আনন্দ-উল্লাসের সঙ্গে বিশ্বজুড়ে বর্ষবরণ
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:২৪
প্রতিবারের মতো এবারও ব্যাপক আনন্দ-উল্লাস আর আতশবাজির মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে বিশ্ববাসী। নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে প্রথম অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয় ২০১৩ সালকে বরণ করে নেয়ার উত্সব। অস্ট্রেলিয়ায় সিডনি শহরের বিখ্যাত আতশবাজি দেখতে শহরটির পোতাশ্রয় ঘিরে জড়ো হয় লাখো মানুষ। এছাড়া, নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে জমকালো অনুষ্ঠান আয়োজন হয় বিশ্বের অন্যান্য বড় বড় শহরেরও। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
প্রথমবারের মত আয়োজন করে বর্ষবরণ উত্সব করেছে মিয়ানমার। এর আগের বছরগুলোতে দেশটিতে সামরিক সরকার জনগণকে এক জায়গায় জমায়েত হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছিল। এবারই প্রথম মিয়ানমারের সাবেক রাজধানী রেঙ্গুনে বড় ধরনের আতশবাজির মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে জনগণ। এ উত্সবে সামিল হয় প্রায় ৭২ হাজার মানুষ। আতশবাজি এবং দেশটির শিল্পী ও কলাকুশলীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। এসব উত্সব সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে টেলিভিশনে।
হংকং এবং চীনের বেইজিং ও সাংহাইয়ে নতুন বছর বরণ করা হয়েছে আতশবাজি আর উত্সবের আমেজে। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় নতুন বছরকে বরণ করতে স্ট্রিট পার্টির আয়োজন করা হয়। আতশবাজির আলোতে রাতের আকাশ আলোকিত করে নতুন বছর শুরুর মুহূর্তটি উদযাপন করে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়া তাদের চিরাচরিত প্রথায় ঘণ্টা বাজিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। এছাড়া,মস্কো,প্যারিস এবং লন্ডন, রিও ডো জেনিরোসহ অন্যান্য দেশেও চলে বর্ষবরণের নানা উত্সব। এদিকে, রাজধানী দিল্লিতে গণধর্ষণের শিকার তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় ভারতে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। বর্ষবরণ উদযাপন উত্সব বাতিল করে ভারত। সোমবারও ওই ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ হয়।নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে আলোকোজ্জ্বল বলের পতনের মধ্য দিয়ে খ্রিস্টিয় নতুন বছরকে স্বাগত জানান লাখো মানুষ। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল ১১টায় টাইমস স্কোয়ারে ক্রিস্টাল ট্রাইএঙ্গেল বাল্ব দিয়ে তৈরি একটি বলকে ৭৭ ফুট উপর থেকে নামানো হয় ৬০ সেকেন্ডে। সে সময় সমবেতরা সমস্বরে উল্লাসমুখর ধ্বনিতে সময় গণনা করতে থাকেন। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ বলের পতন ঘটান। ২০১৩ সালকে বরণের এই অনুষ্ঠানে শতাধিক দেশের পর্যটকরা জড়ো হন টাইমস স্কয়ারে।