রাজারহাটে ২ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বেড়ে চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চরাঞ্চলের প্রায় ২ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তারা আতঙ্ক রয়েছে।
 
কুড়িগ্রাম পাউবোর এসও আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার দুপুর ২টায় তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২৮.৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সকালের চেয়ে দুপুরে ২০ সেন্টিমিটার বাড়ে বলে তিস্তা পাড়ের মানুষজন দাবি করেছেন।  
 
গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার নদীর চর বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চর তৈয়বখাঁ, চর হায়বতখাঁ, চর পাড়মৌলা, চর চতুরা, ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চর খিতাবখাঁ, চর বুড়িরহাট, চর সরিষাবাড়ি ও ধরলা নদীর ছিনাই ইউনিয়নের কালুয়ার চরসহ প্রায় ২৫/৩০টি চরাঞ্চলে পানি উঠে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন পরিবারগুলো। পানিবন্দি পরিবারগুলো গবাদি পশু গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।
 
এ ব্যাপারে ঘড়িয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ কর্মকার ও ছিনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান হক বুলু জানান, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিতে পারে। তাই আমরা সহযোগিতা করছি।
 
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল হাসেম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহ. রাশেদুল হক প্রধান বলেন, বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিকভাবে তালিকা প্রনয়নের পর ত্রাণ সহযোগিতার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি