টেকনাফে গলায় ফাঁস লাগানো গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামীর পরিবারের দাবি, স্বামীর ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ আর শাশুড়ীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরধরে দুই সন্তানের জননী হালিমা বেগম (২৪) গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। হালিমা বেগম উপজেলার হ্নীলা পশ্চিম পানখালীর রবিউল আলমের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় হালিমার গলায় ফাঁস লাগানো লাশ উদ্ধার করা হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, অভাবের তাড়নায় তাদের সংসারে প্রায় সময় কলহ লেগে থাকতো। এরই জের ধরে নৃশংস এই ঘটনার সূত্রপাত। এদিকে হালিমার মৃত্যুতে নিষ্পাপ দুই শিশু সম্রাট (৫) ও রোমেনাকে (২ বছর ৬ মাস) নিয়ে কোনো কূল-কিনারা খুঁজে না পেয়ে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন স্বামী রবিউল আলম।
ঘটনার সংবাদ পেয়ে দুপুর ২টার দিকে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি বোরহান উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। আইনী প্রক্রিয়া শেষে তাকে দাফনের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এইচকে আনোয়ার (সিআইপি), গলায় ফাঁস লাগিয়ে দুই সন্তানের জননীর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নিয়ে এলে ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/নূহু