ঝালকাঠি পৌরসভার এক কর্মচারীকে ক্রসফায়ারে হত্যার ভয় দেখিয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়ার ঘটনায় সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মিঠুন দাসকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঐ কর্মচারীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঝালকাঠি সদর থানার ওসি শোনিত কুমার গাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ জুন ঝালকাঠি পৌরসভার রোলার চালক মো. ইয়াসিন মিয়ার পকেটে মাদক দিয়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে এক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এএসআই মিঠুন দাস। এ বিষয়ে কর্মচারী ইয়াসিনের বক্তব্যের ভিডিও সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেলে পুলিশের নজরে আসে।
এ প্রসঙ্গে মো. ইয়াসিন মিয়া জানান, গত ১৪ জুন সদর উপজেলার চামটা বাজারের কাছে একটি ইটভাটায় তাকে আটকে রেখে ভয় দেখিয়ে প্রথমে ২লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মিঠুন। আমি এতে রাজি না হওয়ায় আমার কাছে ইয়াবা দিয়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখালে মৃত্যুর ভয়ে নিজের মোটরসাইকেলটি এক ব্যক্তির কাছে বন্ধক রেখে ১ লাখ টাকা এনে মিঠুন দসের হাতে তুলে দিয়ে মুক্তি পাই।
ইয়াসিন আরো জানান, এসআই মিঠুন দাসকে এক লাখ টাকা দেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ সুপার আমাকে ডেকে পাঠান। আমি তার কাছে গিয়ে পুরো ঘটনা বলি। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে এএসআই মিঠুন দাসকে ঝালকাঠি সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে এএসআই মিঠুন দাসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযাগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করনেনি।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শোনিত কুমার গাইন বিকেলে জানান, পুলিশ সুপার মোঃ জোবায়েদুর রহমানের নির্দেশে সহকারী উপ-পরিদর্শক মিঠুন দাসকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু