খেতাবপ্রাপ্ত বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০১৩, ২০:৩৫
শহীদ লেঃ আবু মঈন মোঃ আসফাকুস সামাদ বীরউত্তম
জন্ম ঢাকা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র। মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর প্রথম ব্যাচে লেঃ হন। একাত্তরে ভুরুঙ্গামারী নাগেশ্বরী রণাঙ্গনে অসংখ্য সামরিক অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় মুক্তিযুদ্ধে বীরউত্তম খেতাব পাওয়া একমাত্র শহীদ।
সৈয়দ মনসুর আলী টুংকু বীরবিক্রম
জন্ম আসাম। ভারত বিভক্তির পর কুড়িগ্রামে অগমন। বিমান বাহিনীর চাকরি ছেড়ে মুসলিম লীগে যোগ দেন। কুড়িগ্রামের মানুষের কাছে তিনি ‘‘গরীবের বন্ধু টুংকু ভাই” হিসেবে পরিচিত।
শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম ঃ
জন্ম চিলমারী । মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার জন্য বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত হন। মুক্তিযুদ্ধকালীন চিলমারী ও হাতিয়া অপারেশনে তিনি বীরত্বের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন।
তারামন বিবি বীরপ্রতীক
জন্ম রাজিবপুর। দরিদ্র গৃহবধূ তারামন মুক্তিযুদ্ধের সময় হয়ে ওঠেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা । মুক্তিযুদ্ধের সময় প্লাটুন কমান্ডার মুহিব হাবিলদার তারামন বিবিকে কাজের মেয়ে হিসেবে নিলেও পরে ধর্ম মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেন। তাকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ ও গুপ্তচর বৃত্তির কাজ শেখান। যুদ্ধ ও গুপ্তচর বৃত্তি দুটোই নির্ভয়ে করেছেন তারামন।
মোঃ বদরুজ্জামান মিয়া বীরপ্রতীক
জন্ম ফুলবাড়ী। ৯ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পাকবহিনীর গোলাবষর্েণ পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। ’৭১ মার্চে তাঁর নেতৃতেই ফুলবাড়ীতে সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নিয়ে একটি ইউনিট গঠন করেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি শিরোনামে তাঁর রচিত একটি গ্রন্থ আছে।
আব্দুল হাই সরকার বীরপ্রতীক
জন্ম কুড়িগ্রাম। প্রথম ব্যাচে যে ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা ভারত থেকে রণাঙ্গনে আসেন তাদের একজন আঃ হাই সরকার। তার নেতৃত্বে ৬ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম শহর পাকহানাদার মুক্ত হয়। - জেলা প্রতিনিধি।