পুলিশ হেফাজতে আসামির মৃত্যু
ছাতক (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৫ জুন ২০১৩, ২১:৪০
ছাতকে পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামি ওয়ারিছ আলীর (৪৫) মৃত্যুর ঘটনায় গত শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেমায়েতুল ইসলাম। এ সময় ডিবি ইন্সপেক্টর ডি জামান মিলু ও ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজালাল মুন্সি তার সাথে ছিলেন। নিহত ওয়ারিছ আলীর বাশখালা গ্রামের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তার স্ত্রী, ভাই ও গ্রামের লোকজনের সাথে কথা বলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তিনি ঘটনায় ন্যায়বিচারেরও আশ্বাস দেন। মঙ্গলবার ভোরে বাশখালা গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের পুত্র ওয়ারিছ আলীকে নিটল কার্টিজ মিলের আনসার ও সিকিউরিটিরা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। পুলিশ হেফাজতে ওইদিন বিকেলে সে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। নিহত ওয়ারিছ আলীর ছোট ভাই রহমত আলীসহ তার পরিবারের লোকজনের দাবি পুলিশ, আনসার ও সিকিউরিটিদের নির্যাতনে ওয়ারিছ আলীর মৃত্যু ঘটেছে। ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টেও তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ওয়ারিছ আলী মারা গেলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাতক থানার এসআই শাহিন হাসপাতালে ওয়ারিছ আলীর আত্মীয়-স্বজনের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে। এ বিষয়ে ওয়ারিছ আলীর পরিবার পুলিশকে দায়ী করছে। ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজালাল মুন্সি জানান, ওয়ারিছ আলীসহ ৫জনের বিরুদ্ধে মিল কর্তৃপক্ষ থানায় মামলা দায়ের করেছে। তাকে থানায় কোন নির্যাতন করা হয়নি। নিটল কার্টিজ মিলের সিকিউরিটি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, আটকের পর ওয়ারিছ আলীকে সুস্থ অবস্থায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আনসারদের নির্যাতনে ওয়ারিছ আলীর মৃত্যুর ঘটনা অস্বীকার করেছেন উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সাইফ উদ্দিন।