কোকো নয়, টাকা পাঠান
দুবাইয়ের হাবিবুর
প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৩৪
আরাফাত রহমান কোকোর আইনজীবীরা দাবি করেছেন, কোকো নয়, সিঙ্গাপুরের ফেয়ারহিল কোম্পানির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়েছিলেন দুবাইয়ের হাবিবুর রহমান। আর এ কোম্পানির মালিক সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ী লিম সিউ চ্যাং। ওই ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। এরা হলো আন্তর্জাতিক চক্র। এদের সঙ্গে আঁতাত করেই সরকার এই টাকা পাচারের নাটক সাজিয়েছে। আর টাকা পাচারের যে সময়ের কথা বলা হয়েছে কোকো সেসময় কারাগারে বন্দি ছিলেন। গতকাল বুধবার এক প্রেসব্রিফিংয়ে কোকোর আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন এমপি এসব কথা বলেন। এসময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট জামিল আক্তার এলাহী, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ব্যারিস্টার খোকন বলেন, এটর্নি জেনারেল বলেছেন বাংলাদেশ থেকে এই অর্থ সিঙ্গাপুরে পাচার করেছিলেন কোকো; কিন্তু ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কোকো গ্রেফতার হন। জেল থেকে প্যারোলে মুক্তি পান ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই। আর এ মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ফেয়ারহিলের অ্যাকাউন্টে ২০০৭ সালের ১৬ নভেম্বর তারিখে কোকোর নির্দেশে অর্থ জমা করা হয়; কিন্তু ওই সময় কোকো জেলে ছিলেন। জেলে থাকা অবস্থায় সিঙ্গাপুরে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করার সুযোগ আছে কি?
অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন বলেন, বর্তমান সরকার একেক সময় একেকটি ইস্যু এনে বিগত দিনের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য তারা বিভিন্ন কর্মপন্থা গ্রহণ করে। কোকোকে নিয়েও তারা একটি রাজনীতি শুরু করেছে।
জবাবে এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, ফেয়ারহিলের নামে যে অ্যাকাউন্ট তা আরাফাত রহমানেরই। আর সে অ্যাকাউন্টেই অর্থ ট্রান্সফার করা হয়। ফেয়ারহিল কোম্পানির অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকো পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। অ্যাকাউন্ট করার দিন নিজে উপস্থিত ছিলেন সেখানে। সিঙ্গাপুরে একটি আদালতে বিদেশিদের মানি লন্ডারিংয়ে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত হওয়ার পর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। ওই মামলায় তার জরিমানা হয়েছিলো।