টেলিফোনে পাঠকের মতামত

স্থিতিশীলতার জন্য নির্বাচন

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা—এই তিন শংকার মধ্য দিয়ে শুরু হলো নতুন বছর। কয়েক দফায় জ্বালানি, বিদ্যুত্ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে ২০১২ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৫ শতাংশ, দ্রব্যমূল্য গড়ে বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। নতুন বছরে আবারও বিদ্যুত্ ও জ্বালানি মূল্য বাড়াতে যাচ্ছেন সরকার—ফলে ১৬ কোটি মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির আশংকা করা হচ্ছে বর্তমান সরকারের এই শেষ বছরে। ফলে আশংকা করা হচ্ছে এ বছর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বাড়বে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধীদল বিএনপি উভয়ের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জের বছর। আর সার্বিক বিবেচনায় দেশের রাজনীতির জন্য অনিশ্চয়তার বছর। একাত্তরের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করে রায় ঘোষণা ও তা কার্যকর এবং রায় পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা সব মিলিয়ে সরকারের জন্য বছরটি এক চ্যালেঞ্জ; পাশাপাশি একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বিরোধীদলের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শামিল করার মতো দুরূহ কাজটি সম্পন্ন করাও মহাজোট সরকারের অন্যতম আরেকটি চ্যালেঞ্জ হবে এ বছর। ফলে দেশবাসী মনে করে আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার লক্ষ্যে সংলাপ অনুষ্ঠানের একটা সূচনা করা উচিত সরকারের। রাজনীতির দুই বিবদমান পক্ষ অচিরেই একটি অর্থবহ সংলাপ অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আন্তরিক হয়ে উঠবে— এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা। দেলোয়ার হোসেন দেলু নিউ খানপুর, নারায়ণগঞ্জ দেশে স্থিতিশীলতার পূর্বশর্ত হলো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতার পালাবদল। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই পারে দেশের স্থিতিশীলতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে। যথারীতি নির্বাচন এবং পূর্বাপর সকল কিছুতেই থাকতে হবে সার্বজনীন সম্মতি ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রক্রিয়ার সমর্থন। এত কিছুর আলোকে আমাদের অভিমত হলো—নির্বাচন যেখানে দেশের স্থিতিশীলতা গণতন্ত্রকে সুসংহত করার এক নিয়ামক শক্তি, সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে আমাদের রাজনীতিকরা একত্রে বসে সিদ্ধান্ত নিতে গড়িমসি করছেন কেন? কি আমরা ধরে নেব দেশের স্থিতিশীলতা তাদের কাছে গৌণ? নতুন বছরে আমাদের শ্লোগান হোক—পরিচ্ছন্ন পদ্ধতিতে নির্বাচন চাই, স্থিতিশীল পরিবেশে দেশ ও দশের সমৃদ্ধি গড়তে চাই। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর গড়ানো শিলায় শেওলা গজায় না বলে বাংলায় একটি প্রবাদ আছে। রাষ্ট্রীয় জীবনে অস্থিতিশীলতাই হলো গড়ানো শিলা। এ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় হলো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে গোপন মতামতের ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন বা নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। রাষ্ট্র ক্ষমতার পট পরিবর্তনের উত্কৃষ্ট পন্থাগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার হলো সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। কাজেই যে কোন বিবেচনায় নির্দলীয়, নিরপেক্ষ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় জীবনে স্থিতিশীলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই জাতির এই মুহূর্তে একমাত্র আরাধ্য। ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী বর্তমানে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতার জন্য নির্বাচন অপরিহার্য। রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতে যে অস্থিতিশীল অবস্থা চলছে তা থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় নির্বাচন। আর এ স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করার জন্য সরকারই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারেন। বর্তমানে রাজনীতির যে অস্থির সময় চলছে তার জন্য নিঃসন্দেহে বর্তমান রাজনীতিবিদরাই দায়ী। তাদের ভুল নীতিনির্ধারণের মাসুল প্রতিনিয়ত আমাদেরকেই দিতে হচ্ছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো থাকার পিছনে মূলত কাজ করে আইনের শাসন । তার জন্য প্রয়োজন আইনের নিরপেক্ষ ও কার্যকর প্রয়োগ। বর্তমানে যার অনেকটাই অনুপস্থিত। যার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে গুম, হত্যা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, আত্মহত্যা ও ধর্ষণসহ আরও অসংখ্য অনৈতিক কার্যকলাপ। আইনের নিরপেক্ষ ও কার্যকর প্রয়োগ থাকলে এ সকল ঘটনা ঘটতো না। অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন উর্ধ্বগতিও এর জন্য অনেকটা দায়ী । বর্তমানে যে অস্থিরতা চলছে তার জন্য নিঃসন্দেহে বর্তমান সরকারই দায়ী। বর্তমানে রাজনীতির সবচেয়ে নষ্ট সময় অতিবাহিত হচ্ছে। খোদ দুই নেত্রী জনসভা ও নানা অনুষ্ঠানে যে গণবিচ্ছিন্ন ও অগণতান্ত্রিক শব্দ ব্যবহার করছেন তা শুনে দেশের মানুষ বিস্মিত। অবশ্য এ দিক থেকে সরকার দলীয় লোকজনই বেশী এগিয়ে। সরকারের উচিত অগণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে গণতান্ত্রিক পথ সৃষ্টি করা । বর্তমান সরকারের অধীনে কিছু নির্বাচন আমরা দেখেছি সেখানেও দলীয়করণের মহোত্সব লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন যতটা সুষ্ঠু হয়েছে তা মিডিয়ার কল্যাণে। এসব নির্বাচনের সাথে জাতীয় নির্বাচনের তুলনা করা চলে না। বর্তমানে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে কোন বিকল্প নেই তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ দাবী শুধু বিরোধী দলের নয় আমজনতারও। এ সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিবেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন কখনোই হতে পারে না। সুতরাং সরকারের উচিত, এ দাবী মেনে নিয়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করে সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ তৈরী করা। যাতে জাতীয় নির্বাচনে দেশের মানুষ সম্পৃক্ত হয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দসই সরকার গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর মনে রাখা উচিত, জনগণই সকল ক্ষমতার উত্স। মো. আবদুল্লাহ আল মামুন নারচী, সারিয়াকান্দী, বগুড়া বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে রাজনীতি শুধু ব্যক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য, দলীয় সিদ্ধান্তে অটল থাকা। জনগণ আর এ ধরনের রাজনৈতিক আচরণ দেখতে চায় না। শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করুন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উপায়। পথিক চৌধুরী, গাইবান্ধা অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই দেশে স্থিতিশীলতা আসবে, ফিরে আসবে গণতন্ত্র। কোন দেশেই নির্বাচিত সরকার ছাড়া শান্তি - শৃঙ্খলা ফিরে আসে না। রোকসার আন্নুর, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ঢাকা কিভাবে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন করা সম্ভব বা কোন সরকার পদ্ধতির অধীনে হবে সে লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যে পৌঁছা এখন সময়ের দাবী। কিন্তু নিষ্ঠুর হলেও সত্য যে, এ দেশের সিভিল সোসাইটি বা সুশীল সমাজ এর প্রধান অন্তরায়। যেমনি ৯৩ সালে বেগম জিয়া বলেছিলেন, পাগল ও শিশু ছাড়া কেউ নির্দলীয় নিরপেক্ষ নয়, তেমনি এদেশের সিভিল সোসাইটি যেমন শিক্ষক, চিকিত্সক, আইনজীবী, ছাত্র, এক্কেবারে অন্ধকল্যাণ থেকে শুরু করে টিআইবি ও সুজন পর্যন্ত সকল সংগঠনই কোন না কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক বা প্রত্যক্ষ/ পরোক্ষভাবে জড়িত (ছাত্রদল ছাত্রলীগ)। তারা দেশ-জাতির তথা জনগণের অধিকার আদায়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে বাধ্য করার পদ্ধতিতে সুযোগ পেলেই সুশীল সমাজের আদলে তৃতীয় শক্তি গঠন বা নির্দলীয় সরকারের কায়াতে ঘাপটি মারতে সদা ব্যস্ত। এজন্য তারা যতই নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতির নতুন নতুন ফর্মুলা আওড়ান না কেন রাজনৈতিক শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তা আমলে না নিয়ে উলটা তাদেরকে বিষোদগার করছে। বিষয়টি ফয়সালা করতে রাজনৈতিক দল সুশীল সমাজ নয় জনগণই এর সিদ্ধান্ত দেবে। কারণ সাংবিধানিক মতে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক এদেশের জনগণ। তাই সর্বসাধারণের রায়ের জন্য যদি গণভোট নেয়া হয় তবেই দন্তহীন বাঘ অর্থাত্ ইসি কতটুকু স্বচ্ছ নিরপেক্ষ এবং তাদের ওপর ন্যস্ত করা অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগে কতটুকু সফল তা যাচাই করা যাবে। অথবা এদেশের প্রচলিত প্রায় ৯ কোটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জনমত যাচাই করে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি নির্ধারণ করা যেতে পারে। কামরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর রিকাবী বাজার, মুন্সীগঞ্জ দেশের স্থিতিশীল পরিবেশের জন্য নির্বাচন অবশ্যই অপরিহার্য। নতুন বছরের শুরুতে এ বছর রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হবে আমরা আশা করছি। সম্প্রতি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে হবে। তাই নির্বাচনকালীন সরকার প্রশ্নে মহাজোট ও ১৮ দলীয় জোটের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হলে পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে এতে কোন সন্দেহ নেই । নির্বাচনের ব্যাপারে সব ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের ওপর অর্পণ করতে হবে। বর্তমান সরকারের ৪ বছর কেটে গেছে। সেই অনুপাতে অর্থনীতিতে আশানুরূপ সাফল্য আসেনি। নানামুখী অনিশ্চয়তা নিয়ে সময় কেটেছে পুরো ২০১২। এ বছর জতীয় নির্বাচনসহ কয়েকটি নির্বাচনের বছর। ২০১৩ সাল রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হবে। বর্তমান সরকারের সময় প্রধান বিরোধী দল মাত্র ১৭টি হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে। অতীতের যে কোন সরকারের তুলনায় অত্যন্ত কম। দেশে স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কমেছে। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী তার বর্তমান অবস্থানের পরিবর্তন ঘটিয়ে বিরোধীদলের সঙ্গে একটা সমঝোতায় আসার চেষ্টা করবেন। নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। লাড্লা, ধানমন্ডি, ঢাকা দেশে স্থিতিশীলতার জন্য নির্বাচন দরকার এটা একেবারেই সত্য। কারণ নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই। মো. মুজিব, উত্তরা, ঢাকা নতুন বছরের শুরুতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আমরা আশা করছি, দেশে স্থিতিশীলতার জন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আবদুল মালেক মিয়া, মিরপুর, ঢাকা নির্বাচন নিয়ে দু’দলের মধ্যে সুষ্ঠু মীমাংসা হওয়া দরকার। কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত সমঝোতা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সুষ্ঠু ও স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হবে না। সুতরাং নির্বাচনের মাঠকে স্থিতিশীল করার জন্য নির্বাচন অবশ্যই দরকার এবং তা হতে হবে দু’দলের মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে। জাহাঙ্গীর খান বাবু সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতির ব্যাপারেও সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নিতে হবে। বিরোধী দলের বক্তব্য বিবেচনায় আনতে হবে। সিদ্ধান্তে আসতে হবে অত্যন্ত জোরালোভাবে। তবেই স্থিতিশীল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে দেশে। মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ মিরপুর ১,ঢাকা ১২১৬ দেশে স্থিতিশীলতার জন্য অবশ্যই নির্বাচন জরুরি। কিন্তু তার চেয়েও জরুরি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকার নির্দলীয় নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে যদি ঘোষণা দেন তবেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসবে। অথবা বিরোধী দলীয় নেতৃত্বের অধীনে নির্বাচনের সময় একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ঘোষণা দিলেও দেশে স্থিতিশীলতা আসবে। প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহী আলম খান সরল, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম দেশে স্থিতিশীলতার একমাত্র অবলম্বন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এ দেশে আসবে না। সরকার ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে সংলাপে বসতে হবে। প্রয়োজন সমঝোতা ও ঐক্য। ফারুক আলম, মালিবাগ, ঢাকা বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে দেশের জনগণের প্রত্যাশা অনেক। তাদের একমাত্র দাবি সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন হোক। পাশাপাশি নির্বাচনকে নিরপেক্ষ করে গণতন্ত্র সফল হোক। কাউসার আকন্দ, মতিঝিল, ঢাকা স্বাধীনতার ৪১ বছর অতিক্রম করেছে আমাদের এ দেশ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক যে, এ দেশে সত্যিকার অর্থে একটিও আদর্শ রাজনৈতিক দল নেই। আমাদের প্রত্যাশা, বর্তমানে অস্থিতিশীল দেশে এই পরিস্থিতির মুক্তির একমাত্র পথ একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন। মো. শওকত আলী শাহীন ডিওএইচএস, মহাখালী দেশে স্থিতিশীলতার জন্য প্রথমেই বিরোধী দলকে সংসদে ফিরিয়ে আনতে হবে। পাশাপশি কার্যকর ভূমিকা পালনের প্রয়াস চালাতে হবে। নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি নিয়ে সংসদে কিংবা সংসদের বাইরে যে কোন ভাবে গঠনমূলক আলোচনা হতে হবে এবং সমালোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে— এটাই দেশবাসীর একমাত্র প্রত্যাশা। এস কে মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন সাভার, ঢাকা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বাংলাদেশে সঠিক নির্বাচন সম্ভব নয়। বিরোধী দল এবং সরকারি দল উভয়ই জানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন হবে এবং এটা ছাড়া নির্বাচন হবে না। শুধু জনগণকে কষ্ট দেবার জন্য, নিরীহ লোককে গ্রেফতার করা সেটাও কষ্টকর। আমি দু’দলকে বলছি আল্লাহর দোহাই সাধারণ লোককে আর কষ্ট দেবেন না। সৈয়দ হায়দার আলী, মহাখালী, ঢাকা ২০১২ সালে ইসির নির্বাচন বেশ সফল ও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিভিন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার জন্য তাদের ঝুলিতে জমা হয়েছে অনেক প্রশংসা। তাই আমরা ২০১৩ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ অন্য নির্বাচনসমূহে স্বচ্ছতা আশা করছি। মাসুম আহাম্মদ যাত্রাবাড়ি, ঢাকা ১৩৬২ দেশে স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এটা ছাড়া কোনক্রমেই দেশে স্থিতিশীলতা আসবে না। এর জন্য প্রয়োজন সরকার ও বিরোধী দলের সমঝোতা। বিপ্লব আলম উর্দু রোড,লালবাগ, ঢাকা দেশে স্থিতিশীলতার জন্য নির্বাচন অপরিহার্য। এই নির্বাচন অনুষ্ঠানে দু’নেত্রীকে একসাথে বসতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন হওয়া উচিত। মাসুম চৌধুরী, রাজবাড়ী দেশে যে অস্থিতিশীলতা চলছে এজন্য বড় দু’দলের ধৈর্য, সহনশীলতা এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দেশে নির্বাচনের ব্যবস্থা, সব দল যদি ঐকমত্য হয় তাহলে স্থিতিশীলতা আশা করা যায়। মানুষ তাই আশা করে। আমজাদ হোসেন (আলতাফ) বেগুনটাল, টাঙ্গাইল এতো আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যদিয়ে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিটি সংবিধানে সংযোজন করা হয়েছিল। আবার ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে জননেত্রী বলেছিলো ক্ষমতায় গেলে আমরা তিন উদ্দিনের অধীনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সকল কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেবো। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে তিনি বেমালুম তা ভুলে গিয়ে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি বাতিল করে এখন অপব্যাখ্যা দিচ্ছেন এই পদ্ধতি অবৈধ। যদি তাই হয় তাহলে তথাকথিত ঐ অবৈধ সরকারের অধীনে নির্বাচিত বর্তমান সরকার তাদের সকল কর্মকাণ্ড ও দেশ-বিদেশে করা সকল চুক্তিপত্র কি অবৈধ নয়? সুতরাং বিবেকের তাড়নায় যদি জনতার আদালতে আত্মসমর্পণের আগেই বিষয়টি ফয়সালার জন্য দেশের সবগুলো মোবাইল অপারেটরে গণভোট নেয়া হোক যে আগামী নির্বাচনটি বর্তমান দলীয় সরকার, জাতীয় সরকার বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিংবা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। মাহিরু ইসলাম জেসিকা রামগোপালপুর, মীরকাদিম, মুন্সীগঞ্জ গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতার জন্যও নির্বাচন অপরিহার্য। কিন্তু তালগাছ যদি ভাগে না পড়ে তবে মামুজি নাখোশ হয়। সরকার, বিরোধী দল ও আদালত নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি কী তা সমাধান করতে না পারায় বিগত বছরগুলোতে রাজপথ ছিল উত্তপ্ত। তাই আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে কোন সরকার পদ্ধতির অনুশরণ করা হবে? তাই একটি গণভোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অথবা মোবাইলে ভোটিং করে জনমত যাচাই করা প্রয়োজন। মিরাজুল ইসলাম মাহির রিকাবী বাজার. মুন্সীগঞ্জ এবছর ইসিকে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতীয় সংসদ, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ স্থানীয় সব নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। ইসিকে ২০১৩ সালে ৫টি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হলে নির্বাচন আইনে অনেক পরিবর্তন করতে হবে। আর স্থিতিশীলতা আসবে তখনই যখন জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। দেশে স্থিতিশীলতার জন্য আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগেই বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা করতে হবে। এখন পর্যন্ত ভোটার হতে পারেনি অনেকেই। ইসির আস্থার সংকট রয়েছে। তাদের অর্জনও বড় চ্যালেঞ্জ। কমিশনের ডাকা সংলাপে ১০টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনও ইসির জন্য চ্যালেঞ্জ। প্রত্যেক গণতান্ত্রিক দেশে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার গঠিত হয়ে থাকে। জনগণ স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট দেয় আমরা জানি। রাজনীতি অত্যন্ত পবিত্র বিষয়। ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভোট কেন্দ্র দখল এমনকি মারামারি, খুনাখুনি করা এটা কোন রাজনীতি নয়। জনগণের ভোট ছাড়াই কোন কৌশলে ক্ষমতায় আসতে পারে সেরকম ভোট আমরা আশা করি না। দেশের সকল বিরোধী দল, জ্ঞানী, গুণী, আইনবিদ, শিক্ষাবিদ, কবি-সাহিত্যিক, সকলের দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার। জাতীয় সংসদ আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। তাই জাতীয় সংসদকে কার্যকর করা অপরিহার্য। এটা জাতীয় অঙ্গীকারও বটে। হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী ইয়ং ওয়াং হাইটিচ স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, ইপিজেড, ঢাকা বিশ্বের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচনের নিরপেক্ষতার প্রশ্ন উপেক্ষিত নয়। বাংলাদেশে নির্বাচনে স্থিতিশীলতা উপেক্ষিত। এর কারণ হিসেবে শাসক দল ও বিরোধী দলের ভূমিকাই যথেষ্ট প্রমাণের দাবি রাখে। তাদের নিয়ন্ত্রিত নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভূমিকাও এর বাইরে নয়। এরা জনগণের রায় মেনে নিতে পারে না বলেই স্থিতিশীল নির্বাচন প্রতিষ্ঠিত হতে পারছে না। দেশে স্থিতিশীল নির্বাচন অপরিহার্য হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উদারপন্থি নেতাদের উপস্থিতি কম। ফলে দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা গণতন্ত্র ও স্থিতিশীল নির্বাচন অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। তাই দুর্নীতিবাজ রাজনীতিকদের ভোটের মাধ্যমে জনগণের জবাব দেয়া উচিত। শাহ মো. হেলাল উদ্দিন হিরু কালিহাতী, টাঙ্গাইল নির্বাচন যে অপরিহার্য তা বহুবারই বলে আসছি। তবুও আবার বলছি, এর কোন বিকল্প নেই। শুধু আমাদের বাংলাদেশে কেন বিশ্বের সব দেশেরই একই অবস্থা বিদ্যমান থাকা দরকার। এখানে প্রশ্ন থেকে যায় যে, কিসের স্থিতিশীলতা। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না সরকারের স্থিতিশীলতা না দেশের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা। এক্ষেত্রে সবাই এক বাক্যেই আমাদের দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকেই বেশি প্রাধান্য দেবেন বলে মনে করি। কাজেই দলমত নির্বিশেষে হানাহানি, মারামারি, হরতাল, ভাংচুর, রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট বা পুড়িয়ে ফেলা ইত্যাদি পরিহার করে দেশের উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদেরকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। তা না হলে দেশের কোন প্রকার মঙ্গল কামনা করাই বৃথা। আলহাজ মো. হাফিজুর ইসলাম চৌধুরী হিফজু হাউজিং স্টেট, রাজশাহী বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নির্বাচন দিতে হবে। মো. আবদুর রশিদ সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ আমাদের দেশের জন্য বর্তমান বছরটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই বছরেই আমরা আশা করছি, সব দলের অংশগ্রহণে একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচন অবশ্যই দেশবাসীর কাছে তথা বিশ্বের নেতৃবৃন্দের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। একটি দেশ দীর্ঘদিন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে থাকতে পারে না, থাকা উচিতও নয়। তাহলে দেশের উন্নয়ন যেমন ব্যাহত হয়, ঠিক অপরদিকে বহির্বিশ্বেও আমাদের মাথা নত হয়ে যায়। এটা আমাদের কাম্য নয়। এখন প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। সেটা সরকারি দল এবং বিরোধী দল উভয়ে একসাথে এক টেবিলে বসে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, নির্বাচন অবশ্যই স্বচ্ছ, সুষ্ঠু এবং পক্ষপাতহীনভাবে অনুষ্ঠিত হলে কারও কোন আপত্তি থাকবে না। বিরোধী দল আন্দোলনে আছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করার বিষয়ে। অপরদিকে সরকারি দল বলছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে না, কারণ সংবিধানে এ ব্যবস্থাটি নেই। এই উভয় সংকট থেকে উত্তরণের পথে অবশ্যই সরকারি দলকে উদ্যোগী হয়ে সমাধান বের করতে হবে। বিরোধী দলের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মূল সমস্যাটি সমাধান করা যেতে পারে। আমরা মনে করি, রাত যতই গভীর হোক না কেন প্রত্যুষে সূর্য উঠবেই। আর এমন কোন পরিস্থিতি দেশে উদ্ভূত হয়নি যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যাবে না। ওয়াহিদ মুরাদ, স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর নির্বাচন দিয়ে দেশে স্থিতিশীলতা আনা অবশ্যই সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তাই উচিত সবার অংশগ্রহণে নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করা। অস্থিতিশীল নির্বাচন জনগণ চায় না। তাই জনগণের দাবি একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। ফারুক আহমেদ, রাজশাহী দেশে যে অস্থিতিশীলতা বিদ্যমান এর থেকে বেরিয়ে আসতে হলে একমাত্র প্রয়োজন একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন। নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই এখন। প্রয়োজনে এখনই গণভোটের আয়োজন করা যেতে পারে। মোস্তান সিরুন করিম, ধানমন্ডি, ঢাকা দেশে বর্তমানে যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে এর থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ সুষ্ঠু নির্বাচন। অন্যদিকে দু’নেত্রীকে সঠিক কথা বলতে হবে একই টেবিলে বসে। প্রয়োজন হলে সংসদে না বসে কোন বিশেষ স্থানে তাদেরকে বসার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচনের জন্য ইসিকে আরো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। হোসনে আরা নীলু এনায়েতগঞ্জ লেন, পিলখানা, ঢাকা সাধারণ মানুষ আসলেই চায় শান্তিপূর্ণ একটি দেশ। এতো বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীল অবস্থা একটা গণতান্ত্রিক দেশের জন্য ভয়াবহ বিষয়। বর্তমানে দেশে যে রাজনৈতিক অবস্থা তা অচিরেই শেষ করে প্রয়োজন নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। তা হতে হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ। নীলুফা আক্তার টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬ বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা আনার জন্য একটি জাতীয় নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই। নির্বাচন হতে হবে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য। নির্বাচন পরিচালনার জন্য দরকার একটি নিরপেক্ষ নির্দলীয় কেয়ারটেকার সরকার। কোন অবস্থাতে সরকার বহাল রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নয়। কারণ আমাদের দেশে সেই কালচার এখনো শুরু হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট দেখে মনে হচ্ছে সরকার ও বিরোধী দল দুই মেরুতে অবস্থান করছে। দেশে কোনভাবে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে না পারে সে দিকেও আমাদের সকলকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রতিবার আমরা লক্ষ্য করে থাকি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের পূর্বে নানা ধরনের আশার বাণী দিয়ে ইশতেহার দেয়; কিন্তু নির্বাচনের পর পর দেখা যায় তাদের দেয়া সেই ইশতেহারের কোনটিও বাস্তবায়ন করা হয় না । বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। যা দেশের জন্য খুবই উদ্বেগের বিষয়। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রধানকে এক টেবিলে বসিয়ে আলাপ-আলোচনার করা। যাতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসে। মো. লিটন গাজী দক্ষিণ টেংরা, সারুলিয়া, ডেমরা, ঢাকা ১২০৫ নির্বাচনকালীন স্থিতিশীল পরিবেশ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পূর্বশত। নির্বাচনী আইন, সীমানা নির্ধারণ, নির্বাচনের ধরন এক কথায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রধান রাজনৈতিক জোটসমূহের ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা আবশ্যক। মো. ফখরুল ইসলাম টিপু সেনবাগ, নোয়াখালী বিশ্বের অন্যান্য দেশের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় যে, যে সব দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পরিপক্বতা অর্জন করেছে, সেসব দেশে অনিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রচেষ্টা অনুপস্থিত। সুতরাং এদেশে দরকার আগে সংসদকে কার্যকর করা। যতক্ষণ না তা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন সমাধান হবে না। পাশাপাশি দুই নেত্রীকে এক টেবিলে বসানোর জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। তা-না হলে গণতন্ত্র কোন দিন আসবে না দেশে। এদেশের মানুষকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের দিকে তাকাতে হবে। সৈয়দা নাসরিন সুলতানা ম্যানি সাইড, নিউ ইয়র্ক, আমেরিকা রাজনৈতিক সংকট নিরসনে নির্বাচন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই দেশের জনগণের এখন প্রত্যাশা সুষ্ঠু ও সুন্দর অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। নূসরাত ইয়াসমীন টুম্পা এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০১৩, মনিপুর স্কুল বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নেতা একজন দক্ষ রাজনীতিবিদ। তাঁর রক্তে, মাংসে, তন্ত্রে, মন্ত্রে রয়েছে রাজনীতি ও দেশ পরিচালনার কৌশল। ক্ষমতায় আসার পর উপস্থাপন করেছেন তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল। বিরোধী দল পেল একটি ইস্যু। আবার শুরু করলেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। তাও পেল বিরোধী দল ইস্যু। ক্ষমতাসীনরা মাছের খাবারের মতো ইস্যু তৈরি করছে আর বিরোধী দল খাবারের পেছনে ছুটছে। চার বছর পর এখন রাজপথে উত্তপ্ত দুই পক্ষই। এই উত্তপ্ত রাজপথের মীমাংসা নির্বাচন এটা ঠিক ,তবে আদৌ কি দুই দল পারবে সমঝোতায় এসে সুন্দর, নিরপেক্ষ একটা নির্বাচন জনগণকে উপহার দিতে। নাকি প্রতিশ্রুতি প্রাপ্তি আর প্রত্যাশার আশায় জনগণকে নাচাতে নাচাতে উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি আর ষড়যন্ত্রের বলি বানাবে। ঠিক সময়ের আগে নির্বাচন চাওয়াটাই হবে বোকামি। রহিমা আখতার, তেজগাঁও, ঢাকা সংবিধান অনুযায়ী দেশে সরকার গঠনের জন্য নির্বাচন অনিবার্য। নির্বাচনের জন্য স্থিতিশীলতা নয়, দেশের রাজনৈতিক কর্মসূচি দুর্নীতি দমন, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য নির্বাচনে সরকার গঠন করা হয়। দেশের যে কোন উন্নয়ন কাজের জন্য নির্ধারিত সময়ের প্রয়োজন আছে। তাই স্থিতিশীলতার অনেক প্রয়োজন। সেই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হলেই রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা আসবে। আশা এলিজাবেত গমেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা ১১০০ দেশে স্থিতিশীলতার জন্য আমরা সাধারণ জনগণ ভাবছি সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন ব্যবস্থাপনা। আমাদের এই ভাবনার সফল সমাপ্তি হতে পারে যদি দুই প্রধান রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল একটি কলংকহীন নির্বাচন অপরিহার্য, এ কথাটির মর্মকথা তারা হূদয়ঙ্গম করতে সক্ষম হন। তবেই দেশ হবে স্থিতিশীল। দূর হবে অসত্ আর প্রতিহিংসার রাজনীতি। মো. লুত্ফুর রহমান এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা বাংলাদেশে স্থিতিশীলতার জন্য একটি জাতীয় নির্বাচন দরকার। নির্বাচন পরিচালনার জন্য দরকার একটি নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকার। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে মনে হয় এই বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দল দুই মেরুতে অবস্থান করছে। দেশের জনগণ তাই চরম দুশ্চিন্তায় আছে। উভয়পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা হওয়া বাঞ্ছনীয়। না হয় রাজনৈতিক সংঘাত, আন্দোলন—এ সবই দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করবে। তাই যদি সরকার এখনই একটি আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে যুক্তিযুক্ত সমঝোতায় যেতো এবং বাকি দিনগুলো উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে অগ্রসর হতো তাহলে আমরা দেশবাসী উভয় দলকে ধন্যবাদ জানাতে পারতাম। সুলতান বাহাদুর বলদিয়া, রাজাবাড়ি, নেছারাবাদ, পিরোজপুর অস্থিতিশীলতা নিরসনের একমাত্র উপায় নির্বাচন। তাই নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে হবে। সব দলের অংশগ্রহণে যেন নির্বাচন হয় তারও ব্যবস্থা করতে হবে। আলমগীর হোসেন ভালুকা বাজার , ভালুকা, ময়মনসিংহ