আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে শৈলকুপার বয়েড়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- ওই গ্রামের আফজাল হোসেন (৫০), আজাহার আলী (৪০), আফাঙ্গীর হোসেন (৩০), দুলাল হোসেন (৩৬), মঞ্জুরা খাতুন (২৯), রুপিয়া খাতুনসহ (৫০) ১২ জন। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ৩ রাউন্ড শটগানের গুলি বর্ষণ করে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শৈলকুপা সার্কেল) তারেক আল মেহেদি জানান, দীর্ঘদিন ধরে উমেদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি সাব্দার হোসেন মোল্লা এবং একই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মিজানুর রহমান বাবুলের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। গত শুক্রবার মিজানুর রহমান বাবুলের সমর্থক রয়েড়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের কয়েকজন সাব্দার মোল্লা গ্রুপে যোগদান করে। এ ঘটনার পর থেকে ওই গ্রামে উত্তেজনা চলে আসছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে রয়েড়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে উভয় গ্রুপের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়।
শৈলকুপা ধানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। ৩ রাউন্ড শটগানের গুলি ছুঁড়ে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এ ব্যাপারে সাব্দার মোল্লা জানান, তার প্রতিপক্ষ দল থেকে প্রায় ১০০ জন তার দলে যোগ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার সমর্থকদের উপর হামলা করে বাবুলের লোকজন।
অপরদিকে মিজানুর রহমান বাবুল জানান, ওই গ্রামে দল ভাঙ্গাভাঙ্গির জের ধরে প্রতিপক্ষ সাব্দার মোল্লার দলের লোকেরা তার সমর্থকদের উপর হামলা করে। এতে তার সমর্থক ৭ জন আহত হয়।
ইত্তেফাক/ইউবি