রা জ নী তি

রাজনীতির গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের রাজনীতি

বাঙালির গণতন্ত্রের ঐতিহ্য অনেক পুরোনো। এ কারণে গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাজনীতি বাঙালির এত আরাধ্য। তবে দুর্ভাগ্য এই যে, রাজনৈতিক ব্যর্থতা এবং বিরূপ শাসন কাঠামো বাঙালির ঘাড়ে বারবার চাপিয়ে দেয়ার কারণে নানা আন্দোলন-সংগ্রাম করার পরও অধরা থেকে যাচ্ছে গণতন্ত্র। সেই আট শতকের শুরুতে মাত্স্যন্যায়ের যুগ অবসান ঘটাতে বাংলার অভিজাতরা সিংহাসনের জন্য শত বত্সরের রক্তাক্ত সংঘাতের ইতিহাসকে পেছনে ফেলে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করেছিলেন। যোগ্য শাসকের খোঁজে নির্বাচনের আয়োজন করেন। এই গণতান্ত্রিক পথেই নির্বাচিত হন গোপাল। জনগণের নির্বাচিত গোপাল একশত বছরের অরাজক অবস্থার অবসানই ঘটাননি, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনেন দেশে এবং প্রতিষ্ঠা করেন একটি সফল রাজবংশের শাসন। পালবংশ নামে প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সফল বাঙালির গড়া রাজবংশের শাসন ছিল এটি। এই অসাধ্য সম্ভব হয়েছিল গণতান্ত্রিক চেতনার কারণেই। এমন ঐতিহ্যস্নাত বলেই গণতন্ত্র বাঙালির রাজনৈতিক ভাবনার গভীরে প্রথিত আছে। যে কারণে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইউব খানের বিরুদ্ধে বাঙালি প্রতিবাদী আন্দোলন করেছে। আইউব খান কপট মৌলিক গণতন্ত্র দিয়ে ভোলাতে পারেননি বাঙালিকে। গণতন্ত্র পাওয়ার অন্যতম আকাঙ্ক্ষা বুকে নিয়ে বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে। দেশ স্বাধীন হলো; কিন্তু গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা চার দশকেও পূর্ণ হলো না। হলো না রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতায়। যে কারণে গণতন্ত্রের জন্য রাজনীতি না হয়ে রাজনীতির স্বার্থে শ্লোগানের গণতন্ত্র চাপিয়ে দেয়া হলো মানুষের মাথায়। বড় দুই দলের আচরণে এর কোনো অন্যথা দেখা যায় না। দেশে নামেমাত্র একটি সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। একমাত্র জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছ বা ধোঁয়াচ্ছন্নভাবে অনুষ্ঠিত হওয়া ছাড়া আর কোনো গণতান্ত্রিক আচরণ আমাদের রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের মধ্যে দেখতে পায় না মানুষ। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বেশি আসন পাওয়া দল বা জোট-মহাজোট গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সরকার গঠন করেন। কম আসন পেলেও জনগণের ভোটের শক্তিতেই বিরোধী দল বা প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসেন অন্যপক্ষ। সংসদীয় গণতন্ত্রের দায়েই দুই পক্ষকে সংসদ সজীব রেখে দেশ ও জনগণের জন্য কথা বলতে—ভূমিকা রাখতে হয় সংসদে। সাংসদরা জনগণের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে কথা বলবেন। দেশের সার্বিক উন্নয়ন, সমস্যা- সংকট নিয়ে কথা বলবেন। সরকারের ভুল-ক্রটির সমালোচনা করে ভুল শুধরে দেবে বিরোধী দল। এভাবে জনকল্যাণমুখী আইন প্রণয়ন ও পাস করবেন সকলে মিলে। জনগণের নির্বাচিত নেতা বলেই এই দায়িত্ব পালনে সকল পক্ষ দায়বদ্ধ। এসব করতে জনপ্রতিনিধিরা তাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করবেন বলে মানবিক কারণে রাষ্ট্র বা সরকার এই গরিব দেশে যথাসাধ্য একটি সম্মানজনক বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করেছে সাংসদদের জন্য। যার সংস্থান করা হয় জনগণের ট্যাক্সের টাকা থেকে। সাধারণ মানুষের সরাসরি অনুমোদনের ব্যবস্থা না থাকলেও মানুষ মেনে নিয়েছে। লাভজনক চাকরির মতো হলেও এসবের বিনিময়ে সংসদে তাদের সুখ-স্বাচ্ছ্যন্দের জন্যই কথা বলা হবে। পরোক্ষভাবে হলেও সাংসদরা সংসদ প্রাণবন্ত রেখে প্রদত্ত জনগণের অর্থ ভোগ করার বিনিময়ে তারা জনগণকে অনেকগুণ ফিরিয়ে দেবেন। কিন্তু জনগণের রায়ে সংসদে আসা কোনো পক্ষই সে কথা রাখেননি। নির্বাচনে জয়লাভ করার পরই জনগণকে টাটা বাই বাই দিয়েছেন। নিজ নিজ দলীয় স্বার্থে আটকে গেছেন। সংসদকে বানিয়ে ফেলেছেন নিজেদের গৃহস্থালি বাড়ি। প্রতাপশালী মোড়ল বাড়ি হচ্ছে সরকারি দলের আর দুর্বল প্রতিবেশী হচ্ছেন বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা। তারা সকলেই জনগণ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বের কথা ভুলে যান। একপক্ষ অন্য পক্ষের প্রতি দম্ভ ও অভিমান দেখান। যেন দুই পক্ষের মৌরুরী পাট্টা এদেশ এবং সংসদ যে সার্বভৌম এর প্রকৃত মালিক দেশের ভোটার-সাধারণ জনগণ একথা মোটেও মনে থাকে না সংসদে যাওয়ার অধিকারপ্রাপ্ত জাতীয় নেতা- নেত্রীদের। সরকারি দলের সদস্যসংখ্যা বরাবরই এতটা বেশি থাকে যে, প্রধান বিরোধী দল বা জোটের সদস্যসংখ্যা দিয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা বিল পাসের সম্ভাবনা থাকে না। আবার এমন গণতান্ত্রিক চেতনার প্রকাশও আমরা দেখি না যাতে বিরোধী দলের বির্তক মূল্য পায়। যৌক্তিক বক্তব্য উত্থাপন করলেও তা গ্রহণ করায় সরকারি দলের আত্মমর্যাদায় আঘাত আসে। সুতরাং পাস হয় সরকারি দলের প্রস্তাব। এ কারণে বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব বারবার ভুলে যান। বিল পাস হোক বা না হোক নিজেদের বক্তব্য ব্যক্ত করাও যে দায়িত্ব একথা ভুলে যেতে পছন্দ করেন। মনস্তাত্ত্বিক সংকটের মুখে পড়েন বিরোধীরা। মনে করেন তাদের উপস্থিতিতে সরকারি সিদ্ধান্ত গুরুত্ব পেয়ে বিল পাস হলে তারাও এর অংশীদার হয়ে পড়বেন। তাই দুর্বলের আস্ফাালন করার জন্য সকলে দলবেঁধে লাগাতার সংসদ বর্জন করেন। সাংসদ পদ হারানোর বিধিবদ্ধ সময় উপস্থিত হলে নানা মুখরোচক বাক্যবর্ষণ করে স্বাক্ষর দিয়ে সদস্যপদ রক্ষার জন্য দুই-একদিনের জন্য সংসদে আসেন। এটুকু নিন্দার ও সমালোচনার হলেও লজ্জার হবে দায়িত্ব পালন না করে অবলীলায় সাংসদদের সুযোগ-সুবিধা, বেতন-ভাতা গ্রহণ করা। এ ব্যাপারে কোনো সংকোচ কোনো পর্বের বিরোধীরাই দেখাননি। সরকারি চাকুরে দিনের পর দিন কর্মস্থলে উপস্থিত না হলে তার চাকরি যায়। নিদেনপক্ষে জনগণের ট্যাক্সের টাকার বেতন তাকে দেয়া হয় না। বদলে নানা ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। কিন্তু জনগণের ভোট নিয়ে এসে ভোটার জনগণের হয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ‘দপ্তরে’ দিনের পর দিন অনুপস্থিত থাকার পরও সকল সুযোগ-সুবিধা আকণ্ঠ পান করেন। এককালে বিরোধী দলে থেকে অভিন্ন আচরণ করেন যেই পক্ষ পরবর্তী সময়ে সরকারে এসে স্মৃতিভ্রষ্ট রোগে আক্রান্ত হন তারাই। নানা সুবচন বর্ষণ করতে থাকেন। এ বছরের সংসদ অধিবেশন শুরু হলো গত ২৭ জানুয়ারি। মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রথামত তার ভাষণ উপস্থাপন করলেন মহান সংসদে। তিনি নৈরাজ্যের পথ পরিহার করে সংসদে এসে কথা বলতে বলেন বিরোধী দলের সাংসদদের। তিনি বলেছেন বিরোধী দল গত চার বছরে সংসদীয় কর্মকাণ্ডে নিয়মিতভাবে অংশগ্রহণ না করে সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে—বিএনপি জোট সরকারের আমলে আজকের মহামান্য রাষ্ট্রপতি তখন বিরোধী দলের সাংসদ ছিলেন। তারাও এই স্টাইলে সংসদ বর্জন করেছেন। তখন এভাবেই বিবেক জাগানিয়া বক্তব্য রেখেছেন আজকের বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা। এভাবেই আমাদের রাজনীতি গণতান্ত্রিক রাজনীতি হতে পারেনি কখনো। হয়েছে রাজনৈতিক বক্তব্যের গণতন্ত্র। অতি আশাবাদী যারা বিএনপি নেতাদের শব্দ চয়নে আশ্বাসে বা মনের আকাঙ্ক্ষা থেকে মনে করেছিল এই অধিবেশনে বিএনপি সংসদে যোগ দেবে। আশা করার একটি প্রধান কারণ হচ্ছে, মানুষ ভেবেছিল বিএনপি নেতারা নির্বাচনের আগে একটু কাফফারা দিয়ে হলেও জনগণের আহত মনে মলমের প্রলেপ দেবেন। কারণ এবার সংসদে না আসার পাপ এই দল বা দলভুক্ত জোটের বেশি। কারণ তারা একই গড্ডালিকায় চললেও গত নির্বাচনে জনগণের সামনে প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিল যে, কোনো অবস্থাতেই তারা সংসদ বর্জন করবেন না। জানি না বিএনপি যে কটি আসন পেয়েছিল তার পেছনে এমন প্রতিশ্রুতির কোনো ভূমিকা ছিল কিনা। তবে কার্যক্ষেত্রে অমন প্রতিশ্রুতি পালন করলে পোড়খাওয়া মানুষ বিস্মিতই হতো। যাক বিএনপি মানুষের মধ্যে বিস্ময়ের ঘোর ছড়ায়নি। শুরুতেই প্রতিশ্রুতির কবর দিয়ে পুনঃমূষিক হয়ে গেল। বুঝিয়ে দিল তাদের গণতান্ত্রিক আচরণের রূপটি কি। জনগণকে তো শুধু প্রয়োজন নির্বাচনের সময়। আর মাঝে মাঝে জনগণকে নিয়ে উপহাস করা। যেমন-নিজেদের রচিত আন্দোলনকে জনগণের আন্দোলন বলা। জনদুর্ভোগ তৈরি করা হরতাল-অবরোধ শেষে জনগণকে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানানো। এমন কপটতার মধ্য দিয়েই চলছে আমাদের রাজনীতির গণতন্ত্র। বড় অদ্ভুত সংসদ বর্জনের যুক্তি। সারাক্ষণ অভিমান-ক্ষুব্ধতা সরকারি দলের প্রতি। তাদের কেন বেশি কথা বলার সুযোগ দেয়া হয় না, কেন সংসদে তাদের নেতা-নেত্রী সম্পর্কে অশিষ্ট ভাষা ব্যবহার করে, কেন সামনের সারিতে তাদের কয়েকটি আসন দেয়া হয় না। যেন মোড়ল বাড়ির কাছে দুর্বল প্রতিবেশীর আব্দার বা ক্ষুব্ধ অভিযোগ। এভাবে সরকারি দলের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে এবং অভিমান করে বিরোধী দল লাগাতার সংসদ বর্জন করে। এসব কাণ্ডে মনে হয় সংসদ এবং দেশটি বড় দুই দলের, জনগণের নয়। জনগণের ভাবনা ভাবতে পারলে বিরোধী দল সংসদে উপস্থিত থেকে প্রতিবাদ করতে পারতো। তাদের মন্দ ভাষায় গালাগাল দিলে তার প্রতিবাদ করে জনগণের সহানুভূতি নিতে পারতো। তা সংসদীয় নথিতে রেকর্ড হয়ে থাকতো। জনগণের পক্ষে তা হলে বিচার করার সুযোগ থাকতো। কিন্তু এসব গণতন্ত্রীর মধ্যে এগার-বারো শতকের সেন রাজাদের ভূত চেপেছে। নিজেদের ব্রাহ্মণ ভেবে সাধারণ মানুষকে শূদ্রজ্ঞান করেছেন। সুতরাং শূদ্রজনের চাওয়া-পাওয়ার মূল্য দিয়ে লাভ কি? রাজনীতিকে তো ক্রমে আমলা ও ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়েছেন। সুবিধাভোগী আমলা ও সুবিধাবাদী বণিক কখনো গণতন্ত্র বুঝে না। তাই গায়ে মুজিব কোট জড়ালেও প্রাক্তন আমলা দলীয় মন্ত্রী অগণতান্ত্রিক আচরণে বিরোধী দলের অবরোধ ঠেকাতে ছাত্র-যুবলীগকে মাঠে নামতে বলে উগ্র তরুণদের বিশ্বজিতের খুনি বানাতে দ্বিধা করেন না। বিরোধী দলের নেতা পেটানোর জন্য বাহবা দেন পুলিশ কর্মকর্তাকে। এটি অন্যতম যোগ্যতা বলে পদক প্রদান করেন। এসব অগণতান্ত্রিক কথা প্রকাশ্যে বললেও তার কোনো শাসন হয় না। এভাবেই প্রকাশ্যেই বিপন্ন হয় গণতন্ত্র। সরকারি বণিক, আমলা ও রাজনীতিক সাংদদের অনেকেই বিরোধী দলের মতো সংসদ বর্জন না করলেও লাগাতার বা সাময়িক বিরতি দিয়ে সংসদে আসেন না। নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যস্ত থাকেন এবং যথারীতি মাস গেলে লক্ষাধিক টাকা বেতন-ভাতা, সুবিধাদি তুলে নেন। বর্তমানের বিশেষ ধারার রাজনৈতিক গণতন্ত্রের কাঠামোতে বিএনপি, আওয়ামী লীগ উভয় দলেই একমাত্র ক্ষমতাধর দলীয় প্রধান। সরকারে থাকলে দলীয় প্রধান দলের প্রধান নিয়ন্ত্রক। যেহেতু দলের ভেতর গণতন্ত্রের চর্চা হয় না, তাই দলীয় প্রধান আজীবন প্রধান থাকেন। দল নির্বাচনে বেশি আসন পেলে এই প্রধানই হন প্রধানমন্ত্রী। তিনিই হন সরকারের সর্বময় ক্ষমতাশালী নির্বাহী। আবার পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রীই হন সংসদনেত্রী। এভাবে এক ব্যক্তি ক্ষমতার সমুদ্রে একাই সাঁতার কাটেন। ফলে একচ্ছত্র ক্ষমতা গণতন্ত্র বিকাশের পথ রুদ্ধ করে দেয়। বিরোধী দলেও দলীয় প্রধান দলের একমাত্র ক্ষমতাধর। সকল সিদ্ধান্তের প্রধান নির্বাহী। সংসদে বিরোধী দলের নেত্রী। তাই দুর্বল অবস্থানের কারণে গণতান্ত্রিক আচরণকে কেয়ার না করে লাগাতার সংসদ বর্জনের পাপ তিনিই মাথা পেতে নেন। বাইরে এসে রাস্তা ঘাট মাঠ প্রান্তর গত্বাঁধা বুলিতে মুখরিত করেন। এ ধারার রাজনৈতিক গণতন্ত্রের অত্যাচার থেকে মানুষ এখন মুক্তি চায়। একুশ শতকের এ সময়ের ভোটার আমাদের নেতা-নেত্রীদের মতো নিশ্চয়ই সাতপুরোনো এনালগ নয়। তারা প্রকৃত অর্থেই ডিজিটাল। মন্দকে মন্দ, ভালোকে ভালো বলতে ভাবতে জানে। তাই নিজেদের ভবিষ্যত্ রাজনীতির স্বার্থে এবং জনগণের স্বপ্নের গণতন্ত্রে পৌঁছতে প্রকৃত অর্থেই সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি থেকে শেষ বেলায় বেরিয়ে আসা উচিত বিরোধী দলের। সরকারি দলের সাংসদদেরও উচিত পরিশীলিত আচরণ করা। মনে রাখতে হবে জনগণের মনরঞ্জন ছাড়া কোনো বিদ্যা প্রয়োগ করে বৈতরণী পাড়ি দেয়া কোনো দলের পক্ষেই সহজ হবে না। ++লেখক:অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় shahnawazju@yahoo.com