্যাপক ধাক্কা লাগতে পারে। তাই সবাই নিরাপদ বিনিয়োগকেই শ্রেয় মনে করছেন।