সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)

সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন আবার আসবে সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন কথাটি পুরোপুরি সত্য। কেননা বর্তমান বিরোধী দল সরকারি দলকে কখনো সাপোর্ট করে না। আর বিরোধীদের চাওয়া আকাশ সমান হয়। ফলে সন্ত্রাসবাদের সৃষ্টি হয়। এই সকল কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হচ্ছে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা। তাই সকল দলের উচিত ছাত্রসমাজকে এই অপ-রাজনীতি থেকে মুক্তি দেয়া। আর শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু রাজনীতির পরিবেশ আনতে হলে এই দেশে আবার ওয়ান ইলেভেন প্রয়োজন। রাজনীতির মাঠটা কারো কেনা বাপের সম্পত্তি নয়। আমরা গণতন্ত্রের পূজারী, কোন রাজতন্ত্রের নয়। যারা রাজনীতি করে তারা এটাকে সবসময় নোংরা করে রাখে। তাই বাংলাদেশে ওয়ান ইলেভেনের মত একটা কিছু দরকার। ওয়ান ইলেভেনের মাধ্যমে আমরা সুন্দর একটি জাতিতে রূপান্তরিত হতে পারি। আমরা শিক্ষিত সমাজ যদি অধিকার সম্বন্ধে সচেতন হই এবং সঠিক লোক নির্বাচন করি তাহলে এই সকল ওয়ান ইলেভেন আর সৃষ্টি হবে না। রাজনীতিকে পেশা নয় দেশের জন্য করতে হবে। আমরা ভুলে যাই যে, আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের। এখানে যে কারো নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ থাকে, আর নেতৃত্ব দেয়ার জন্য শিক্ষিত নাগরিকদের এগিয়ে আসা উচিত। আমি মনে করি পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি না করে দেশের জন্য রাজনীতি করা। সবশেষ আমি মনে করি এই সকল অপ-রাজনীতি দূর করার জন্য দেশে ওয়ান ইলেভেনের মত দরকার। কাজী মনির ম্যানেজমেন্ট বিভাগ. নিউ মডেল কলেজ --- সমঝোতার মাধ্যমে একটি উত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে সংঘাত, সহিংসতা কোন ব্যক্তি কিংবা রাষ্ট্রের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল ষোল কোটি মানুষের ভবিষ্যতের ভাগ্য নিয়ে মরণ খেলায় মেতে উঠেছে। তাতে ক্ষতি হবে নিজের দলের, দেশের এবং তা আরো বেশি প্রভাব পড়বে বর্তমান তরুণ সমাজের উপর। সামনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালীন বর্তমান সরকারের রূপ রেখা কি হবে তা এখনো সবার কাছে ধোয়াশে! এদিকে প্রধান বিরোধী দল রাজনীতির মাঠ বেশ গরম করে তুলছে। ফলে সংঘাত এবং সহিংসতার কিছুটা পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেই সুযোগ বুঝে ২০০৬ সালের মতো ওয়ান ইলেভেনের সমর্থিত ব্যক্তিরা অবশ্যই সুযোগ নিতে চাইবে। তাই দেশের এবং গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য প্রধান দুই দলকেই কিছু দলের স্বার্থ ত্যাগ করে ফলপ্রসূ আলোচনায় বসতে হবে। হয়তো এই সমঝোতার মাধ্যমে একটি উত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। বিদ্যুত্ দেব বিএসএস ২য় বর্ষ, (বাউবি) মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম --- দেশের উন্নতি নির্ভর করে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থার উপর যে কোন দেশের উন্নতি নির্ভর করে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থার উপর। দেশের রাজনৈতিক অবস্থা মন্দা হলে গোটা জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে আমাদের দেশে রাজনৈতিক অবস্থা খুবই নাজুক। দেশের রাজনৈতিক বিভক্ত হয়ে গেছে যার কারণে গোটা দেশে দেখা যাচ্ছে অরাজকতা আর সহিংসতা। ফলে আবারো জাতি এগিয়ে যাচ্ছে সেই ওয়ান ইলেভেনের দিকে যার ফলস্বরূপ দেশ মুখ থুবড়ে পড়বে। জাতির উন্নতিতে তা ব্যাপক হুমকিস্বরূপ। সমাধান এর কথা চিন্তা করলে প্রথমত, আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হলে সেই ওয়ান ইলেভেন আবারো দেখতে পাবো। যেটা কারো কাম্য নয়। তাই দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা হলো যথাযথ সমঝোতার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ্অবস্থাকে শিথিল করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়া। মমরেজ আরিফা হ্যাপি ২য় বর্ষ, প্রাণিবিদ্যা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। --- দেশের পরিস্থিতি আবারো যাচ্ছে ওয়ান ইলেভেনের দিকে রাজনৈতিক অবস্থার উপর নির্ভর করে একটা দেশের উন্নতি। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ, আমাদের দেশের মানুষ ভোট দিয়ে দেশের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে। তারা নির্বাচন ক্্্্্্্্্্্্্্্রে এমন কিছু মানুষকে যাদের দে;শ চালানোরযোগ্য মনে করে। তাদের আশা থাকে আগের চেয়ে আরো উন্নত জীবনযাপন করা কিন্তু আমাদের দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রচুর বাড়ছে। রাজনীতিবিদরা যা খুশি তা করছে। তারা জাতীয় স্বার্থের কথা না ভেবে ব্যক্তি স্বার্থের কথা চিন্তা করে। তাছাড়া দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নেই কোন মতের মিল। তারা শুধু দলীয় স্বার্থের কথাই ভাবে। তাইতো দেশের অরাজকতা বেড়ে্ই চলেছে। দেশ বর্তমানে হুমকির মুখে। দেশের পরিস্থিতি আবারো ফিরে যাচ্ছে ওয়ান ইলেভেনের দিকে। তা মোটেও কাম্য নয়। তাই সমঝোতার মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশকে এই অস্থিরতা থেকে মুক্ত করবে—এই প্রত্যাশা সকলের। তাহনিয়া বাশার তানি উদ্ভিদবিজ্ঞান, ২য় বর্ষ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।