আসন্ন ঈদযাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানজট ও আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের ১ হাজার ২০০ সদস্য মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে সোমবার দুপুর থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ দুপুরে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় পুলিশের দায়িত্ব পালন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক গাজীপুরের চান্দনায় মিলিত হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করেছে। এ মহাসড়ক দিয়ে বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৭ জেলা, উত্তরবঙ্গের ২৩ জেলার মানুষ রাজধানীতে যাতায়াত করেন। প্রতিদিন প্রায় ১৫-২০ হাজার যাত্রীবাহী বাস, শত শত ট্রাক, লরিসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এ পথে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ নাড়ীর টানে বাড়ির পথে যাত্রা করবে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড়, সফিপুর ও কোনাবাড়িসহ যানজট প্রবণ এলাকা এবং ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী, স্টেশন রোড, বোর্ড বাজার, ভোগড়া, জয়দেবপুর চৌরাস্তাসহ উভয় মহাসড়কে প্রায় ২০০টি যানজট প্রবন পয়েন্ট, মহাসড়কের পাশের পশুর হাট এলাকায় এসব পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। মহাসড়কের কোথাও কোন যানবাহনে তল্লাশির নামে হয়রানি করা হবে না। মানুষের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গাজীপুর জেলা পুলিশের ঈদের দিন পর্যন্ত সব ধরণের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া কমিউনিটি পুলিশের আরো প্রায় এক হাজার সদস্য পুলিশের পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে কাজ করবে।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোলাইমান মিয়া, আব্দুস সবুর, শাখাওয়াত হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার আমিনুল হক বাপ্পী, সালেহ উদ্দিন, জয়দেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/ইউবি