কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল গঠনের দাবি

 
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রফতানি ১০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস এসোসিয়েশনের (বাপা) সভাপতি এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সী।
 
তিনি বলেন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রফতানি বাড়াতে হলে এ খাতে পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ করতে হবে। ৪ থেকে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে হবে। তাছাড়া এ খাতের প্রতি সরকারের বিশেষ নজর দিতে হবে। সর্বোপরি কৃষি প্রক্রিয়াজতকরণ পণ্যের জন্য শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে বিশেষায়িত কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল গঠন করতে হবে। তবেই এ খাতে উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসবে। বাড়বে রফতানির পরিমাণ।
 
মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বাপার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাপার জেনারেল সেক্রেটারি মাসুদুর রহমান, নির্বাহী সদস্য নাজমুল হক নাজিম, প্রাণ গ্রুপের চিফ অফ এক্সপোর্ট মিজানুর রহমানসহ বাপার নির্বাহী সদস্যবৃন্দ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে তিনদিনের ‘৪র্থ বাপা ফুডপ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো-২০১৬’ শুরু হচ্ছে। এক্সপো উপলক্ষে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বসুন্ধরায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলায় বাপার সদস্যসহ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজতকরণের সাথে যুক্ত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে। এ মেলার সাথে আরো দুটি মেলা ‘৬ষ্ঠ এগ্রো বাংলাদেশ এক্সপো ২০১৬’ এবং ‘৩য় রাইস এন্ড গ্রেইনটেক বাংলাদেশ ২০১৬’ একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
 
ফখরুল ইসলাম মুন্সী বলেন, গত অর্থবছরে প্রক্রিয়াজত কৃষিপণ্য রফতানি করে প্রায় ২২৪ কোটি মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। প্রতি বছর এ খাতের রফতানি প্রবৃদ্ধি ১৫ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত হচ্ছে। এ খাতের সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতি এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান জড়িত। তাই এ খাতকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। তাছাড়া দেশে খাদ্যপণ্যে ভেজাল মেশানো নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক ভীতি রয়েছে। তা দূর করতে এবং খাদ্যে বৈচিত্র আনতে এ মেলা আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কৃষি প্রক্রিয়াজতকরণ শিল্প কারখানা যত বেশি গড়ে উঠবে তত বেশি দেশের কৃষি খাত এবং অর্থনীতি উপকৃত হবে।
 

ইত্তেফাক/এএম।