নাগেশ্বরীতে ৪৯টি প্রাইমারী স্কুলের পাঠ চলে গাছতলায়

নাগেশ্বরীতে ৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কক্ষের বাইরে গাছতলায় রোদ, ঝড়, বৃষ্টিতে চলছে পাঠদান। উপজেলার কুটিপায়রাডাঙ্গা, কালীগঞ্জ, শালমারা, শ্রীপুর, কুটিনাওডাঙ্গা, পূর্ব সাপখাওয়া, শিয়ালকান্দা, মনিয়ারহাট, চন্ডিপুর, রায়গঞ্জ, আজমাতা, বেরুবাড়ী ১নং, বোয়ালমারী, বুড়িহাট, ধারিয়ার পাড় মোল্লাপাড়া, লুছনী, বাগডাঙ্গা, গোপালপুর ১নং, গোপালপুর ২নং, ভিতরবন্দ ২নং, গাগলা বালিকা, নিলুরখামার, উত্তর সুখাতী, বড়মানী, মাদাইখাল, বামানডাঙ্গা, ইন্দ্রগড়, পয়ড়াডাঙ্গা, ধনীরামপুর, সাহেবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মোল্লাপাড়া, পূর্ব পয়ড়াডাঙ্গা, পশ্চিম পয়ড়াডাঙ্গা, হলদিকুড়া, শৈলমারী, ডায়নারপাড়, আরাজীকুমরপুর, ভগিরভিটা, মোক্তারকুটি, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে এগুলোর ভবন জরাজীর্ণ। ছাদে, বীমে, দেয়ালে পলেস্তারা খুলে দেখা দিয়েছে অসংখ্য ফাটল। প্রতিদিন কোন না কোন বিদ্যালয়ে পলেস্তারা খুলে পড়ে আহত হচ্ছে শিক্ষার্থী। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান করাচ্ছেন শিক্ষক। আতঙ্কিত অনেক অভিভাবক সন্তানদের বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালেয়র প্রধান শিক্ষক ফাহমিদা জাহান জানান বিদ্যালয়ের ভবন দুটি পর্যায়ক্রমে ১৯৯৪ ও ২০১১ সালে নির্মিত হলেও ইতোমধ্যে তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খুলে পড়ছে পলেস্তারা। দেখা দিয়েছে ফাটল। আতঙ্কে কক্ষে পাঠদান বন্ধ রেখে রোদ, ঝড়, বৃষ্টিতে গাছতলায় পাঠদান করানো হচ্ছে। আস্করনগর রেজি. প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদিন বলেন ভবন জরাজীর্ণ হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরে লিখিত অনুমতি নিয়ে খোলা আকাশের নিচে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান বলেন, ৪৯টি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের তালিকা জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ভবনের বাইরে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।