সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০১৩, ২২:২৪
দেশের কল্যাণে সমঝোতা আবশ্যক
দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ। দেশের দুর্দিনে যারা এগিয়ে আসে তারাই প্রকৃত দেশপ্রেমিক। বাংলাদেশে দেশপ্রেমিক আছে বলেই আজ অনেক ক্ষেত্রে উন্নতি করা সম্ভব হয়েছে। আগামী নির্বাচনের বিষয়টা কমবেশি সবার কাছে একটা আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবাই চায় অবাধ, সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। এক্ষেত্রে দেশের দুই নেত্রী এক হয়ে সমঝোতায় এসে দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশের আপামর জনগণ চায় যে দলই ক্ষমতায় আসুক যেন তারা দেশের জন্য কাজ করে, দেশের মানুষের জন্য কাজ করে, দেশের সার্বিক অবস্থার উন্নতির জন্য কাজ করে। দুই দলের মধ্যে সমঝোতা না হলে দেশে এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করবে। সুতরাং দেশের মানুষের স্বার্থে আঘাতহানে এমন কাজ যেন রাজনৈতিক দল না করে। আমরা এমনটাই আশা করি।
আকাশ আহমেদ জারসা
বিএসএস এন্ড ফাস্ট ইয়ার-৩২১০,
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
০০০০
আর নয় ওয়ান ইলেভেন, আর নয় গণতন্ত্রের মুখে তালা
তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে দুই নেত্রীর মধ্যকার বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিবে। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিকামী। অশুভ শক্তির উত্থান আর কাম্য নয়। বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে বিজয় লাভ করলেও ততটা উন্নয়নের মুখ দেখাতে পারেনি। অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বিভিন্ন ব্যর্থতা এসে ঘাড়ে চাপে। মুখ থুবড়ে পড়ে সরকারের জনপ্রিয়তা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়েও রয়েছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন। হলমার্ক, ডেসটিনি, পদ্মাসেতু, শেয়ার মার্কেট ও হেফাজত দমন ইত্যাদি ইস্যু জনগণের মনে সৃষ্টি করে নানা দ্বিধা ও শঙ্কা। চার সিটি নির্বাচনে বিএনপির বিজয় তারই বহিঃপ্রকাশ। ঠিক এই মুহূর্তে তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত নাজুক পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে দেশকে। বিশিষ্টজনরা তারই ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বৈরাচারী আচরণ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আর নয় ওয়ান ইলেভেন। আর নয় গণতন্ত্রের মুখে তালা। তৃতীয় শক্তিকে আসার পথ বন্ধ করতে হবে অত্যন্ত সচেতনভাবে। মন্ত্রী আমলা থেকে শুরু করে সর্বস্তরের জনগণকে এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। আলোচনাই সমাধানের একমাত্র পথ। গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন সতর্ক পদক্ষেপ। দুই নেত্রীকে এজন্য একটা গ্রহণযোগ্য ও সহজ পথ বের করতে হবে।
শরীয়তুল্লাহ,
সরকারি হোমিওপেথিক মেডিক্যাল কলেজ,
মিরপুর-১৪, ঢাকা
০০০০
সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন
নিশ্চিত
আমাদের দেশ কিভাবে উন্নতি করা যায়, সেটা খেয়াল রেখে সামনে দিনগুলোতে সেভাবে পদক্ষেপ নিলে দেশ সুন্দরভাবে চলবে এবং আগামীদিনগুলোতে যে নতুন সরকার আসবে সেও চালাতে পারবে কিন্তু এখন বর্তমানে যা দেখা যাচ্ছে, দু’পক্ষ তো বসতে রাজি নয়, তারা ক্ষমতা দখল করতে চায়। কিন্তু আমার কথা হলো যে আমি যদি ভাল হই তাহলে আমার কোনো মাথা ব্যথা থাকবে না। আমি তো চিন্তামুক্ত থাকতে পারবো। ভাল কাজ করলে জনগণই তো সাপোর্ট দিয়ে জয় এনে দিবেন। সকল কিছু তো একদিন শেষ হবে। সবার তো একদিন চলে যেতে হবে। কিছুই তো সাথে নিতে পারবো না। হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে যদি এক সাথে কাজ করে তাহলে আমাদের বাংলাদেশ এক উন্নত দেশ হিসাবে বিশ্বের দরবারে পরিচিত হবে। আর কোনো জঙ্গি বোমা মারবে না। নিরীহ লোক প্রাণ হারাবে না। আর কোনো ১/১১ এর মত ওয়ান ইলেভেন আসবে না। আর যদি দু’দল সমঝোতায় না যায় তাহলে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।
মো. মোশারফ হোসেন সোহাগ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
চট্টগ্রাম
০০০০
সমঝোতা না হলে দেশের অবস্থা ওয়ান ইলেভেন থেকেও ভয়ঙ্কর হবে
বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় অশান্তির কালো ছায়া সর্বত্র বিস্তার করছে। সাধারণ মানুষসহ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনেও হতাশার চিহ্ন লক্ষ্য করা যায়। অনেকে মনে করেন নীলনদের দেশ মিশরের মতো বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা অচল হয়ে পড়বে। যদি তাই হয় তা হলে বাংলাদেশের অবস্থা ওয়ান ইলেভেন থেকেও ভয়ঙ্কর হবে। বাংলাদেশের ক্ষমতার দিক লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ ক্ষমতার সিংহাসনের অধিকারী হন। তাই এই দু’দলের উচিত সমঝোতার মনোভাব নিয়ে নির্বাচনের পথে অগ্রসর হওয়া। আর যদি সমঝোতার মাধ্যমে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, দু’দল যদি কোন ছাড় না দেয়, তারা যদি নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকে তা হলে দেশের অবস্থা হবে ওয়ান ইলেভেনের মতো কিংবা এর থেকেও ভয়ঙ্কর। হয় তো বা তৃতীয় কোন পক্ষ সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ক্ষমতার সিংহাসনে বসবে। যদি তাই হয় তা হলে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়বে। দেশে অশান্তি সৃষ্টি হবে।
মো. আবদুর রহমান সুমন
সরকারি তোলারাম কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়,
বি.এসএস, নারায়ণগঞ্জ