বসতি সম্প্রসারণের প্রতিশোধমূলক
সিদ্ধান্ত ইসরাইলের
আল জাজিরা, বিবিসি ও রয়টার্স
প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৩১
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পাওয়ার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে বসতি সমপ্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরাইল। এসব এলাকায় তিন হাজার নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হবে। গত শুক্রবার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। এদিকে জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পাওয়ার খবরে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় উল্লাসে ভাসছে ফিলিস্তিনিরা। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, জেরুজালেমের পূর্বদিকের লম্বালম্বি একটি ভূখণ্ডও এই আবাসন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে জেরুজালেম শহরের মূল অংশ থেকে পশ্চিম তীর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে। পশ্চিম তীরে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের আশঙ্কা, পবিত্র শহর জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র মর্যাদার ঘোর বিরোধিতাকারী ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র বসতি সমপ্রসারণের এ পরিকল্পনাকে ‘হঠকারী’ বলে বর্ণনা করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসরাইলি এক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রক্ষণশীল সরকার তিন হাজার বাড়ি নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে। অনুমতির পাশাপাশি সরকার জেরুজালেমের মালে আদুমিন ও ই১ এলাকায় আবাসিক স্থাপনার জন্য কয়েক হাজার নতুন ক্ষেত্র তৈরির পরিকল্পনার আদেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইসরাইলি পরিকল্পনার বিস্তারিত সম্পর্কে ওই কর্মকর্তা আর কিছু জানাননি। তবে ইসরাইলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ফিলিস্তিনকে ‘পর্যবেক্ষক অঞ্চল’ থেকে ‘পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র’ করার জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যানের নিদর্শন হিসেবে বসতি সমপ্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।