উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের সৎ ভাই কিম জং-নামকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে আরো এক নারীকে গ্রেফতার করেছে মালয়েশিয়া পুলিশ। উত্তর কোরিয়ার এজেন্টরাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দক্ষিণ কোরিয়া দাবি করেছে।
মালয়েশিয়া পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার দিবাগত রাতে ইন্দোনেশিয়ার পাসপোর্টধারী এক নারীকে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এর আগে বুধবার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৮ বছর বয়সী ভিয়েতনামের এক নারীকে আটক করা হয়। তাদের দু’জনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা প্রধানরা বলেছেন, ম্যাকাউয়ের উদ্দেশে ফ্লাইট ধরার জন্য কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় নামকে উত্তর কোরীয় এজেন্টরা বিষ প্রয়োগে হত্যা করেছে। মালয়েশিয়া পুলিশ জানিয়েছে, বিমানবন্দরে নামের পাশে দুই নারীকে দেখা যায়। তিনি ওই নারীদের পাশে বসার পর তার মুখে তরল পদার্থ স্প্রে করা হয়।
এরপর তার খিঁচুনি শুরু হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা যান। সিসিটিভি ফুটেজে একজন সন্দেহভাজন এশিয়ান নারীকে দেখা যায়। তিনি সাদা রঙের টপ পরা ছিলেন। সেটাতে ‘এলওএল’ লেখা ছিল।
পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক নূর রশিদ ইবরাহীম মালয়েশিয়ার জাতীয় সংবাদ সংস্থা বার্নামাকে জানান, এই ঘটনায় বেশ কয়েক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিম জং নাম উত্তর কোরিয়ার প্রয়াত নেতা কিম জং ইলের বড় ছেলে। ২০১১ সালে কিম জং ইলের মৃত্যুর পর তিনিই পরবর্তী নেতা হবেন বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু তার পাশ কাটিয়ে ক্ষমতায় বসানো হয় তার ছোট সৎ ভাই কিম জং উনকে। তখন থেকেই দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে রূপ নেয়। কিম জং ন্যাম তার বেশিরভাগ সময় চীন, সিঙ্গাপুর ও ম্যাকাওতে কাটাতেন। এএফপি।
ইত্তেফাক/সাব্বির