চুয়াডাঙ্গায় রেজিস্ট্রি অফিসের ১৪ মুহুরীর লাইসেন্স বাতিল
প্রকাশ : ১৫ জুন ২০১৩, ২১:৪০
চুয়াডাঙ্গার ৩টি উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের ১৪ জন মুহুরীর লাইসেন্স বাতিল করেছে আইন ও বিচার বিভাগীয় মন্ত্রণালয়। এদের এসএসসি’র সনদপত্র ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় আইন ও বিচার বিভাগ মন্ত্রণালয় তাদের লাইসেন্স বাতিল করেছে। জেলা রেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গার ৪টি উপজেলা সদর, দামুড়হুদা, জীবননগর ও আলমডাঙ্গার সাব রেজিস্ট্রি অফিসের অধীনে যেসকল ব্যক্তি জমি রেজিস্ট্রির মুহুরী হিসেবে লাইসেন্স পেয়েছেন তাদের এসএসসি সনদপত্র সঠিক আছে কি না তা যাচাই-বাছাই শুরু হয় চলতি বছরের প্রথম দিকে। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে স্ব স্ব উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রাররা মুহুরীদের এসএসসি’র সনদপত্র অফিসে জমা দিতে বলেন। ২০০৩ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে যারা মুহুরীর লাইসেন্স করেছে তারা অফিসে সনদপত্র জমা দেয়। ওই সকল সনদপত্র যাচাই-বাছাই করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ১৪ জনের সনদপত্র ভুয়া বলে প্রমাণ পেলে তা বাতিলের জন্য আইন ও বিচার বিভাগীয় মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠান খুলনা বিভাগীয় ইন্সপেক্টর অব জেনারেল অফিসার (আইআরও) মমতাজ আরা বেগম। এর প্রেক্ষিতে আইন ও বিচার বিভাগ মন্ত্রণালয় থেকে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। যে ১৪ জনের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে উপজেলা ওয়ারী চুয়াডাঙ্গা সদরে ৮ জন। এরা হলো আবুল বাসার লাঃ নং ১৩৬, ফারুক হোসেন লাঃ নং ১৪৪, সিদ্দিকুর রহমান লাঃ নং ১৩৮, ইমতিয়াজ আলী লাঃ নং ১৪৫, আনারুল ইসলাম লাঃ নং ১২২, মাহাবুল ইসলাম লাঃ নং ১১১, মজিবর রহমান লাঃ নং ১১৯, আফসার আলী লাঃ নং ১৪২। দামুড়হুদা ৪ জন। এরা হলো ইউনুস আলী লাঃ নং ১২৪, আমিন উদ্দিন লাঃ নং ১০৬, নূও হোসেন লাঃ নং ১২২, মিয়াজ উদ্দিন লাঃ নং ১০৩। জীবননগরে ২ জন। এরা হলো রবিউল ইসলাম লাঃ নং ৯৫ ও হাবিবুর রহমান লাঃ নং ৯৩। উল্লেখ্য, জমি রেজিস্ট্রি অফিসের মুহুরীদের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হলে সর্বনিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে এসএসসি পাস।