রাস্তা এখন নদী!

এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শংকরদহ হতে কাকিনা পর্যন্ত সড়কটিতে ইট বিছানো হয়। রাস্তাটির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি ও  গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু। কিন্তু না সেই রাস্তা এখন নদী।
 
রাস্তাটির ২০০ ফুট অংশ পানির তোড়ে ভেসে গেছে। সেইসঙ্গে জোড়া ব্রিজ দুটি তলিয়ে যাওয়ার পথে। তিস্তার চরাঞ্চল শংকরদহ হতে কাকিনা কিংবা লালমনিরহাট যাওয়ার এই রাস্তাটিতে এখন অথৈ পানি। স্থানীয় লোকজন বলছেন কয়দিন আগেও এখানে অটো রিক্সাসহ মাইক্রোবাস চলাচল করেছে। 
 
অনেকে বলছেন উজানে কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা নামক স্থানে তিস্তার পানির গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ইচলি হয়ে পানি জোড়া ব্রিজ দিয়ে পুনরায় তিস্তার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। এ অবস্থায় চরম বেকায়দায় পড়েছে চরের লোকজন। তাদেরকে প্রায় ৪/৫ কিলোমিটার ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। 
 
সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তাটির প্রায় ২০০ ফুট অংশ পানির তোড়ে ভেসে গেছে। অনেকে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করছে। এলাকার সালাম, রশিদসহ অনেকে জানান, উজানে পাওয়ার প্ল্যান্টের জায়গায় বাঁধ না হওয়ার কারণে আজ তাদের এই অবস্থা। তাদের অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের স্বার্থের কারনে পাওয়ার প্ল্যান্ট বসানোর কাজটি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। 
 
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোন্নাফ মিয়া বলেন, গত বছরও ভেঙেছিল। তবে কম। কিন্তু এ বছর ব্যাপক আকারে রাস্তাটি ভেঙেছে। তিনি বলেন, উজানে বাঁধ না দেওয়া পর্যন্ত এ নতুন চ্যানেলটি বন্ধ হবে না। আর এটি বন্ধ না হলে এ বছর কমপক্ষে ৬/৭ হাজার লোক গৃহহীন হয়ে পড়বে।
 
ইত্তেফাক/নূহু