[ রা জ নী তি ]
রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত কথা ও কাজ
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:০২
দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নানা কথার মাঝে এ অভিযোগও করলেন যে, প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বিরোধী নেত্রীর বিষয়ে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত’ বক্তব্য রেখেছেন। তিনি আহ্বান জানালেন, এ ধরনের বক্তব্য যেন পরিহার করা হয়। জাতীয় সংসদে কেউ শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য রাখলে তা ‘এক্সপাঞ্জ’ করার রীতি রয়েছে। দাবি না উঠলেও কখনো কখনো স্পিকার নিজেই তা করার ঘোষণা দেন। শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য দিতে থাকলে কারো কারো মাইকও বন্ধ করে দেন দায়িত্বশীল স্পিকার। কিছুদিন আগে সংসদের বাজেট অধিবেশনে দু’দিক থেকেই এতো বাজে কথাবার্তা হয়েছে যে, প্রশ্ন উঠেছে— এমন পরিস্থিতিতে বক্তাকে অধিবেশন কক্ষ থেকে সাময়িকভাবে হলেও বহিষ্কার করা যায় কিনা। এখন কথা হলো, সংসদের বাইরে অর্থাত্ ময়দানে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা নেতা-নেত্রীরাই যদি রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য দেন বা দিতে থাকেন, তাদের থামাবে কে? সভা-সমাবেশে উপস্থিত থেকে যারা এসব শোনেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের অনেকে সেগুলো উপভোগ করেন বলেই মনে হয়। শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্যে এ দেশে হাততালিও মেলে। এতে দলের প্রতি নিষ্ঠাবান সমর্থকদের ভোট কমে বলেও মনে হয় না। নিজ সমর্থকগোষ্ঠীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হলে সংসদ ও সংসদের বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য দেয়ার প্রবণতা কিন্তু কমতো। শীর্ষ নেতা-নেত্রীরা অধঃস্তনদের মুখ দিয়ে এ ধরনের বক্তব্য নির্গত করাতেও উত্সাহী হতেন না। এজন্য তাদের বরং শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হতো। ৩০ আগস্ট রাজধানীতে আয়োজিত জনসভায় বহুল আলোচিত একটি প্রসঙ্গে বিরোধী নেত্রীর প্রতিক্রিয়ার জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন, সে রকম কথা কিন্তু এর আগে বলেছেন একজন মন্ত্রী। ‘পরচুলা’ বিষয়ক বক্তব্যটি তিনিই প্রথম আলোচনায় আনেন। হয় তিনি প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব বুঝতে পেরেই বক্তব্যটি রেখেছিলেন কিংবা পছন্দ হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্য অনুসরণ করে পরে আরো কিছু কথা বললেন বহু লোকের সামনে। নিবন্ধে এসব নতুন করে তুলে ধরাটাও হয়তো শিষ্টাচারবহির্ভূত হবে। সে কাজে সচেতনভাবে বিরত থাকলাম। সংসদে শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দিলেও বিভিন্নভাবে মানুষের তা জানা হয়ে যায়। সেগুলো বেশি আলোচিতও হয়। ‘চুল’ বিষয়ে দেশের রাজনীতির প্রথম কাতারে বিরাজমানরা এ পর্যন্ত যা বললেন, তা থেকে কেউ পিছিয়ে আসবেন বলে আশা করা যাচ্ছে না। ময়দানে রাখা শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেয়ার দৃষ্টান্ত কি এ দেশে রয়েছে? সেটি নেই বলেই হয়তো ফখরুল সাহেব আহ্বান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী যেন এ ধরনের উক্তি ‘পরিহার’ করেন অর্থাত্ ভবিষ্যতে আর না বলেন।
বিএনপির এ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে শিষ্টাচারপূর্ণ বক্তব্যই আমরা রাখতে দেখি। তিনি একজন ভদ্রলোক রাজনীতিক। সম্প্রতি তাকেও কিন্তু দেখা গেল শেখ হাসিনা চড়া দামে পেঁয়াজ ‘খাওয়াচ্ছে’ বলে বক্তব্য রাখতে। প্রধানমন্ত্রীর পিতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে টেনে আনতেও তিনি ভোলেননি। তা আনুন। কিন্তু সেক্ষেত্রেও বললেন—শেখ মুজিব কত দামে লবণ ‘খাইয়েছে’। সাধারণ মানুষ অনেক ক্ষেত্রেই আপনি-তুমি’র তফাত্ না করে বক্তব্য দিয়ে থাকলেও মির্জা সাহেবের কাছ থেকে এটা কাম্য ছিল না। কোনো কোনো সংবাদপত্র আজকাল রাজনীতিকদের বক্তব্য হুবহু তুলে দেয় উদ্ধৃতি চিহ্ন দিয়ে। প্রতিবাদের জো নেই। তাদের বক্তব্য আজকাল মোবাইল ফোনেও রেকর্ড করা থাকে। আর ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তো শোনা যায় অবিকৃতভাবে। সুতরাং শিষ্টাচারবহির্ভূত বা আবোল-তাবোল বক্তব্য রেখে আগেকার দিনের মতো অস্বীকারের সুযোগ আর নেই। বক্তব্য প্রদানে রাজনীতিকদের এখন তাই অনেক সতর্ক হতে হবে। সম্প্রতি এক মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই একটি সভায় বলে বসলেন ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে’ প্রতিপক্ষ একটি দল বা গোষ্ঠীর লোকদের হত্যার কথা। আবেগের বশে বা দলে অবস্থান মজবুত করতেই হয়তো তিনি বলেছেন অমন কথা। ‘মিন’ করে বলেননি বলেই মনে হয়। কিন্তু সেভাবে না বললেও মিডিয়ায় বক্তব্যটি এসে গেছে। তা নিয়ে নিজেদের পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে অগ্রজ এক সাংবাদিক প্রশ্ন তুলে বসলেন, মন্ত্রী কি তাহলে হত্যার অধিকার চাইছেন? ওই কলামের ওপর পাঠকের বেশ কিছু মন্তব্যও পাওয়া গেল সেখানে। তাদের অনেকে ক্ষুব্ধ; কাউকে কাউকে আবার করতে দেখা গেল রসিকতা। লোকে যখন আশা করতে ভুলে যায়, তখন রসিকতা করে। কিছু তো করতে হবে! আলোচিত মন্ত্রী কিন্তু তার ভয়ঙ্কর উক্তিটি প্রত্যাহার করেননি। দলে এজন্য নিন্দিতও হননি তিনি। আমরা কি এখন এটুকু আশা করতে পারি, এমনি ধারার উক্তি মন্ত্রী মহোদয় ‘পরিহার’ করবেন অন্তত?
বিরোধী নেত্রীর বক্তব্য ধরে বা তার বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মাঝে মধ্যেই এমন বক্তব্য দেন বা দিয়ে বসেন যে, সাধারণভাবে তাকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবিবর্জিত বলেই মনে হয়। রাজধানীর ওই জনসভায় বেগম জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর তার কান্না নিয়ে যে মন্তব্য তিনি করেছেন, সেটিও অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে করা এমন উক্তিতে বিরোধী নেত্রীর প্রতি মানুষের সহানুভূতি বরং বেড়ে উঠতে পারে। ভেবে একটু অবাক হতে হয়, এসব বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে (অর্থাত্ আরো বলিষ্ঠ) বক্তব্য দেয়াটা কি কঠিন কিছু? বিরোধী নেত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে হেয় বা আক্রমণ না করে কি তার কথা ও কাজ বা রাজনীতিকে মোকাবিলা করা অসম্ভব? প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়ার অনেক কর্মকাণ্ডে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সঙ্গত কারণেই ক্ষুব্ধ, এটা আমরা বুঝতে পারি। যেমন-ওই জনসভাতেই তিনি বললেন—তত্কালীন সেনাশাসক জিয়া তাকে বঙ্গবন্ধুর সেই বাড়িতে ঢোকার অনুমতি পর্যন্ত দেননি। বাড়ির সামনে রাস্তায় বসে মিলাদ পড়াতে হয়েছিল ১৫ আগস্টে নিহতদের জন্য। শেখ হাসিনার পক্ষে এ স্মৃতি সত্যিই ভোলার নয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এটি দিয়ে কি তিনি চালিত হবেন এতদিন পরও? বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের তো বিচার হয়েছে এবং সেটি তার সরকার দ্বারাই হয়েছে সম্পন্ন। জঘন্য সে খুনিদের শাস্তি কার্যকর হচ্ছে। এর আগে জিয়াউর রহমানও হয়েছেন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার। হত্যা ও ক্যু’র ঘৃণিত রাজনীতি পেছনে ফেলে এদেশে গণতন্ত্র অন্তত নির্বাচনী গণতন্ত্র হয়ে উঠেছে। তাতে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় আসছে নিয়ম করে—প্রতিপক্ষের মেয়াদ শেষেই। পঁচাত্তর পরবর্তী রক্তাক্ত স্মৃতি কি এখন একটু কম চালিত করার কথা নয়? অবশ্য এটা ঠিক, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড থেকে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া শেখ হাসিনাকে তার সিনিয়র সহকর্মীসহ হত্যার একটা ঘৃণ্য চেষ্টা নেয়া হয়েছিল বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে। আওয়ামী লীগ এজন্য সরাসরি দায়ী করে বেগম জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ তার সরকার ও দলের কয়েকজনকে। কিন্তু সমস্যা হলো, তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলেও বিচারিক আদালতে তারা অভিযুক্ত হননি এখনো। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বিপুলভাবে ক্ষমতায় ফিরে এসেও কাজটি সম্পন্ন করতে পারেনি কেন, তার কোনো সদুত্তর কি রয়েছে? আইনগত প্রক্রিয়াতেই কিন্তু এ গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে। সেটি করতে না পেরে ক্রুদ্ধ হয়ে বেগম জিয়া ও তার পুত্রদের বিষয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে কী লাভ? এতে উল্টো হয়তো কিছুটা দুর্বলতাই প্রকাশ পাচ্ছে। বেগম জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ‘পাচারকৃত অর্থ’ ফেরত আনার বিষয়েও বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এমন দু’-একটি ঘটনায় বিএনপির জনসমর্থন কমবে বলে কিন্তু মনে হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী নিজে এসব বিষয়ে বারবার বক্তব্য দেয়ার চাইতে তথ্যপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশই কার্যকর বলে বিবেচিত হবে। চাই তো সরকার ও দলের সাধারণ পর্যায়ের লোকজন এ নিয়ে বক্তব্য রাখতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীকে কেন সব বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখতে হবে এবং সেটি কটাক্ষ করে?
১৫ আগস্টে বিরোধী নেত্রীর জন্মদিন পালন নিয়ে ওই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য রেখেছেন, সেটিকে অবশ্য অনেকেই গুরুত্বের সঙ্গে নেবেন। তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, বিরোধী নেত্রী ১৯৯২ সাল থেকে ওই বিশেষ দিনে জন্মদিন পালন করতে শুরু করেছেন কি প্রধানমন্ত্রীকে কষ্ট দেয়ার জন্য? মোক্ষম প্রশ্ন বটে। কিন্তু এ পয়েন্টটিও তিনি তুললেন বিরোধী নেত্রী কীভাবে জন্মদিন পালন করছেন, তা বর্ণনা করে। ‘সাজুগুজু’ করেই তো মানুষ জন্মদিন পালন করে। বিরোধী নেত্রী তার জন্মদিনে সেটি করে থাকলে দোষণীয় কিছু করেননি। এমনিতেও তিনি একটু সাজগোজ করে থাকেন। সেটিও দোষণীয় নয়। অনেকে তা বরং পছন্দ করে। এসব তো আলোচনার কোনো বিষয় নয়। আলোচনা বরং করা যেতে পারে, ১৫ আগস্ট বেগম জিয়ার জেনুইন জন্মদিন হলেও জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার এ শোকাবহ দিনটিতে ঘটা করে জন্মদিন পালন করাটা তার পক্ষে সঙ্গত কিনা, অর্থাত্ ‘পলিটিক্যালি কারেক্ট’ কিনা। বেগম জিয়া ও তার দলের সমর্থকগোষ্ঠী কিন্তু এটাকে বেঠিক কাজ মনে করছে না। এতে তার ভোট কমছে বলেও মনে হয় না। কমলে বিএনপিতে বোধোদয় হতো। নেতা-নেত্রীদের কথা ও কাজ পর্যালোচনার সময় আমরা তাদের অন্ধ সমর্থকগোষ্ঠীর কথা আনি না বললেই চলে। এতে পর্যালোচনা অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে। রাজনৈতিক চালচিত্র না বদলানোর একটা বড় কারণ থেকে যাচ্ছে অনালোচিত। তবে হ্যাঁ, নেতা-নেত্রীদেরও দায়িত্ব রয়েছে পরিবর্তিত সময়ে নতুন কথা ও কাজ দিয়ে সমর্থকগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করার। সেটি তারা করছেন না; করার তাগিদও হয়তো অনুভব করছেন না কিংবা করতে অক্ষম।
তুলনায় কম হলেও বেগম জিয়াও রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য দিয়ে থাকেন। তবে তার একটি বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়, সেটি হলো থেমে যাওয়া বা নিজে থেকে বিতর্কিত ইস্যুতে কিছু আর না বলা। রাজনৈতিকভাবে দায়িত্বহীন বা উস্কানিমূলক বক্তব্যও তাকে যথাসম্ভব কম দিতে হবে। হেফাজতে ইসলামের ঘটনাবহুল অবরোধের দিন ‘ঢাকাবাসীর প্রতি’ তার আহ্বান ও অপারেশন শাপলা চত্বর বিষয়ে তার ঢালাও বক্তব্য কিন্তু শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ গ্রহণ করেনি। আমাদের মতো দেশে এগুলো তার হাতে সাময়িক ফায়দা তুলে দিলেও রাজনীতি ও দেশ পরিচালনায় এর ফল বিষময় হতে বাধ্য। মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার নিয়েও নানা সময়ে তিনি করে বসেছেন অসতর্ক ও ঢালাও মন্তব্য। এগুলোয় সরকার, বিশেষত সরকার প্রধান বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ হচ্ছেন স্বভাবতই। তার কথা ও কাজে এর কিছুটা প্রকাশ ঘটবে বৈকি। কিন্তু সেটি ব্যক্তিগত না হয়ে রাজনৈতিক এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত না হয়ে মর্যাদাপূর্ণ হলেই সচেতন মানুষের ভালো লাগবে। আর তা বিবেচিত হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নয়ন বলে। সংসদের ভেতরে যেমন পড়বে, সমাজের অন্যখানেও থাকবে এর ‘ট্রিকল ডাউন ইফেক্ট’ (চুইয়ে পড়া প্রভাব)। বিরোধী নেত্রীও পারেন রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর দিনটি এড়িয়ে কীভাবে কী করবেন, তা স্থির করে অসহিষ্ণুতার পরিবেশ কিছুটা হলেও হালকা করতে। আমরা তো চাই রাজনীতি প্রকৃত ইস্যু ঘিরেই আবর্তিত হোক এবং এগিয়ে যাক। শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ ও কথায় যে রাজনৈতিক সংকট নিয়ে মানুষ চিন্তিত, সেটি দূরীকরণে হতাশাও কিন্তু বাড়ছে।
লেখক :সাংবাদিক
hmamun67@gmail.com