[ আ লো ক পা ত ]
‘বঙ্গবন্ধু’র নাম নিতে কেন দ্বিধা-সংকোচ
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০১৩, ২১:৪৭
আমাদের দেশের রাজনীতিক—বিশেষ করে রাষ্ট্রক্ষমতাপ্রিয় রাজনীতিকগণ অতুলনীয়। তাঁদের উপমা শুধু তাঁরাই। বড় দলগুলোর রাজনীতিকদের প্রধান কাজ মঞ্চ পেলে বা টেলিভিশন ক্যামেরা সামনে এলে প্রতিপক্ষকে কঠোর ভাষায় গালিগালাজ করা। এক পক্ষ কোনো প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করলে বা প্রতিপক্ষের কোনো সমালোচনা করলে তা মাটিতে পড়ার আগেই অন্য পক্ষের কাজ হয় প্রতিপক্ষকে আরো কষে বকাঝকা করা। ঝগড়াঝাটি করে সবাই জিততে চান। প্রতিপক্ষের সাথে বন্ধুত্ব তাঁরা দৃশ্যত তৈরি করতে পারেন না। ভাবখানা যে যত কড়া কড়া কথা বলতে পারবেন জনগণ তাঁদের পক্ষে থাকবে। রাজনীতিকরা ঝগড়ায় অধিক মনোনিবেশ করতে গিয়ে কখন যে ইতিহাসের সত্য উল্টে দিচ্ছেন তা যেন টেরই পাচ্ছেন না। এমন অনেক কাণ্ডের মত বিএনপি-জামায়াতের লেখায় বা নেতাদের বক্তব্যে ‘বঙ্গবন্ধু’ ছেঁটে শুধু শেখ মুজিবুর রহমান বলাটা এমনই একটি ইতিহাস অস্বীকার করা হীনমন্যতা।
আমি অনুসন্ধান করে দেখিনি কবে থেকে তারা ‘বঙ্গবন্ধু’ বলা বন্ধ করেছেন। তবে আমি প্রত্যক্ষ করি ১৯৯৬ সালে বিএনপি সরকারের শেষ সময়টাতে। এ সময় টেক্সট বুক বোর্ড মাধ্যমিক পর্যায়ে নতুন কারিকুলাম তৈরি করে এবং সেই করিকুলামে বই লেখা ও প্রকাশ করা হয়। ঘটনাক্রমে এই কাজের সাথে আমি কিছুটা যুক্ত ছিলাম। কারিকুলাম তৈরি ছাড়াও নবম-দশম শ্রেণির মানবিক শাখার ইতিহাস বইটির অন্যতম লেখক ছিলাম আমি। কোনো রকম হস্তক্ষেপ ছাড়াই আমরা পাণ্ডুলিপি রচনা করেছিলাম। কিন্তু বই প্রকাশের পর দেখলাম বেশ যত্নের সাথে ‘বঙ্গবন্ধু’ ছেঁটে ফেলে শুধু শেখ মুজিবুর রহমান রাখা হয়েছে। এ পর্যায়ে এর চেয়ে বেশি ইতিহাস বিকৃতি ঘটায়নি। এরপর নির্বাচনে জিতে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। হঠাত্ আওয়ামী বুদ্ধিজীবীদের মাথায় সম্ভবত সংস্কারের চিন্তা আসে। লেখকদের সাথে কোনো যোগাযোগ না করেই মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকাকে কিছুটা খাটো করে ফেলা হয় আর পুনর্বাসিত করা হয় ‘বঙ্গবন্ধু’। এবার চোখ ফুটে যায় বিএনপির সংস্কারকদের। ২০০১-এ সরকার গঠন করেই ইতিহাস কাটা-ছেঁড়ায় লেগে যায়।
লেখা হয় ‘২৫ মার্চের মধ্যরাতে শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে পাক বাহিনী। আওয়ামী লীগের নেতারাও পালিয়ে যান। দিকনির্দেশনাহীন জাতির মধ্যে হতাশা নেমে আসে। তখন নতুন আশার আলো নিয়ে আসেন মেজর জিয়াউর রহমান। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে হতাশ জাতিকে আবার ঐক্যবদ্ধ করেন।’ এমন বিশেষ কারখানায় তৈরি ইতিহাসই কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের পড়তে হয়। আজকের লেখায় এ প্রসঙ্গটির অবতারণা করবো না। ‘বঙ্গবন্ধু’ ব্যবহার সংকট নিয়ে আরেকটি অভিজ্ঞতা শুধু যুক্ত করবো। ২০০৫ সালে সরকার একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়। বোর্ডের বইয়ের পাশাপাশি কয়েকটি বই অবমুক্ত করে দেয়া হয়। তার মধ্যে এই ইতিহাস বইটিও ছিল। বোর্ডের নির্দেশনা মত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বই প্রকাশ করতে পারবে। এসময় একটি প্রতিষ্ঠানের হয়ে আমি এককভাবে এই বইটি লিখি। আমার চেষ্টা ছিল বানানো ইতিহাস ফেলে প্রকৃত ইতিহাসকে সংযুক্ত করা। আমি সংস্কারকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলাম। জানি ‘বঙ্গবন্ধু’তে এলার্জি আছে। তাই সব জায়গায় সতর্কভাবে ‘বঙ্গবন্ধু’ ব্যবহার করলাম। যাতে নির্দেশনা মত সংস্কারকরা বঙ্গবন্ধু ছাঁটাই করতে গিয়ে অন্যদিকে দৃষ্টি দিতে না পারেন। এভাবেই সেই যাত্রায় ইতিহাস কিছুটা রক্ষা পেয়েছিল আমার বইটিতে। আমার মনে আছে বিষয়টি এদেশে কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করতে না পারলেও বিবিসি বাংলার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছিল। বিবিসি এই বিষয়টি নিয়ে আমার সাক্ষাত্কার প্রচার করেছিল।
বঙ্গবন্ধু বলতে বা লিখতে আজ যাদের দলীয় রাজনীতির বিধিনিষেধ আছে তাদের কি জানা নেই ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিটি আওয়ামী লীগের কোনো দলীয় উপাধি নয়? ‘দেশনেত্রী’ বা ‘জননেত্রী’ ধরনের উপাধি নয় এটি, যা যার যার দলীয় নেতা-নেত্রীর উচ্চারণ করা ফরজ। যাদের এসব উপাধি ব্যবহার করতে ইচ্ছে হবে না তারা তা ছেঁটে দিলে অমার্জিত কোনো অপরাধ হবে না। কিন্তু ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিটির ঐতিহাসিকতা রয়েছে। এটি সাধারণ বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত শ্রদ্ধার্ঘ। তাই সতর্কভাবে বঙ্গবন্ধু না বলাটা ইতিহাসকে অস্বীকার করা। বঙ্গবন্ধু তাঁর নিরলস সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালির মুক্তি আনতে চেয়েছিলেন। এরই কৃতজ্ঞ প্রতিদান ছিল ‘বঙ্গবন্ধু’ অভিধায় অভিহিত করা।
যুগের বা সময়ের প্রয়োজনে প্রকৃতি থেকে হঠাত্ জন্ম নেননি শেখ মুজিব। বাঙালির প্রতিবাদী আন্দোলনের সঙ্গে তরুণ শেখ মুজিব শুরু থেকেই নিজেকে যুক্ত করেছেন। তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। পাকিস্তান নামের রাষ্ট্র জন্মের পরপরই ভাষার প্রশ্নে দ্বন্দ্ব শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাঙালির অধিকার সংরক্ষণের প্রশ্ন আওয়ামী মুসলিম লীগ জন্মের নিয়ামক ছিল। তরুণ শেখ মুজিব কিন্তু এর আগেই নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছিলেন রাজনীতির সঙ্গে। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন তিনি। পরের বছর আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি নিজ যোগ্যতায় এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদকের পদ লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ দলটি অসামপ্রদায়িক ঘোষণা করে দলের নতুন নামকরণ করে আওয়ামী লীগ। ততক্ষণে শেখ মুজিবের রাজনৈতিক পরিপক্বতা একটি বিশেষ মানে পৌঁছে গেছে। আর এর স্বীকৃতি হিসেবে দেখা যায় তিনি ১৯৫৩ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
মোহভঙ্গ বাঙালির অধিকার আদায়ের প্রশ্নে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ইতোমধ্যে শেরেবাংলা ফজলুল হকের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে কৃষক প্রজা পার্টি। ষাটের দশকের শুরুর দিকেই আইয়ুব খানের শোষক চরিত্র স্পষ্ট হয়ে পড়ে বাঙালির কাছে।
১৯৬১ সালের শেষদিক থেকেই আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সূত্রপাত হয় পূর্ব পাকিস্তানে। আন্দোলন বেগবান হওয়ার পথ তৈরি হয় ১৯৬২ সালে। এ সময় শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট বিক্ষুব্ধ করে তোলে ছাত্র-শিক্ষক সমাজকে। ক্রমে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলন ব্যাপক গণ-আন্দোলনে রূপ লাভ করে। গণতন্ত্র প্রবর্তন ও মানবিক অধিকারের জন্য নতুন শ্লোগান যুক্ত হয়। এই গণ-আন্দোলনের নেতৃত্বের সামনের সারিতে এসে দাঁড়ান শেখ মুজিবর রহমান। এ বছরই ২৯ সেপ্টেম্বর পল্টনের সমাবেশে ভাষণ দেন শেখ মুজিব, মওলানা ভাসানী ও আবুল কাশেম। এভাবে ক্রমে নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় চলে আসেন শেখ মুজিব। শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ স্বায়ত্তশাসনের দাবি উত্থাপনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। ছাত্রলীগও পাশে এসে দাঁড়ায়।
এর মধ্যে ১৯৬৩-তে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মৃত্যুবরণ করেন। আন্দোলনের নেতৃত্ব দানকারী আওয়ামী লীগের হাল এবার শক্ত করে ধরেন শেখ মুজিবুর রহমান। আওয়ামী লীগের এই যোগ্য সাধারণ সম্পাদক এলিট শ্রেণির সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে সক্ষম হন। আইয়ুব খান ঘোষণা করেন মৌলিক গণতন্ত্রের ভিত্তিতে ১৯৬৫ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন দানা বেঁধে উঠছিল। পল্টনের জনসভায় শেখ মুজিব ও মওলানা ভাসানী সমস্বরে আওয়াজ তোলেন ‘মৌলিক গণতন্ত্র নয়, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকার চাই।’ নেতৃত্বের আপসহীন মনোভাবের মুখে আইয়ুব খান ভিন্ন পথ ধরলেন। বাঁধিয়ে দিলেন সামপ্রদায়িক দাঙ্গা।
শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হলো। আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে ‘কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি’ বা ‘কপ’ গঠিত হলো। এই ‘কপ’ গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন শেখ মুজিব। কপের পক্ষ থেকে ফাতেমা জিন্নাহকে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হলো। নির্বাচনের প্রধান সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন শেখ মুজিব। নির্বাচনের সার্বিক তদারকির জন্য তাঁকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়। নির্বাচনে আইয়ুব খান জয়ী হয়েছিলেন। এর অন্যতম কারণ ছিল কতিপয় বাঙালি নেতৃত্বের শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী তত্পরতা থেকে অজ্ঞাত কারণে পিছিয়ে আসা। আইয়ুব খান জয়ী হয়েছিলেন বটে, কিন্তু এই নির্বাচনে যে আইয়ুববিরোধী মোর্চা গড়ে ওঠে তা ভবিষ্যতে আইয়ুবের পতনের প্রধান কারণ হয়।
নির্বাচনে জয়লাভের পর আইয়ুব সরকার বাঙালির ওপর অত্যাচার বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এনএসএফ বা জাতীয় ছাত্র ফেডারেশন নামে একটি গুণ্ডা বাহিনী গড়ে তোলা হয়। এর মধ্যে ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এসব অরাজকতার মধ্যে মুজিব তাঁর বিখ্যাত ৬-দফা উত্থাপন করেন। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক শোষণ-নিপীড়ন ও অত্যাচারে বাঙালির জীবন যখন অতিষ্ঠ, তখনই ৬-দফা উপস্থাপিত হয়। চরম নিপীড়নের সেই সময়টিতে ৬-দফার মতো কর্মসূচি জনগণের সামনে ব্যাপক প্রচারের জন্য নৈতিক সাহসের প্রয়োজন ছিল। শেখ মুজিবুর রহমান সেই সাহস নিয়েই অগ্রসর হয়েছিলেন।
১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি হন শেখ মুজিব। ততক্ষণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ৬-দফা ব্যাপক প্রচারিত হতে থাকে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ তার জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠে যায়। আইয়ুব শাসনের বড় সময়েই শেখ মুজিব কারারুদ্ধ ছিলেন। প্রথমে ১৯৫৮ সাল থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত এবং পরে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত। ১৯৬৯-এ প্রবল গণবিদ্রোহের মুখে আইয়ুব সরকার শেখ মুজিবকে নিঃশর্তে মুক্তি দিতে বাধ্য হন। মুক্তির পরদিন অর্থাত্ ২৩ ফেব্রুয়ারি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করে। এই সভাতেই তাঁদের শ্রদ্ধা ও ভালবাসার নিদর্শন হিসেবে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। লক্ষ লক্ষ জনতা হাততালি দিয়ে সমর্থন জানায়। এরপর থেকে শেখ মুজিব নামের সাথে ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দটি ইতিহাসের নিরিখে অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে যায়। (দুঃখের বিষয় হলো, পরবর্তীতে এই সর্বজনীন ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিকে দলীয়করণ দৃষ্টিভঙ্গিতে সীমিত করা হয়— যা কোনোভাবেই অভিপ্রেত ছিল না।)
৬-দফার ভেতরেই জেগে ওঠে বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা। এর শেষ পরিণতি ছিল মুক্তিযুদ্ধ। সুতরাং দেখা যাচ্ছে শেখ মুজিব সুযোগের সুবিধায় আবির্ভূত কোন নেতা নন। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় ইতিহাসের সোপান বেয়ে বাঙালির ভালবাসা থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়েছিলেন। তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যদের সঙ্গে হত্যা করে, অপবাদ ছড়িয়ে ইতিহাসকে আড়াল করা সম্ভব নয়। ইতিহাস সৃষ্টি হয় অনেক আত্মত্যাগের মধ্যদিয়ে। বাংলার মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগ ইতিহাসে তাঁর অমরত্বকেই নিশ্চিত করেছে। আর এতটা বছর অতিক্রমের পর সংকীর্ণ রাজনৈতিক চিন্তায় যারা ‘বঙ্গবন্ধু’ বলতে দ্বিধান্বিত হন তারা ইতিহাস-মূর্খ অথবা হীনমন্যতায় ভোগা অপরিণামদর্শী। কারণ বঙ্গবন্ধু শব্দটি কেবলই ইতিহাসের।
লেখক :অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
shahnawaz7b@gmail.com