যে পদ্ধতিতেই রপ্তানি হোক তৈরি পোশাকের সব কার্যাদেশের বিপরীতে শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে নির্ধারিত হারে অর্থ রাখতে হবে। বিষয়টি স্পষ্টীকরণ করে গতকাল বুধবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের আলোকে জারি করা প্রজ্ঞাপণটি সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এলসি, বায়িং কন্ট্রাক্ট, চুক্তি, পার্চেজ অর্ডার বা অগ্রীম পরিশোধ যে পদ্ধতিতেই তৈরি পোশাক রপ্তানি করা হোক না কেন মোট রপ্তানি মূল্যের শুন্য দশমিক শুন্য ৩ শতাংশ হারে শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে জমা দিতে হবে। এ অর্থ নিয়ে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সোনালী ব্যাংকের রমনা কর্পোরেট শাখায় খোলা ‘সেন্ট্রাল ফান্ড (আরএমজি সেক্টর)’ হিসাবে জমার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণে আলাদা তহবিল গঠন করেছে সরকার। সংশোধিত শ্রম আইনের বিধিমালায় পোশাক রপ্তানির প্রতিটি চালানের ওপর অর্থ কেটে রাখার মাধ্যমে এ তহবিল গঠনের কথা বলা হয়। বিজিএমইএর হিসাব অনুযায়ী, এ খাতে বছরে কম-বেশি ৮০ কোটি টাকা জমা হবে। শ্রমিকদের আপতকালিন প্রয়োজনে এ অর্থ কাজে লাগানো হবে। যেমন, শ্রমিকের দূর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বা স্থায়ী অক্ষমতা বা অঙ্গহানি হলে তিন লাখ টাকা, চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থতার কারণে স্থায়ী অক্ষম হলে দুই লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হবে।