লোহাগড়ায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ

 
নড়াইলের লোহাগড়ায় স্ত্রী তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।পরে অসুস্থ গৃহবধূকে প্রথমে লোহাগড়া হাসপাতালে ও পরে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল সোমবার বিকালে উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাইগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
 
ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, বাড়ির পাশে মৎস্য ঘেরের পাড়ে আমাদের সবজি খেতে পুঁইশাক তুলতে যাই। এসময় কলাবাগানে এক কাঁদি কলা কাটা দেখে আমি সেখানে এগিয়ে যাই। এসময় কলা কে কেটেছে জানতে চাইলে তেলকাড়া গ্রামের সুলতান মোল্যার ছেলে মিলন (৩০) এগিয়ে এসে সে কলা কেটেছে বলে জানান। এর পরপরই  বাগানের ভিতর থেকে আরো ৩/৪ জন এগিয়ে এসে আমার মুখ চেপে ধরে ফেলে। এক পর্যায়ে তারা আমাকে জোরপূর্বক কলা বাগানের ভিতর নিয়ে  পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফেলে চলে যায়।
 
তিনি আরো জানান, ঘটনার পর বিষয়টি স্বামীকে মোবাইলে জানানোর পর তার স্বামী প্রতিবেশীদের জানান। পরে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে লোহাগড়া হাসপাতালে ও পরে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ধর্ষণের শিকার ওই নারীর স্বামী ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার তিনটি সন্তান রয়েছে।
 
এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানান, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নড়াইল সদর হাপসাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা থানায় আসলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ