গাজায় যুদ্ধবিরতি কি ফিলিস্তিনে শান্তি আনবে?
প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০১২, ২১:১৯
মিসরের বিপ্লবী প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির প্রচেষ্টায় অবশেষে গত ২২ নভেম্বর হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে রাজী হয়। প্রথম প্রশ্ন হলো গাজার যুদ্ধবিরতি কি ফিলিস্তিন-ইসরাইলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করবে?
নিছক আত্মরক্ষার অজুহাতে গত ১৩ নভেম্বর ইসরাইল আকাশ ও সাগরপথে হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় উপর্যুপরি আক্রমণ শুরু করে ভয়াবহ গাজা ট্রাজেডির নতুন অধ্যায় রচনা করে। এ আক্রমণের পেছনে ইসরাইলের যে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী রণকৌশলগত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিহিত ছিল তা উদঘাটনের পূর্বে যুদ্ধবিরতি যে কার্যকর হবে এমন মন্তব্য করা দুঃসাধ্য।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে বেলফোর ঘোষণার মাঝ দিয়ে কট্টর মৌলবাদী ডক্টর থিওডোর হার্জলের জায়নবাদের (Zionism) ভিত্তিতে যে ইহুদী রাষ্ট্রের নীলনক্সা আঁকা হয় তার বাস্তবায়ন হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইসরাইল রাষ্ট্র গঠন করে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে পুশ করা হয়। আস্তে আস্তে সেই ইহুদী মৌলবাদী রাষ্ট্রটি নিজ সীমানা বৃদ্ধি করে পার্শ্ববর্তী ভূখন্ডসমূহে আগ্রাসী তত্পরতা শুরু করে। একবিংশ শতাব্দীতে ইসরাইলের ভূমি-দখল প্রক্রিয়া মারাত্মক রূপ নেয়। ফিলিস্তিনীদেরকে বাড়ীঘর থেকে উত্খাত করে, হত্যা করে, বিতাড়িত করে ইসরাইল তার সীমানা বিস্তৃত করতে থাকে। অনেক বিশ্লেষকের ধারণা সেই সীমানা বৃদ্ধির ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা হলো গাজায় সাম্প্রতিক আগ্রাসন।
গতকাল ২৯ নভেম্বর ‘নন মেম্বার অবজারভার স্টেট’ মর্যাদা লাভের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের আবেদন করার তারিখ ধার্য করা হয়। ফিলিস্তিনের এ উদ্যোগে ভীত হয়ে ইসরাইল গাজা আগ্রাসন চালাচ্ছে বলে অনেকের ধারণা। কারণ ঐ আবেদনে জেরুজামেলসহ ১৯৬৭ সনের আগের ভূখন্ড ফেরতের দাবি সন্নিবেশিত হয়েছে। দ্বিতীয়ত জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা অর্জিত হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC)সহ অন্যত্র ফিলিস্তিন ইসরাইলের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ পাবে। ইসরাইল ও তার পাশ্চাত্য সহযোগীরা ফিলিস্তিনকে ঐ আবেদন থেকে বিরত রাখতে নানা কৌশলের আশ্রয়ও নিয়েছে। গত ১১ নভেম্বর বারাক ওবামা ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে ফোন করে জাতিসংঘে উক্ত দাবি উত্থাপনে বিরত থাকতে বলেছে। কিন্তু ফিলিস্তিনের অনড় অবস্থানের কারণে মাত্র ২ দিন পর গাজা আক্রমণের ফলে এ ধারণা জম্মেছে যে, সীমানা বিস্তারের পথ রুদ্ধ করে ইসরাইলের অভিযান বন্ধ করার কোন তত্পরতা সহ্য করা হবে না। ফলে-সদ্য সমাপ্ত যুদ্ধবিরতিকে অনেক বিশ্লেষক সাময়িক অস্ত্রবিরতি হিসেবে মূল্যায়ন করছেন। গত ২২শে নভেম্বর বিবিসি, এএফপি ও আলজাজিরা জানিয়েছে যে, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির মূল্য হিসেবে ইসরাইল মাহমুদ আব্বাসকে জাতিসংঘে সার্বভৌম দাবি না তোলার ব্যাপারে রাজি করিয়ে ফেলেছে বলে অনেকের মনে সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে হামাসের অনমনীয়তা স্পস্ট হওয়ায় হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় আক্রমণ করা হচ্ছে। মনে হয় না যে, এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। ইতিমধ্যে তার আলামত স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। অস্ত্রবিরতির চুক্তি সত্ত্বেও গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অস্ত্রবিরতি কার্যকর হওয়ার পরের দিন গত ২৩ নভেম্বর ইসরাইলের গুলিতে এক ফিলিস্তিনী নিহত ও ১০ ফিলিস্তিনী কিশোর আহত হয়েছে বলে এএফপি ও আলজাজিরা খবর প্রকাশ করেছে।
গাজার যুদ্ধবিরতি যে তেমন কার্যকর হবে না তা স্পস্টভাবে বুঝা যায় ইসরাইলের বিরোধী দলের অবস্থান বিশ্লেষণে। হামাস-ইসরাইল শান্তিচুক্তির কারণে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বিরোধী রাজনীতিবিদদের প্রবল সমালোচনার শিকার হয়েছেন। এমনকি নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টির অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী মধ্য-ডানপন্থি কাদিমা পার্টির প্রধান শাউল মোফজে বলেছেন, এখনো পর্যান্ত হামাসকে প্রতিহত করার কাজ শেষ হয়নি। তাই হামাসের সাথে কোন সমঝোতা হতে পারে না। এমন অবস্থায় সদ্য স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি যে কার্যকর হবে না তা নির্দ্বিধায় বলা যায়।
গাজার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হামাসকে নিশ্চিহ্ন করে অত্রাঞ্চলের ভূমি দখলের পররাজ্যলোভ চরিতার্থ না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইল ক্ষ্যান্ত হবে না বলে অনুমান করা যায়। গাজার যুদ্ধবিরতি কেবল সাময়িক কৌশল, যা বিশ্বসম্প্রদায়কে কিছুটা আশ্বস্ত রাখার উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। মূলত ইসরাইলে আগামী জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণের কাছে রাজনীতিবিদগণ কি প্রতিজ্ঞা করছেন তার আলোকেও অস্ত্রবিরতি চুক্তির ব্যাখ্যা করা যায়। তুর্কি প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তায়িপ এরদোগান অভিযোগ করেন আগামী নির্বাচনের পূর্বে ভোটারদের সমর্থন লাভের উদ্দেশ্যে গাজায় আক্রমণ চালানো হয়েছে। অর্থাত্ গাজা ধ্বংস করাই হলো ইসরাইলের উদ্দেশ্য এবং তা সফল না হওয়া পর্যন্ত কোন যুদ্ধবিরতি তাই কার্যকর হতে পারে না।
ইসরাইল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও সংঘর্ষের ঐতিহাসিক পরিক্রমা বিশ্লেষণ করলেও এ সিদ্ধান্তে আসা যায় যে, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির কার্যকারিতা স্থায়ী কোন ফল বয়ে আনবে না। ১৯৪৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় প্রতি দশকেই ইসরাইলের সাথে ফিলিস্তিনসহ আরবদের অসংখ্য যুদ্ধ হয়েছে, যুুদ্ধ শেষ হয়েছে, অস্ত্রবিরতি হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতির গতির মত নিরবে নিশ্চিন্তে ইসরাইল তার সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের মদদে রাষ্ট্রবিস্তার প্রক্রিয়া সব সময়ই সচল রেখেছে।
একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিশ্বায়নের বন্ধুত্ব চেতনা ইসরাইলের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসী তত্পরতা প্রভাবিত করতে পারেনি। ২০০৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২২ দিন ধরে পরিচালিত ইসরাইলের অপারেশান ‘কাস্ট লিড’ প্রায় দেড় হাজার ফিলিস্তিনের জীবনপ্রদীপ নিভিয়ে দেয়। ইসরাইল সরকারের মুখপাত্র মার্ক রেজেভ তখন নির্লজ্জ মিথ্যাচার করে বলেছিলেন যে, বেসামরিক লোকদেরকে বাঁচিয়ে কেবল শত্রুদেরকে তারা লক্ষ্যে পরিণত করেছিলেন। অথচ তখনকার ইসরাইলী অভিযানে প্রতি ৪০০ ফিলিস্তিনী হতাহতের তুলনায় ইসরাইলী হতাহতের অনুপাত ছিল মাত্র একজন। প্রায় চার বছর পর গত ১৩ নভেম্বর একইরূপ ভিন্ন নাটক মঞ্চস্থ হলো গাজায় পরিচালিত আত্মরক্ষা স্তম্ভ (pillar of defense) শুরুর মধ্যে দিয়ে। ইসরাইলের পক্ষে বিভিন্ন মিডিয়া খবর রটিয়েছে যে, হামাসের রকেট হামলার প্রতিবাদে ইসরাইল গাজায় আক্রমণ শুরু করেছেন। আলজাজিরার সংবাদে প্রশ্ন করা হয়েছে রকেটের লক্ষ্যবস্তু ইসরাইলের লৌহগৃহের কি ক্ষতি করতে পারে? নিউইয়র্ক ভিত্তিক সাময়িকী জেকোবিনে ম্যাক্স আজি নামক বিশ্লষক হামাসকে দায়ী করার বিষয়টিকে চরম মিথ্যাচার হিসেবে অভিহিত করেছে। মূলত গত ৪ নভেম্বর ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) ফিলিস্তিনের মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। গত ৮ নভেম্বর ফুটবল খেলার সময় এক ১৩ বছরের ফিলিস্তিনী কিশোরকে আইডিএফের সদস্যরা হত্যা করে সহিংসতা সৃষ্টি করে, যার বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্ত দ্রোহ হিসেবে কয়েকটি রকেট নিক্ষিপ্ত হয়। প্রতিরূপে ঘুমন্ত গাজাবাসীর উপর ৭৫ হাজার প্রশিক্ষিত বর্বর ইসরাইলী রিজার্ভ সৈন্যদেরকে লেলিয়ে দেয়া হয়। এক সপ্তাহের যুদ্ধে ১৬৭ জন ফিলিস্তিনীর মৃত্যু হয়। যার প্রতিকূলে মাত্র ৫ জন ইসরাইলী সৈন্য মারা যায়। গাজা হামলায় ফিলিস্তিনীদেরকে দায়ী করা এতই হাস্যকর যে, ৫ দিনের যুদ্ধের পর হামাস মাত্র ৬০০টি রকেট ছুঁড়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে এবং ইসরাইল প্রায় ২০০টির মত বিমান হামলা করে এবং সাগরপথে দুর্ধর্ষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইসরাইল হামাসের সামরিক প্রধান আহামেদ জাবারিকে হত্যা করে এবং ড্রোন হামলা চালিয়ে হামাসের সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ধ্বংস করে দেয়।
হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তি যে টেকসই হবে না তার আরেকটি বৈশ্বিক প্রমাণ হলো ইসরাইলকে ঘিরে পাশ্চাত্য আধিপাত্যবাদীদের মধ্যপ্রাচ্যে প্রণীত গ্রান্ড স্ট্রাটেজী। অবৈধ ইহুদী ধর্মরাষ্ট্র ইসরাইলের প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা মারণাস্ত্র, সামরিক প্রযুক্তি, অস্ত্রশস্ত্র, বারুদ, অত্যাধুনিক ড্রোন, পারমাণবিক প্রযুক্তি ও অস্ত্র সাহায্য দিয়ে পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদীরা মধ্যপ্রাচ্যে এক সুদূরপ্রসারী নীলনক্সা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছে। এ পর্যন্ত ইসরাইলের সকল অন্যায়-অত্যাচার, অবৈধ কার্যকলাপের প্রতি পাশ্চাত্য অন্ধ সমর্থন জানিয়েছে এবং ইসরাইলের আগ্রাসী তত্পরতায় সরাসরি সাহায্য-সহযোগিতা করে আসছে। গাজা আগ্রাসনের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ওবামা ইসরাইলের আক্রমণকে তার আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র তার পাশে আছে বলে ইসরাইলের ঔদ্বত্য বৃদ্ধি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ক্যাথারিন অ্যাস্টন অত্যন্ত উস্কানিমূলক উক্তি করেছেন, ‘এ ধরনের হামলার বিরুদ্ধে জনগণকে রক্ষার অধিকার ইসরাইলের রয়েছে। আমি ইসরাইলের প্রতি ঐ হামলার সমুচিত জবাব দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি’। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের তৈলসম্পদ এবং এর কৌশলগত ভূ-রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে পাশ্চাত্য আধিপাত্যবাদীরা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সার্বিক কর্তৃত্ব বজায় রাখতে চায়। এ উদ্দেশ্যে ইসরাইল হলো পাশ্চাত্যের পালিত, পুষ্ট ও ক্রীড়নক রাষ্ট্র। আর তাই ইসরাইলের সকল কার্যক্রম প্রকারান্তরে পাশ্চাত্যেরই কার্যক্রম। পাশ্চাত্য স্বার্থের প্রতি বড় বাধা সংগ্রামী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধ ও প্রতিরোধমঞ্চ হামাসের অমিততেজা বীর যোদ্ধারা। তাদেরকে নির্মূল না করা পর্যন্ত ইসরাইলের অস্ত্রবিরতি তাই কার্যকর হবে না। অন্যদিকে গাজা ট্রাজেডির পর আঞ্চলিক রাষ্ট্রসমূহ যথা তুরস্ক, মিসর, ইরান, কাতার, লেবানন এবং অন্যান্য আরব রাষ্ট্র হামাসের প্রতি তাদের সমর্থন ও সহমর্মিতা ঘোষণা করেছে। এবং হামাসকে ফিলিস্তিনী কর্তৃপক্ষের বৈধতা দিয়েছে।
এ পরিবর্তিত বাস্তবতা পাশ্চাত্য ও ইসরালের নতুন গাত্রদাহের কারণ সৃষ্টি করে পুনরায় আঞ্চলিক দ্বন্দ্বে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি অচিরেই বুঁদ্বুদের মত উবে যাবে।
পরিশেষে হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হামাস ও ইসরাইলের চেয়ে আঞ্চলিক শক্তি ও পাশ্চাত্য বিশ্বকে বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। হামাসের উচিত হবে ইসরাইলের অস্তিত্ব ও স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেওয়া, ইসরাইলেরও কর্তব্য হামাসের প্রতি বৈরী নীতি পরিহার করা। পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদীদের সেই বাস্তবতা বিস্মৃত হলে চলবে না যে, স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে বিরাজমান মধ্যপ্রাচ্য নীতি এখন অকার্যকর এবং অপাংতেয়। আরব বসন্তের ফলে যে ব্যাপক আরব গণজাগরণ উন্মত্ত হয়ে উঠেছে তার বিপরীতে ইসরাইলের প্রতি অন্ধ সমর্থন এখন আর আরবদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। তাই পাশ্চাত্য স্বার্থান্ধ বাস্তববাদী (self interest realist paradigm) নীতির পুনর্মূল্যায়ন দরকার। আরবদের মধ্যে পাশ্চাত্যের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের ঐতিহাসিক দায়িত্ব আজ পাশ্চাত্যের স্কন্ধে।
লেখক :সহযোগী অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়