সিংগাইরে রোগীর মৃত্যু নিয়ে তুলকালাম

অনভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সিংগাইর উপজেলার রফিক নগরে ছায়েরা মোহন পল্লী হাসপাতালে তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে। এলাকার বিক্ষুব্ধ জনগণ ওই হাসপাতালটি ঘিরে রেখেছেন ডাক্তারের শাস্তির দাবিতে। ওই ডাক্তার নার্স এবং অন্যরা পালিয়ে গেলে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের নেতা আঃ মাজেদ খানের হস্তক্ষেপে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত রোগীর নবজাতক শিশুসহ আরেক শিশুর ভরণপোষণের দায়িত্ব নিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এলাকাবাসী জানায়, এই হাসপাতালটির মালিক কর্ণেল (অব.) মজিবুল হক খান পাশা ১০ বেডের অত্যাধুনিক এ হাসপাতালে মহিলাদের সিজার করানো হলেও এখানে কোন অভিজ্ঞ ডাক্তার অর্থাত্ এনেসথেসিস্ট নেই। অনভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারাই সিজার করানো হয়। গত শুক্রবার রাতে খোয়ামুরি গ্রামের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী এক সন্তানের জননী খাদেজা বেগমকে (২২) মুমূর্ষু অবস্থায় এখানে আনা হলে সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় সিজার করতে। এনেসথেসিস্ট না থাকা সত্ত্বেও ৮ হাজার টাকা চুক্তিতে সিজারের কাজটি করেন জেনারেল সার্জন এ আর মন্ডল। সাথে ছিলেন নার্স লক্ষ্মী তালুকদার ও ওটি বয় মেহেদী হাসান। সিজারকালে রোগীর অবস্থার অবনতি দেখা দিলে সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রোগীর মৃত্যু ঘটে। হাসপাতালের মালিক কর্ণেল (অব.) পাশার ভাই মফিজুল ইসলাম খান ও আসাদুল ইসলাম খান বলেন, এ ডাক্তার আগেও অনেক সিজার করেছেন কেউ মারা যাননি। এবার কি করে মারা গেল আমরা তো ভেবে পাচ্ছি না। তবে মৃত রোগীর নবজাতক শিশু ও অপর নাবালক শিশুর ভরণপোষণের দায়িত্ব আমরা নিয়েছি।