পর্যটক টানতে সেজেছে রাইন

পর্যটকদের আকর্ষণ করতে নানা সাজে সেজেছে রাইন। ইউরোপের দীর্ঘতম ও গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর অন্যতম এটি। ১৩২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ নদীতে প্রতি সেকেন্ডে দু’হাজার ঘন মিটার পানি প্রবাহিত হয়।—খবর ডয়চে ভেলের। রোমান সাম্রাজ্যের উত্তর সীমানায় অবস্থিত রাইন যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভূমিকা রেখেছে সামরিক প্রতিরা, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণেও, যা রাইন নদীর দু’পাশের অসংখ্য দুর্গ, প্রাসাদ ও প্রাচীন প্রতিরা স্থাপনার নিদর্শন থেকেই বোঝা যায়। কঠিন শিলা আর ঢালু আঙুর ক্ষেত ঢেকে রাখে এই রাইন নদীর দু’তীর। দু’পাশে ছোট ছোট, সুন্দর সুন্দর শহর আর অতীতের ধ্বংসাবশেষ। তাই প্রতি বছর প্রায় দু’কোটি পর্যটক আসেন জার্মানির রাইন ভ্যালি দেখতে। ভালোবাসেন বোটে চড়তে, রাইনের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে। পর্যটকদের ভাষায়, ছোট ছোট বসতি, পাহাড়ে আঙুরের ক্ষেত, রাইন নদীর দৃশ্য সব মিলিয়ে এটাকে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলোর মধ্যে ফেলা চলে।