সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:২৯
সমঝোতা না হলে
সংঘাত অনিবার্য!
রাজনীতির প্রধান নিয়ামক হচ্ছে একে অপরের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস। কিন্তু সেই আস্থা ও বিশ্বাসের খুবই অভাব আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। আর সেই অবিশ্বাসের বলি হচ্ছে সাধারণ জনগণ। আস্থাহীনতা ও ক্ষমতার দাপটের জন্য সৃষ্টি হয়েছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে ওয়ান ইলেভেনের মত এক কালো অধ্যায়ের।
রাজনীতির হানাহানি, ক্ষমতার মোহ, ক্ষমতার দাপটে যেন আর একটি তাজা প্রাণও হারিয়ে না যায়, সেই কামনাই করি। আপনারা একটু পাশে তাকালেই দেখতে পারবেন কিভাবে একটি দেশ, জাতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, ব্যর্থ রাষ্ট্রের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়াচ্ছে। তাই দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদের প্রতি আমার উদাত্ত আহবান সবাই মিলে সমঝোতায় পৌঁছান। নিজেদের সমস্যা নিজেরা সমাধান করুন। বিশৃংখলার সুযোগে যেন কোন অপশক্তি ঢুকে পড়তে না পারে। সোনার বাংলা যেন কয়লার বাংলায় পরিণত না হয়। যা একবার হারালে ফিরে পাওয়া যায় না। তাই বলব- বর্তমান পরিস্থিতিতে সমঝোতার বিকল্প নেই।
শাহজাহান আলী মূসা
সমাজকর্ম, মাস্টার্স (ফাইনাল)
সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা।
০০০০০
স্বার্থের রাজনীতি পরিত্যাগ করুন
আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা রাজনীতি করে মূলত ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য, অথচ রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সমাজের কল্যাণ সাধন। ফলে দেশ আজ সংঘাতময় ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিষয়ে অনড়, অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল বিএনপিও যথারীতি এর বিরোধিতা করে আসছে। তাই আমি সরকার ও বিরোধী দলকে অনুরোধ করবো আপনারা স্বার্থের রাজনীতি পরিত্যাগ করে দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে সমঝোতার মাধ্যমে প্রয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন ও তত্ত্বাবধায়ক উভয় ব্যবস্থাকে বাদ দিয়ে অন্য আরেকটি নামে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করুন, নইলে দেশে অতিশিগগিরই তৃতীয় কোন শক্তির উত্থান হবে এবং আবারও ১/১১’র পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।
মামুনুর রশীদ বিজয়
৪র্থ বর্ষ,অর্থনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
০০০০০
যুদ্ধ নয়, শান্তি
চাই
১৯৭১ সালে অনেক প্রাণের বিনিময়ে পেয়েছি আমাদের এই প্রিয় দেশ বাংলাদেশ। অনেক গিয়েছে রক্ত ও তাজা তাজা প্রাণ। সে কথা আজও ভুলিনি। এটা ছিল আজ থেকে ৪২ বছর আগের কথা এবং ভিনদেশিদের আক্রমণ। আমরা নতুন করে আর কোন সংঘাতে জড়াতে চাই না। আর যদি সেটা হয় নিজেদের মধ্যে তাহলে তো আমরাই আমাদের ঘাতক। যে কোন দেশের রাজনীতিতে সমঝোতাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। আমাদের বাংলাদেশের রাজনীতি হিংসাত্মক ও ঘোলাটে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র দেশ হিসাবে আমাদেরকে সমঝোতার মাধ্যমে উন্নয়নের কাজ করা আবশ্যক কিন্তু তা না করে আমরাই আমাদের নিজের সিদ্ধান্তকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকি। আমাদের দেশটা সরকার বা বিরোধী দলের কারোই না, এই দেশটা আমাদের, তাই সবার সিদ্ধান্ত প্রাধান্য দেয়া উচিত। বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনীতির পরিস্থিতি অশুভ সংকেত বয়ে আনবে সেটা নিঃসন্দেহে বলতে পারি। ওয়ান ইলেভেন না হলেও তার সমকক্ষে যাবে না তার কোন ভিত্তি আছে কি?
মো. একরামুল ইসলাম
বি.এ (অধ্যয়নরত)
পীরগাছা ডিগ্রি কলেজ,
রংপুর।
০০০০০
সমঝোতা না হলে পরিণতি ভাল
হবে না
একদিকে বিএনপি তথা ১৮ দলীয় জোট দলীয় সরকারের অধীনে শুধু নির্বাচনে অংশ নেবে না এমনটি নয় বরং তারা সে নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে বর্তমান সরকার তাদের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনের তড়িঘড়ি ব্যবস্থাও করে চলেছে। এমতাবস্থায় কী হবে দেশের ভাগ্যে তা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে বসে আছে দেশের আপামর জনগণ। তবে দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে বিচারপতি হাবিবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল হক, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সুলতানা কামাল বা ফজলে হাসান আবেদের মত ব্যক্তি যাদের নিয়ে এ পযর্ন্ত কোন পক্ষপাতিত্ব বা অভিযোগ ওঠেনি এমন কাউকে প্রধান করে সরকার ও বিরোধী দলের ৫ জন করে সদ্স্য নিয়ে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা যায। যে সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হিসেবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতে পারবে। এবং একটি নির্বাচিত সরকার এদেশে প্রতিষ্ঠিত হবে।
বি. এইচ. মাহিনী
এলএলবি, প্রথম বর্ষ,
শহীদ মশিউর রহমান আইন কলেজ, যশোর।