[ অ র্থ নী তি ]
অর্থনৈতিক সম্ভাবনা :ভালো-মন্দ
প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:১৬
ধউন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ অনেক সন্দেহবাদীকে ভুল প্রমাণ করেছে, আমেরিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরী কিসিঞ্জারও সেই সন্দেহবাদীদের একজন। বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ নিয়ে যেভাবে তিনি নির্দয় অনুমান করেছিলেন, আমরা সেই অনুমিত পথ অনুসরণ করিনি। বরং হাজারো চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে আমরা সামনের দিকে এগিয়েছি, যদিও আমরা এখনো পুরোপুরি সংকটমুক্ত নই।
সাম্প্রতিক সময়ে আমরা বেশ কিছু শুভ সংবাদ প্রত্যক্ষ করেছি। বিদ্যমান সমস্যার সমাধানে যা আমাদেরকে উত্সাহিত করছে। প্রথম সুসংবাদটি গ্যাস মজুদ সংক্রান্ত। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এক সাক্ষাত্কারে গ্যাস মজুদের বিষয়টিকে বহুমাত্রিক বলে আখ্যায়িত করেন, যা সময়সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ২৫টি গ্যাসক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৫ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট পরিশোধনযোগ্য গ্যাস মজুদ রয়েছে। তিনি আরো বলেন, পেট্রোবাংলা গত সাড়ে তিন বছরে আরো নতুন ক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে, যা জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ৬৯১ এমএমসিএফডি গ্যাস যোগ করছে। শাহবাজপুর এবং শ্রীকাইলে নতুন আবিষ্কৃত দু’টি গ্যাসক্ষেত্রের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। আরো সুখের বিষয় হলো, কৈলাশটিলা ও হরিপুরে অর্থনৈতিকভাবে তেলের লাভজনক মজুদ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে বাপেক্সের থ্রি ডি সিসমিক জরিপে ৫৫ মিলিয়ন ব্যারেল উন্মোচনযোগ্য তেলের মজুদ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে উচ্চমাত্রার প্রবৃদ্ধির উপর জোর দিয়ে চেয়ারম্যান জানান, ভবিষ্যতে তেল ও গ্যাসের ভোগের পরিমাণ আরো বাড়বে । এ কারণেই পূর্ব বঙ্গপোসাগরীয় এলাকার নিজস্ব ব্লকগুলোতে সমুদ্র তীরবর্তী তেল ও গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের লক্ষ্যে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার উপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় শুভ সংবাদটি হলো, প্রবাসী রেমিটেন্সের বৃদ্ধি । বাংলাদেশ ব্যাংকের এক রিপোর্টের ভাষ্যমতে বর্তমান অর্থবছরে জুলাই-অক্টোবর সময়ে রেমিটেন্সের পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়ে ৫.০১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। রিপোর্টে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বর্তমানে ১২.৮ বিলিয়ন ইউএস ডলারে পৌঁছেছে। বৈধ উপায়ে অর্থ লেনদেনের কারণে এ প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভবপর হয়েছে ।
আরেকটি খুশির সংবাদ হলো, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও দেশের মারচেনডাইজ শিপমেন্ট মূল্য ২০১২ সালের অক্টোবরে ২.০৭৭ বিলিয়ন ইউএস ডলার বেড়েছে । গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫.২৫ শতাংশ বেড়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মতে রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ২.৭২ শতাংশ বেড়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর ২০১২) রপ্তানি আয় ৩.০৮% বেড়েছে, যার অর্থমূল্য ৮.৩৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার। তবে এই সমন্বিত আয় নির্ধারিত কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ৮.৬৫ বিলিয়ন ইউএস ডলারের চেয়ে ৩.৩৪ শতাংশ কম। এখানে উল্লেখ করা দরকার যে, নিটওয়্যার ও ওভেন গার্মেন্টস প্রত্যাশা পূরণ করলেও হিমায়িত খাদ্যের সেক্টরটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রা অজর্নকারী পণ্য, বিশেষত পাট ও পাটজাত দ্রব্য, পাটের ইয়ার্ন এবং টোয়াইন, রাবার, সিরামিক পণ্য, গ্লাস, গ্লাস ওয়্যার, স্টেইনলেস স্টিল ওয়্যার, প্লাস্টিক পণ্য ও প্লাস্টিক বর্জ্য এবং বিশেষায়িত বস্ত্রখাতও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়।
বিগত অর্থবছরের তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমের এই হ্রাসের কারণ মূলত ইউরোপ ও অন্যান্য উন্নত বিশ্বে বিরাজমান অর্থনৈতিক মন্দা। এছাড়াও ক্রিপলিং এনার্জি ও জ্বালানি সংকটের কারণে আঞ্চলিক পণ্যের উত্পাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়াও রপ্তানি কার্যক্রম হ্রাসে ভূমিকা রেখেছে। এদিকে ভাগ্যের ব্যাপার হলো, আমদানি খরচ বাড়লেও তা ছিল সহনীয় সীমার মধ্যে ।
আমাদের অর্থনৈতিক প্যারাডাইমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এমন আরেকটি শক্তিশালী অনুঘটক হলো প্রবাসী শ্রমশিল্প। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে গত দশ মাসে ০.৫৪ মিলিয়ন শ্রমিক বিদেশে গেছে। বৈদেশিক শ্রম ও কল্যাণমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, গত সাড়ে ৩ বছরে ১.৯৮৭ মিলিয়ন বাংলাদেশি শ্রমিক বিদেশে নতুন চাকরির ক্ষেত্রে নিয়োগ পেয়েছে । মালয়েশিয়া ও অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশে বিদ্যমান সংকট নিরসন করা গেলে এ সংখ্যা আরো বাড়ানো যাবে বলে জানা যায় ।
ব্রিটেনের সাময়িকী ‘দ্যা ইকোনোমিস্ট’-এর ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ সরকারের কিছু বিশেষ পদক্ষেপ সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অবস্থার বেশ পরিবর্তন করেছে। এতে বলা হয়, অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় মানুষের জীবনযাত্রার অবস্থান পরিবর্তনে বাংলাদেশ বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে। এতে আরো উল্লেখ করা হয়, বিগত ২০ বছরে গড় আয়ু ৫৯ থেকে ১০ বছর বেড়ে ৬৯-এ উন্নীত হয়েছে, যা ভারতের গড় আয়ুর তুলনায় ৪ বছর বেশি, যদিও ভারতের মাথাপিছু আয় বাংলাদেশের দ্বিগুণ। এখানে আরো উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা, শিক্ষা, বিশেষত নারী শিক্ষাসহ স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক উন্নয়ন ঘটিয়েছে। বাংলাদেশে গত দুই দশকে শিশু মৃত্যুহার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ও মাতৃ মৃত্যুহার তিন-চতুর্থাংশ কমেছে বলে রিপোর্টটিতে বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয় । জার্নালটি বাংলাদেশের ধীরগতির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয়ে স্বল্প অগ্রগতি সত্ত্বেও উপরোল্লিখিত সব অর্জনকে তাত্পর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করে। এসব প্রেক্ষিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে হাজির করা যায় বাংলাদেশের বাত্সরিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে, যা অনেক দেশের চেয়ে বহুগুণে ভালো ও সাধারণত প্রতিবছরই ৫.৫ শতাংশের কাছাকাছি থাকে।
এ আলোচনাকে যথাযথ বিশ্লেষণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য অবশ্যই সংযুক্তি হিসেবে বাংলাদেশের বিভিন্ন সমালোচনাকে টানতে হবে, যা সাম্প্রতিক অতীত সময় জুড়ে আলোচিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশের প্রশাসন ও সরকার ব্যবস্থাপনায় রাজনীতি সংশ্লিষ্টতা ও দুর্নীতি প্রশমনে ধারাবাহিক ব্যর্থতা আমাদেরকে নিজস্ব কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেয়। দেশে প্রত্যাশিত মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট প্রবণতাসমূহের উপরও নজরদারির অভাব আছে বলে মত প্রকাশ করেন সমালোচকরা।
উপরোক্ত বিষয়সমূহের গুরুত্ব প্রশ্নাতীতভাবেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন আমরা অন্যান্য সুনিশ্চিত ঘটনার দিকে তাকাই । নভেম্বরের শুরুতে বৃটেনভিত্তিক ব্রান্ডিং সংশ্লিষ্ট পরামর্শক প্রতিষ্ঠান—ব্রান্ড ফিউচার তাদের দেশভিত্তিক ব্রান্ড ইনডেক্সের ২০১২-১৩ সংস্করণে বাংলাদেশের অবস্থানকে ১১০তম হিসাবে চিহ্নিত করে, যা পূর্বের ইনডেক্সের তুলনায় তিন স্তর নিচে। তাদের গবেষণা পদ্ধতি হিসেবে প্রতিটি দেশের মধ্যকার বিভিন্ন প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান যেমন শিল্পায়ন, অর্থনৈতিক ও জনসংশ্লিষ্ট প্রভৃতি সেক্টরকে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এখানে উল্লেখ্য যে, দেশভিত্তিক এই ব্রান্ড ইনডেক্সে পার্শ্ববর্তী দেশ মালদ্বীপ ১৬তম ও ভারত ৪২তম। আমাদের স্মরণ রাখা প্রয়োজন যে, যে কোনো দেশে সম্ভাব্য সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ ও দেশ হিসেবে বিশ্ব পরিসরে দাঁড়াবার জন্য ব্রান্ডিং-এ ইতিবাচক উপস্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্গত কারণেই বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম, যা মোটেই বিস্ময়কর নয়।
এছাড়া দুশ্চিন্তার আরো অন্যতম একটি উপাদান হলো, বৈদেশিক অনুদানের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে আমাদের অঙ্গীকার পূরণ করতে না পারা। তবে এটা সত্য যে, গত জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়কালের তুলনায় এ বছর বৈদেশিক অনুদানের পরিমাণ ৮০.৮৫ শতাংশ বেড়েছে; কিন্তু বৈদেশিক অঙ্গীকার গত অর্থ বছরের তুলনায় কমেছে প্রায় ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার।
উপরোল্লিখিত দু’টি উপাদানই বাংলাদেশের সাম্প্রতিকতম ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫) পুনঃপরীক্ষণের সময় আলাদাভাবে মনোযোগ আকর্ষণ করে। এখন সাধারণভাবে সর্বত্র স্বীকৃত যে, দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও এফডিআই-এর যে গতি সেটা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনানুযায়ী দেশের জিডিপির কাঙ্ক্ষিত বিকাশ বা ২০২১ সাল নাগাদ দেশকে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করার যে স্বপ্ন, সেটার জন্য পর্যাপ্ত নয়। এছাড়াও পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথম দুই অর্থ বছরে সেবা খাতের বিকাশে অধোগতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি প্রত্যক্ষ হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত ‘Bangladesh towards Accelerated, Inclusive and sustainable Growth-opportunities and Challenges’ শিরোনামের রিপোর্টে বাংলাদেশের এ সকল বিষয়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। রিপোর্টটিতে স্বভাবতই কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধকতার উল্লেখ করা হয়, যা দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে, যেমন ভঙ্গুর অবকাঠামো, স্বল্পসংখ্যক এফআইডি, দুর্বল অর্থনৈতিক প্রশাসন ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে সৃষ্ট দ্রুত বর্ধনশীল ব্যয়। এছাড়া এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব ও দক্ষতা স্বল্পতার বিষয়ের উপর চাপ সৃষ্টি করে। রিপোর্টে আরো উল্লেখ করা হয় যে, উপরোক্ত ত্রুটিরেখাসমূহকে যদি সঠিকভাবে চিহ্নিত না করা যায়, তবে মধ্যবর্তী সময়ে এগুলো আরো সুপরিকল্পিত মাত্রায় ভয়াবহ পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটাবে।
গত দুই দশকে দরিদ্রতার হার ২৬.৪ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে বলে রিপোর্টে স্বীকার করলেও দেশের অবিরাম রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও অনিশ্চয়তা এবং ভঙ্গুর প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কমানো না গেলে তা দেশের সামগ্রিক অবস্থাকে আরো ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে বলে শংকা প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহ যদি জরুরিভিত্তিতে তাদের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে পুনঃপরীক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কারসহ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধির তাগিদে অধিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারে সেটা হবে আশা জাগানিয়া পদক্ষেপ।
আমাদের উন্নয়ন এজেন্ডাসমূহকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সমন্বিত প্রবৃদ্ধি কার্যক্রম ও বহুমুখী মাধ্যম ব্যবহার করা যেতে পারে, যার মাধ্যমে নানা ধরনের সেবা সরবরাহ করা হবে। এছাড়া আমাদের অবকাঠামোসমূহের চাহিদা বিবেচনায় রেখে এফডিআই বৃদ্ধির কর্মকৌশলের দিকে নজর দিতে হবে । এই লক্ষ্য পূরণের জন্য BOT ও PPP-র মূল নীতিসমূহ কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া সাধারণীকৃত নিয়ন্ত্রণ আইনও এক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। এটা সর্বজনস্বীকৃত ব্যাপার যে, আমরা আমাদের কৃষি ও শিক্ষা খাতে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি অগ্রগতি সাধন করেছি এবং এসব খাতের এই অর্জনসমূহকে দেশের অন্যান্য খাতে ছড়িয়ে না দিতে পারার কোনো কারণ নেই ।
ভাষান্তর : নাসিমূল আহসান
লেখক :সাবেক রাষ্ট্রদূত ও বিশ্লেষক
ই-মেইল: mzamir@dhaka.net