রাজনীতিতে আসছেন জুকারবার্গ!

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ প্রথমবারের মতো অভিবাসন সংস্কারের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। এর মধ্যদিয়ে তিনি রাজনীতিতে আসছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৯ বছর বয়সে মার্ক জুকারবার্গ অভিজাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে ছাত্রদের জন্য ইন্টারনেটভিত্তিক একটি ছোট নেটওয়ার্ক স্থাপন করেন, যার মাধ্যমে ছাত্ররা একে অন্যের সাথে যোগাযোগ এবং মতবিনিময় করতে পারে। এই ছোট নেটওয়ার্কই ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচাইতে জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুক। এর মধ্যদিয়ে জুকারবার্গ হয়ে ওঠেন সর্বকনিষ্ঠ ‘আত্মপ্রতিষ্ঠিত’ বিলিওনার। ২৯ বছর বয়সী এই ধনকুবের সানফ্রান্সিসকোতে গত ৫ আগস্ট অভিবাসন সংস্কার সম্পর্কে তার ঐ মন্তব্য করেন। এই সংস্কার দেশের ভবিষ্যতের জন্য সত্যিই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মনে করেন জুকারবার্গ। জুকারবার্গ এবং তার প্রাক্তন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রুমমেট জো গ্রিন সমপ্রতি গঠন করেছেন এফডাব্লুডি ডট ইউএস প্রতিষ্ঠান। এর লক্ষ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় এক কোটি ১০ লাখ অভিবাসীদের জন্য নাগরিকত্ব পাওয়ার একটি সঠিক পথ খুঁজে পাওয়া। এই প্লাটফর্ম সমর্থকদের মধ্যে রয়েছেন গুগলের চেয়ারম্যান বোর্ডের নির্দেশক এরিক শ্মিট, ন্যাটফ্লিক্স-প্রধান রিড হেস্টিংস এবং ইয়াহুর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেরিসা মায়ার এবং আরো অনেকে। জানা গেছে, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে একটি স্কুলে বাণিজ্যিক বিভাগে ক্লাস নেয়ার সময়ই মার্ক প্রথম ইমিগ্রেশন সিস্টেম পরিবর্তন করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠেন। তিনি লক্ষ্য করেন, বহু প্রতিভাবান ছাত্রকে অবৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছে। তার মতে, তাদের জন্ম কোথায় সেটা কোনো ব্যাপার নয়, আসলে এরাই আগামীকালের উদ্যোগী মানুষ এবং এদেশে ভবিষ্যত্ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। —খবর ডয়েচে ভেলের।